নিজস্ব প্রতিবেদক

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণ মাদক। কে যে খায় না, কে যে রাখে না, কে যে বেচে না- তা বুঝতে পারছি না। মাদক নিয়ে অস্থিরতার মুল কারণ আমরা মাদক ব্যবসায়ীকে প্রশ্রয় দেই। আমরা যেন মাদকের সঙ্গে না থাকি। মাদক সংসার, পরিবার, জাতি, দেশ শেষ করেছে।
গতকাল কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও সেনানিবাস এলাকা) আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী এসব কথা বলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ।
মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক সংঘাতটা যতটুকু সংসদে ততটুকু বাইরে নেই।
তিনি বলেন, শহরে কিছু ছিঁচকে চোর আছে। এদের ধরতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশ কম। এটা বাড়াতে হবে। যানজট কমাতে হবে।
মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে কলের টেন্ডার হয়। আমি জানি না। সেখানে একদিন গিয়ে কোনও কর্মকর্তা ও ইঞ্জিনিয়ারকে পাই নাই।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণ মাদক। কে যে খায় না, কে যে রাখে না, কে যে বেচে না- তা বুঝতে পারছি না। মাদক নিয়ে অস্থিরতার মুল কারণ আমরা মাদক ব্যবসায়ীকে প্রশ্রয় দেই। আমরা যেন মাদকের সঙ্গে না থাকি। মাদক সংসার, পরিবার, জাতি, দেশ শেষ করেছে।
গতকাল কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও সেনানিবাস এলাকা) আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী এসব কথা বলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ।
মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক সংঘাতটা যতটুকু সংসদে ততটুকু বাইরে নেই।
তিনি বলেন, শহরে কিছু ছিঁচকে চোর আছে। এদের ধরতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশ কম। এটা বাড়াতে হবে। যানজট কমাতে হবে।
মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে কলের টেন্ডার হয়। আমি জানি না। সেখানে একদিন গিয়ে কোনও কর্মকর্তা ও ইঞ্জিনিয়ারকে পাই নাই।