দেবীদ্বার প্রতিনিধি

কুমিল্লার দেবীদ্বারে মাদকাসক্ত ছেলের লাঠিপেটায় বাবা আব্দুল আলীম ওরফে ছেনু মিয়া (৭০) মারা গেছেন।
আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৭ টায় দেবীদ্বার পৌর এলাকার বড়আলমপুর কুশাগাজী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। তিনি প্রয়াত আকামত আলীর ছেলে।
নিহত ছেনু মিয়া (আব্দুল আলীম) দীর্ঘদিন প্রবাস জীবন শেষে দেশে এসে একটি মুঠোফোন কোম্পানীর টাওয়ারের নৈশ প্রহরী হিসেবে চাকরি করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদকের টাকার জন্য নিহতের বড় ছেলে রাসেল আহমেদ(৩০) প্রায়ই তাঁর বাবাকে মারধর করতেন। কিছুদিন আগে রাসেল তাঁর বাবার কাছ থেকে দুই লাখ টাকাও নিয়েছে। চার ছেলের মধ্যে রাসেল (৩০) কে আলাদা করে দেয়া হয়। বাকী ৩ জন নাঈমুল হাসান (২৮) এবং নাহিদুল ইসলাম (২৬) এবং প্রবাসী সিয়াম (২৪) বাবা মার সঙ্গে থাকেন। ছোট ছেলে মো. সিয়াম (২৪) বর্তমানে প্রবাসে থাকেন।
শনিবার সকালে নিহত ছেনু মিয়া বারেরা ফুলগাছ তলায় একটেল কোম্পানির একটি টাওয়ারের রাত্রিকালীন পাহারা শেষে বাড়ি ফেরার পথে ওনার নিজ হাতে লাগানো কিছু গাছ জাহাঙ্গীর আলম নামে এক ব্যক্তি কাটতে গেলে তিনি বাঁধা দেন। গাছ লাগানো গোমতী নদীর পাড় সংলগ্ন ওই জমির ৬ শতাংশ প্রায় ৩ বছর আগে বড়আলমপুর গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে জাহাঙ্গীর আলমের কাছে বিক্রি করেন। জাহাঙ্গীর আলম তার ক্রয়কৃত জমির সীমানা প্রাচীর নির্মাণের সময় গাছগুলো কাটতে গেলে ছেনুমিয়া বাঁধা দিলে তার ছেলে রাসেলের নিকট বিচার দেন।
ওই ঘটনায় বাড়ি এসে রাসেল তার বাবার সাথে তর্কে লিপ্ত হয়, রাসেলকে না জানিয়ে জমি বিক্রয় এবং জমি বিক্রয়ের টাকার ভাগ তাকে কেন দেয়া হল না, এ নিয়ে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে লাঠি দিয়ে তাঁর বাবাকে পিটিয়ে আহত করে। তার বাবা একটি দা নিয়ে রাসেলকে ধাওয়া করে, রাসেলের হাতে দা’র কোপ পড়ে। ক্ষুব্ধ রাসেল পুনঃরায় তার বাবাকে বেধড়ক পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে। এক পর্যায়ে ঘরে রেখেই চিকিৎসা দেয়। বেলা দেড়টার সময় আশংকাজনক অবস্থায় দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর থেকে ঘাতক ছেলে রাসেল পলাতক রয়েছে।
পুলিশ বেলা সাড়ে ৩টায় নিহতের লাশ সুরতহাল প্রতিবেদন থানায় নিয়ে আসে।
স্থানীয় কৃষক আলী হোসেন (৬৫) বলেন, ছেনু মিয়ার ছেলেগুলো কেউ মানুষ হয়নি, ছোট ছেলেটাকে বিদেশ পাঠিয়েছে। বাকী ৩ ছেলে মাঝে মাঝে রাজমিস্ত্রির কাজে গেলেও বাবার আয়ের উপর নির্ভর।
প্রতিবেশী ছালেহা খাতুন বলেন, মাদকাসক্ত সন্তান পিটিয়ে বাবাকে হত্যা করল।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন স্কুল শিক্ষক জানান, ছেনু মিয়ার ৩ ছেলেই মাদকাসক্ত, এটা ধামাচাপা দিলে ওদের হাতে নিরীহ মানুষও খুন হতে পারে। তাই তাঁর বিচার হওয়া দরকার।
ছেনু মিয়ার স্ত্রী নাজমা বেগম (৬০) জানান, আমার ছেলে রাসেলই আমার স্বামীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, গাছ কাটা নিয়ে বাবা ছেলের তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে মারামারি হয়। মারামারির পর হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা না হলে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের উপর নির্ভর করতে হবে। তবে সুরতহাল রিপোর্টে নিহতের শরীরে লাঠিপেটার দাগ ছিল।

কুমিল্লার দেবীদ্বারে মাদকাসক্ত ছেলের লাঠিপেটায় বাবা আব্দুল আলীম ওরফে ছেনু মিয়া (৭০) মারা গেছেন।
আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৭ টায় দেবীদ্বার পৌর এলাকার বড়আলমপুর কুশাগাজী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। তিনি প্রয়াত আকামত আলীর ছেলে।
নিহত ছেনু মিয়া (আব্দুল আলীম) দীর্ঘদিন প্রবাস জীবন শেষে দেশে এসে একটি মুঠোফোন কোম্পানীর টাওয়ারের নৈশ প্রহরী হিসেবে চাকরি করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদকের টাকার জন্য নিহতের বড় ছেলে রাসেল আহমেদ(৩০) প্রায়ই তাঁর বাবাকে মারধর করতেন। কিছুদিন আগে রাসেল তাঁর বাবার কাছ থেকে দুই লাখ টাকাও নিয়েছে। চার ছেলের মধ্যে রাসেল (৩০) কে আলাদা করে দেয়া হয়। বাকী ৩ জন নাঈমুল হাসান (২৮) এবং নাহিদুল ইসলাম (২৬) এবং প্রবাসী সিয়াম (২৪) বাবা মার সঙ্গে থাকেন। ছোট ছেলে মো. সিয়াম (২৪) বর্তমানে প্রবাসে থাকেন।
শনিবার সকালে নিহত ছেনু মিয়া বারেরা ফুলগাছ তলায় একটেল কোম্পানির একটি টাওয়ারের রাত্রিকালীন পাহারা শেষে বাড়ি ফেরার পথে ওনার নিজ হাতে লাগানো কিছু গাছ জাহাঙ্গীর আলম নামে এক ব্যক্তি কাটতে গেলে তিনি বাঁধা দেন। গাছ লাগানো গোমতী নদীর পাড় সংলগ্ন ওই জমির ৬ শতাংশ প্রায় ৩ বছর আগে বড়আলমপুর গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে জাহাঙ্গীর আলমের কাছে বিক্রি করেন। জাহাঙ্গীর আলম তার ক্রয়কৃত জমির সীমানা প্রাচীর নির্মাণের সময় গাছগুলো কাটতে গেলে ছেনুমিয়া বাঁধা দিলে তার ছেলে রাসেলের নিকট বিচার দেন।
ওই ঘটনায় বাড়ি এসে রাসেল তার বাবার সাথে তর্কে লিপ্ত হয়, রাসেলকে না জানিয়ে জমি বিক্রয় এবং জমি বিক্রয়ের টাকার ভাগ তাকে কেন দেয়া হল না, এ নিয়ে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে লাঠি দিয়ে তাঁর বাবাকে পিটিয়ে আহত করে। তার বাবা একটি দা নিয়ে রাসেলকে ধাওয়া করে, রাসেলের হাতে দা’র কোপ পড়ে। ক্ষুব্ধ রাসেল পুনঃরায় তার বাবাকে বেধড়ক পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে। এক পর্যায়ে ঘরে রেখেই চিকিৎসা দেয়। বেলা দেড়টার সময় আশংকাজনক অবস্থায় দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর থেকে ঘাতক ছেলে রাসেল পলাতক রয়েছে।
পুলিশ বেলা সাড়ে ৩টায় নিহতের লাশ সুরতহাল প্রতিবেদন থানায় নিয়ে আসে।
স্থানীয় কৃষক আলী হোসেন (৬৫) বলেন, ছেনু মিয়ার ছেলেগুলো কেউ মানুষ হয়নি, ছোট ছেলেটাকে বিদেশ পাঠিয়েছে। বাকী ৩ ছেলে মাঝে মাঝে রাজমিস্ত্রির কাজে গেলেও বাবার আয়ের উপর নির্ভর।
প্রতিবেশী ছালেহা খাতুন বলেন, মাদকাসক্ত সন্তান পিটিয়ে বাবাকে হত্যা করল।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন স্কুল শিক্ষক জানান, ছেনু মিয়ার ৩ ছেলেই মাদকাসক্ত, এটা ধামাচাপা দিলে ওদের হাতে নিরীহ মানুষও খুন হতে পারে। তাই তাঁর বিচার হওয়া দরকার।
ছেনু মিয়ার স্ত্রী নাজমা বেগম (৬০) জানান, আমার ছেলে রাসেলই আমার স্বামীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, গাছ কাটা নিয়ে বাবা ছেলের তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে মারামারি হয়। মারামারির পর হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা না হলে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের উপর নির্ভর করতে হবে। তবে সুরতহাল রিপোর্টে নিহতের শরীরে লাঠিপেটার দাগ ছিল।