নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে কুমিল্লা বিভাগ ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ও কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের সংসদ সদস্য জাকারিয়া তাহের সুমন।
আজ শনিবার দুপুরে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত পথসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি ওই দাবি জানান। লক্ষ্মীপুর বাজার মাঠে ওই পথসভা হয়। এ সময় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ২৫ বছর আগে এই মাঠে তারেক রহমানের বক্তব্য দেওয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দেন।
জাকারিয়া তাহের সুমন তাঁর বক্তৃতায় বলেন, ‘আজ থেকে প্রায় ২৫ বছর আগে এই বরুড়ার মাটিতে দাঁড়িয়ে আমাদের প্রিয় নেতা (তারেক রহমান) একটা কথা বলেছিলেন। বগুড়া আর বরুড়ার মধ্যে শুধু একটি অক্ষরের পার্থক্য। তাই তিনি বগুড়াকে যেভাবে দেখেন বরুড়াকেও একই দৃষ্টিতে দেখব। এই একটি বাক্য বরুড়ার মানুষের হৃদয়ে আশার আলো জাগিয়েছিল। কারণ সেই কথার মধ্যে ছিল ভালোবাসা, ছিল দায়িত্ববোধ, ছিল উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি। আজ ২৫ বছর পর আবারও তিনি আমাদের মাঝে এসেছেন। এটাই প্রমাণ করে তিনি বরুড়াকে ভুলে যাননি। বরুড়ার মানুষকে হৃদয়ে ধারণ করে রেখেছেন।
প্রিয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার এই আগমনে আমরা কৃতজ্ঞ এবং আনন্দিত আমরা গর্বিত। কুমিল্লাবাসীর পক্ষ থেকে আপনাকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। পরিশেষে আপনার কাছে একটা প্রত্যাশা বলতে চাই, আমাদের কুমিল্লাকে দয়া করে বিভাগে উন্নীত করেন। এটা আমাদের প্রাণের দাবি (এ সময় হাজারও জনতা স্লোগান দেন কুমিল্লা বিভাগ নামে)। আর এ কুমিল্লা একটি কৃষিনির্ভর এলাকা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি জেনে খুশি হবেন, এ কুমিল্লার মানুষ বিভাগ নিতে পারত। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা কুমিল্লাকে বিভাগের সব প্রক্রিয়া করেছিলেন, কিন্তু কুমিল্লার নাম দিতে চাননি। উনি নাম দিয়েছেন মেঘনা। কুমিল্লার মানুষ সেটা ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করেছিল। আমরা কুমিল্লার নামেই কুমিল্লা বিভাগ চাই। আর আমাদের এই এলাকা একটা কৃষিপ্রবণ এলাকা। আমাদের এখানে একটা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অত্যন্ত জরুরি। আমরা আশা করি, এটা আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ারও প্রতিশ্রুতি ছিল। উনি যখন ২০০১ এ প্রধানমন্ত্রী হন তারপরে উনি আমাদেরকে একটি বিশ্ববিদ্যালয় দিয়েছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৫০০ বেডের একটি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল করে দিয়েছিলেন। তখনই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা উঠেছিল। আজকে আপনার মাধ্যমে আমরা সেটার বাস্তবায়ন দেখতে চাই। আর একটা ছোট্ট আবদার, আমাদের কুমিল্লা সদর হসপিটাল শহরের একদম মাঝখানে। অনেক জরাজীর্ণ অবস্থায় আছে। এটাকে দয়া করে ২৫০-৩০০ বেডে উন্নীত করুন। তাহলে পরো শহরবাসী অনেক উপকৃত হবে।’
জবাবে কুমিল্লা বিভাগ গঠন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, এই দাবিটি যদি জনগণের দাবি হয়ে থাকে ইনশাল্লাহ তাহলে সেটির বাস্তবায়ন হবে (এ সময় সরকারের দুই মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন ও মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ দুই হাত উঁচিয়ে নাচানাচি করেন)।
কুমিল্লায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আগামী কয়েকদিনের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর সাথে কথা বলব। এবং সবকিছু বিবেচনা করে আমরা উদ্যোগ গ্রহণের চেষ্টা করব যত দ্রুত সম্ভব। এই বিষয়টি আমরা চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ বাস্তবায়ন করার জন্য। কিন্তু কথা একটা আছে, ধৈর্য ধরতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে কুমিল্লা বিভাগ ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ও কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের সংসদ সদস্য জাকারিয়া তাহের সুমন।
আজ শনিবার দুপুরে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত পথসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি ওই দাবি জানান। লক্ষ্মীপুর বাজার মাঠে ওই পথসভা হয়। এ সময় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ২৫ বছর আগে এই মাঠে তারেক রহমানের বক্তব্য দেওয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দেন।
জাকারিয়া তাহের সুমন তাঁর বক্তৃতায় বলেন, ‘আজ থেকে প্রায় ২৫ বছর আগে এই বরুড়ার মাটিতে দাঁড়িয়ে আমাদের প্রিয় নেতা (তারেক রহমান) একটা কথা বলেছিলেন। বগুড়া আর বরুড়ার মধ্যে শুধু একটি অক্ষরের পার্থক্য। তাই তিনি বগুড়াকে যেভাবে দেখেন বরুড়াকেও একই দৃষ্টিতে দেখব। এই একটি বাক্য বরুড়ার মানুষের হৃদয়ে আশার আলো জাগিয়েছিল। কারণ সেই কথার মধ্যে ছিল ভালোবাসা, ছিল দায়িত্ববোধ, ছিল উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি। আজ ২৫ বছর পর আবারও তিনি আমাদের মাঝে এসেছেন। এটাই প্রমাণ করে তিনি বরুড়াকে ভুলে যাননি। বরুড়ার মানুষকে হৃদয়ে ধারণ করে রেখেছেন।
প্রিয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার এই আগমনে আমরা কৃতজ্ঞ এবং আনন্দিত আমরা গর্বিত। কুমিল্লাবাসীর পক্ষ থেকে আপনাকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। পরিশেষে আপনার কাছে একটা প্রত্যাশা বলতে চাই, আমাদের কুমিল্লাকে দয়া করে বিভাগে উন্নীত করেন। এটা আমাদের প্রাণের দাবি (এ সময় হাজারও জনতা স্লোগান দেন কুমিল্লা বিভাগ নামে)। আর এ কুমিল্লা একটি কৃষিনির্ভর এলাকা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি জেনে খুশি হবেন, এ কুমিল্লার মানুষ বিভাগ নিতে পারত। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা কুমিল্লাকে বিভাগের সব প্রক্রিয়া করেছিলেন, কিন্তু কুমিল্লার নাম দিতে চাননি। উনি নাম দিয়েছেন মেঘনা। কুমিল্লার মানুষ সেটা ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করেছিল। আমরা কুমিল্লার নামেই কুমিল্লা বিভাগ চাই। আর আমাদের এই এলাকা একটা কৃষিপ্রবণ এলাকা। আমাদের এখানে একটা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অত্যন্ত জরুরি। আমরা আশা করি, এটা আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ারও প্রতিশ্রুতি ছিল। উনি যখন ২০০১ এ প্রধানমন্ত্রী হন তারপরে উনি আমাদেরকে একটি বিশ্ববিদ্যালয় দিয়েছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৫০০ বেডের একটি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল করে দিয়েছিলেন। তখনই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা উঠেছিল। আজকে আপনার মাধ্যমে আমরা সেটার বাস্তবায়ন দেখতে চাই। আর একটা ছোট্ট আবদার, আমাদের কুমিল্লা সদর হসপিটাল শহরের একদম মাঝখানে। অনেক জরাজীর্ণ অবস্থায় আছে। এটাকে দয়া করে ২৫০-৩০০ বেডে উন্নীত করুন। তাহলে পরো শহরবাসী অনেক উপকৃত হবে।’
জবাবে কুমিল্লা বিভাগ গঠন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, এই দাবিটি যদি জনগণের দাবি হয়ে থাকে ইনশাল্লাহ তাহলে সেটির বাস্তবায়ন হবে (এ সময় সরকারের দুই মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন ও মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ দুই হাত উঁচিয়ে নাচানাচি করেন)।
কুমিল্লায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আগামী কয়েকদিনের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর সাথে কথা বলব। এবং সবকিছু বিবেচনা করে আমরা উদ্যোগ গ্রহণের চেষ্টা করব যত দ্রুত সম্ভব। এই বিষয়টি আমরা চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ বাস্তবায়ন করার জন্য। কিন্তু কথা একটা আছে, ধৈর্য ধরতে হবে।