বরুড়ার লক্ষ্মীপুরের পথসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরুড়া থেকে

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গত ১৬-১৭ বছরে ভোট দেওয়ার অধিকার ছিল না। কেউ যদি সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলতো গুম হয়ে যেতো। ২০২৪ সালে জনতা তাদের বিতাড়িত করেছে। আজ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখন আমাদের সময় এসেছে দেশকে পুনর্গঠন করার। দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করে পুনর্গঠন করা হবে। বিএনপি জনগণের কাছে যে ওয়াদা দেয়, সেই ওয়াদা পূরণ করবে।
আজ শনিবার দুপুরে সড়ক পথে চাঁদপুর যাওয়ার পথে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর বাজার মাঠে এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথম তিনি কুমিল্লায় আসেন।

এর আগে ২০০১ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লক্ষ্মীপুর বাজার মাঠে নির্বাচনী পথসভায় বর্তমান গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের বাবা তৎকালীন বিএনপির সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও তিন বারের সংসদ সদস্য এ কে এম আবু তাহেরের পক্ষে প্রচারণা চালান। ২৫ বছর পর একই মাঠে বক্তব্য দিলেন আজ।
তারেক রহমান ২০০১ সালে তাঁর বরুড়ার স্মৃতি মেলে ধরে বলেন, সেইদিন আট থেকে ১০ টি পথসভা করেছি। রাত ১১ টার দিকে এই স্থানে নির্বাচনী পথসভা করেছি। বরুড়া আর বগুড়ার উচ্চারণ কাছাকাছি। আমি বগুড়ার আর বরুড়ার উন্নয়ন দেখব। আপনাদের কাছে যেই দাবিগুলো শুনলাম সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। তখন বরুড়ার রাস্তাঘাট খারাপ ছিল।
তিনি বলেন,করব কাজ গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। এই শ্লোগান মানতে হবে।
কুমিল্লা বিভাগ গঠন প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, এই দাবিটি যদি জনগণের দাবি হয়ে থাকে ইনশাল্লাহ বিভাগ বাস্তবায়ন হবে।
কুমিল্লায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আগামী কয়েকদিনের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে ডাকব। শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব। ধৈর্য ধরতে হবে।
তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা চাপের মধ্যে আছে। জনগণের সব চাওয়া পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
পথসভায় সভাপতিত্ব করেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ও কুমিল্লা-৮(বরুড়া) আসনের সংসদ সদস্য জাকারিয়া তাহের সুমন। লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ওই পথসভা হয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, জসীম উদ্দিন, মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া, কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল হক ভূঁঞা স্বপন, মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, সাংগঠিক সম্পাদক রাজিউর রহমান রাজীব, বরুড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি কায়সার আলম সেলিম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ,মহানগর ও বরুড়া উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পথসভায় বরুড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও পৌরসভা থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে আসে। তাঁরা তারেক ও সুমন ধ্বনিতে মুখর করে তোলে পথসভা স্থল।

পথসভায় জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, ২৫ বছর পর প্রধানমন্ত্রী বরুড়ায় এসেছেন। ২৫ বছর আগে তারেক রহমান বলেছিলেন বগুড়া আর বরুড়ার মধ্যে একটি অক্ষরের পার্থক্য ছিল। তাঁর এই কথার মধ্যে আবেগ. দায়িত্ব ও প্রতিশ্রুতি ছিল। বরুড়ার উন্নয়ন কাজ বাকি আছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বরুড়া আধুনিক উপজেলা হবে। কুমিল্লাকে বিভাগে উন্নীত করুন। আমরা কুমিল্লা নামেই কুমিল্লা বিভাগ চাই। আমরা কৃষি বিশ^বিদ্যালয় চাই। কুমিল্লা সদর হাসপাতাল ২৫০-৩০০ আসন করা হোক।
এর আগে কুমিল্লার মেঘনা উপজেলা থেকে দাউদকান্দি, ইলিয়টগঞ্জ, চান্দিনা, নিমসার, আলেখারচর, পদুয়ারবাজার , লালমাই, মুদাফরগঞ্জ এলাকায় বাস থেকে হাত নেড়ে দলীয় নেতাকর্মীদের অভিবাদন দেন। চাঁদপুরে খাল খনন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, দলীয় সভায় অংশ নিতে তিনি সড়ক পথে কুমিল্লার উপর দিয়ে যাচ্ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গত ১৬-১৭ বছরে ভোট দেওয়ার অধিকার ছিল না। কেউ যদি সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলতো গুম হয়ে যেতো। ২০২৪ সালে জনতা তাদের বিতাড়িত করেছে। আজ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখন আমাদের সময় এসেছে দেশকে পুনর্গঠন করার। দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করে পুনর্গঠন করা হবে। বিএনপি জনগণের কাছে যে ওয়াদা দেয়, সেই ওয়াদা পূরণ করবে।
আজ শনিবার দুপুরে সড়ক পথে চাঁদপুর যাওয়ার পথে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর বাজার মাঠে এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথম তিনি কুমিল্লায় আসেন।

এর আগে ২০০১ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লক্ষ্মীপুর বাজার মাঠে নির্বাচনী পথসভায় বর্তমান গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের বাবা তৎকালীন বিএনপির সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও তিন বারের সংসদ সদস্য এ কে এম আবু তাহেরের পক্ষে প্রচারণা চালান। ২৫ বছর পর একই মাঠে বক্তব্য দিলেন আজ।
তারেক রহমান ২০০১ সালে তাঁর বরুড়ার স্মৃতি মেলে ধরে বলেন, সেইদিন আট থেকে ১০ টি পথসভা করেছি। রাত ১১ টার দিকে এই স্থানে নির্বাচনী পথসভা করেছি। বরুড়া আর বগুড়ার উচ্চারণ কাছাকাছি। আমি বগুড়ার আর বরুড়ার উন্নয়ন দেখব। আপনাদের কাছে যেই দাবিগুলো শুনলাম সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। তখন বরুড়ার রাস্তাঘাট খারাপ ছিল।
তিনি বলেন,করব কাজ গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। এই শ্লোগান মানতে হবে।
কুমিল্লা বিভাগ গঠন প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, এই দাবিটি যদি জনগণের দাবি হয়ে থাকে ইনশাল্লাহ বিভাগ বাস্তবায়ন হবে।
কুমিল্লায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আগামী কয়েকদিনের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে ডাকব। শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব। ধৈর্য ধরতে হবে।
তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা চাপের মধ্যে আছে। জনগণের সব চাওয়া পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
পথসভায় সভাপতিত্ব করেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ও কুমিল্লা-৮(বরুড়া) আসনের সংসদ সদস্য জাকারিয়া তাহের সুমন। লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ওই পথসভা হয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, জসীম উদ্দিন, মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া, কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল হক ভূঁঞা স্বপন, মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, সাংগঠিক সম্পাদক রাজিউর রহমান রাজীব, বরুড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি কায়সার আলম সেলিম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ,মহানগর ও বরুড়া উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পথসভায় বরুড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও পৌরসভা থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে আসে। তাঁরা তারেক ও সুমন ধ্বনিতে মুখর করে তোলে পথসভা স্থল।

পথসভায় জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, ২৫ বছর পর প্রধানমন্ত্রী বরুড়ায় এসেছেন। ২৫ বছর আগে তারেক রহমান বলেছিলেন বগুড়া আর বরুড়ার মধ্যে একটি অক্ষরের পার্থক্য ছিল। তাঁর এই কথার মধ্যে আবেগ. দায়িত্ব ও প্রতিশ্রুতি ছিল। বরুড়ার উন্নয়ন কাজ বাকি আছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বরুড়া আধুনিক উপজেলা হবে। কুমিল্লাকে বিভাগে উন্নীত করুন। আমরা কুমিল্লা নামেই কুমিল্লা বিভাগ চাই। আমরা কৃষি বিশ^বিদ্যালয় চাই। কুমিল্লা সদর হাসপাতাল ২৫০-৩০০ আসন করা হোক।
এর আগে কুমিল্লার মেঘনা উপজেলা থেকে দাউদকান্দি, ইলিয়টগঞ্জ, চান্দিনা, নিমসার, আলেখারচর, পদুয়ারবাজার , লালমাই, মুদাফরগঞ্জ এলাকায় বাস থেকে হাত নেড়ে দলীয় নেতাকর্মীদের অভিবাদন দেন। চাঁদপুরে খাল খনন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, দলীয় সভায় অংশ নিতে তিনি সড়ক পথে কুমিল্লার উপর দিয়ে যাচ্ছিলেন।