ব্রাহ্মণপাড়া প্রতিনিধি

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় আমন ধান চাষাবাদ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। বর্ষার পানি ও অনুকূল আবহাওয়াকে কাজে লাগিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জমি প্রস্তুত, চারা রোপণ ও পরিচর্যার কাজ চলছে পুরোদমে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার আমনের ফলন ভালো হবে বলে আশা করছেন কৃষকরা।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ জমিতে আমন ধানের চারা রোপণ করা হয়েছে। কোথাও জমি প্রস্তুত করতে হালচাষ ও জমি সমান করার কাজ চলছে, আবার কোথাও কৃষকরা বীজতলা থেকে চারা উত্তোলন করে জমিতে রোপণ করছেন। পাশাপাশি সেচ দেওয়া ও আগাছা পরিষ্কারের কাজও চলছে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কৃষক ও শ্রমিকদের কর্মব্যস্ততায় মাঠগুলো প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে।
কৃষকেরা জানান, বীজ, সার, কীটনাশক, সেচ ও শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় এবার আমন চাষে উৎপাদন খরচ আগের তুলনায় বেড়েছে। বর্তমানে একজন শ্রমিককে দৈনিক ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা মজুরি দিতে হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কানি (৬০ শতক) জমির জন্য আমনের চারা কিনতে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে। এর সঙ্গে সার, কীটনাশক ও অন্যান্য কৃষি উপকরণের খরচও রয়েছে।
ধানের ফলন ভালো হওয়ার পাশাপাশি বাজারে ন্যায্যমূল্য পাওয়া গেলে কৃষকেরা লাভবান হবেন বলে জানান তারা। তবে ধান কাটার মৌসুমে বাজারদর কমে গেলে উৎপাদন খরচ তুলতে গিয়ে লোকসানের আশঙ্কাও করছেন কৃষকরা।
উপজেলার ধান্যদৌল গ্রামের কৃষক রফিক মিয়া বলেন, এবার জমিতে ধানের চারা ভালো হয়েছে। আবহাওয়াও অনুক‚লে রয়েছে। এভাবে আবহাওয়া অনুক‚লে থাকলে ফলন ভালো হবে বলে আশা করছি। তবে ধানের ন্যায্যমূল্য না পেলে আমাদের লাভ থাকবে না।
চান্দলা ইউনিয়নের বড়ধুশিয়া গ্রামের কৃষক আক্তার হোসেন বলেন, কৃষি উপকরণের দাম বাড়ায় এবার আমন চাষে খরচ বেশি হচ্ছে। ধান কাটার সময় শ্রমিক সংকট ও শ্রমিকের মজুরি নিয়েও দুশ্চিন্তা রয়েছে। সরকারিভাবে ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হলে কৃষকরা আরও উৎসাহিত হবেন।
কৃষকদের দাবি, ধান উৎপাদনের খরচ বিবেচনায় নিয়ে সরকারিভাবে ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ, সার ও কীটনাশকের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা এবং ধান কাটার মৌসুমে শ্রমিক সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আবদুল মতিন বলেন, চলতি বছর ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় ৫ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে আবহাওয়ার পরিস্থিতি বেশ ভালো। কৃষকেরা এখনো মাঠে চারা রোপণ করছেন। এভাবে আবহাওয়া অনুক‚লে থাকলে আশা করছি এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আমন আবাদ হবে।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় আমন ধান চাষাবাদ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। বর্ষার পানি ও অনুকূল আবহাওয়াকে কাজে লাগিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জমি প্রস্তুত, চারা রোপণ ও পরিচর্যার কাজ চলছে পুরোদমে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার আমনের ফলন ভালো হবে বলে আশা করছেন কৃষকরা।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ জমিতে আমন ধানের চারা রোপণ করা হয়েছে। কোথাও জমি প্রস্তুত করতে হালচাষ ও জমি সমান করার কাজ চলছে, আবার কোথাও কৃষকরা বীজতলা থেকে চারা উত্তোলন করে জমিতে রোপণ করছেন। পাশাপাশি সেচ দেওয়া ও আগাছা পরিষ্কারের কাজও চলছে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কৃষক ও শ্রমিকদের কর্মব্যস্ততায় মাঠগুলো প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে।
কৃষকেরা জানান, বীজ, সার, কীটনাশক, সেচ ও শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় এবার আমন চাষে উৎপাদন খরচ আগের তুলনায় বেড়েছে। বর্তমানে একজন শ্রমিককে দৈনিক ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা মজুরি দিতে হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কানি (৬০ শতক) জমির জন্য আমনের চারা কিনতে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে। এর সঙ্গে সার, কীটনাশক ও অন্যান্য কৃষি উপকরণের খরচও রয়েছে।
ধানের ফলন ভালো হওয়ার পাশাপাশি বাজারে ন্যায্যমূল্য পাওয়া গেলে কৃষকেরা লাভবান হবেন বলে জানান তারা। তবে ধান কাটার মৌসুমে বাজারদর কমে গেলে উৎপাদন খরচ তুলতে গিয়ে লোকসানের আশঙ্কাও করছেন কৃষকরা।
উপজেলার ধান্যদৌল গ্রামের কৃষক রফিক মিয়া বলেন, এবার জমিতে ধানের চারা ভালো হয়েছে। আবহাওয়াও অনুক‚লে রয়েছে। এভাবে আবহাওয়া অনুক‚লে থাকলে ফলন ভালো হবে বলে আশা করছি। তবে ধানের ন্যায্যমূল্য না পেলে আমাদের লাভ থাকবে না।
চান্দলা ইউনিয়নের বড়ধুশিয়া গ্রামের কৃষক আক্তার হোসেন বলেন, কৃষি উপকরণের দাম বাড়ায় এবার আমন চাষে খরচ বেশি হচ্ছে। ধান কাটার সময় শ্রমিক সংকট ও শ্রমিকের মজুরি নিয়েও দুশ্চিন্তা রয়েছে। সরকারিভাবে ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হলে কৃষকরা আরও উৎসাহিত হবেন।
কৃষকদের দাবি, ধান উৎপাদনের খরচ বিবেচনায় নিয়ে সরকারিভাবে ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ, সার ও কীটনাশকের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা এবং ধান কাটার মৌসুমে শ্রমিক সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আবদুল মতিন বলেন, চলতি বছর ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় ৫ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে আবহাওয়ার পরিস্থিতি বেশ ভালো। কৃষকেরা এখনো মাঠে চারা রোপণ করছেন। এভাবে আবহাওয়া অনুক‚লে থাকলে আশা করছি এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আমন আবাদ হবে।