১৪ দিনের নবজাতক কন্যাকে রেখে না ফেরার দেশে রাফি
ব্রাহ্মণপাড়া প্রতিনিধি

নবজাতকের মুখ আর দেখা হলো না বাবা মো. রাফির (২২)। নেশার টাকা জোগাড় করতে না পেরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করেছে তাঁর পরিবার। গতকাল শুক্রবার রাত ১০টার দিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
মো. রাফি কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ধান্যদৌল গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে। সবচেয়ে বেশি হৃদয়বিদারক হয়ে উঠেছে তাঁর ১৪ দিনের নবজাতক কন্যাকে ঘিরে স্বজনদের আহাজারি।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাফি দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। মাদকসংক্রান্ত একটি মামলায় প্রায় ছয় মাস কারাভোগের পর গত ১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান। পরিবার আশা করেছিল, কারাগার থেকে ফিরে হয়তো নতুন করে জীবন শুরু করবেন তিনি। কিন্তু সেই আশার প্রদীপ জ্বলার আগেই ঘটে গেল মর্মান্তিক ঘটনা।
পরিবারের ভাষ্য, কারাগার থেকে মুক্তির পর আর্থিক সংকটের কারণে রাফি নেশার টাকা জোগাড় করতে পারছিলেন না। শুক্রবার বিকেলে তিনি বিষপানে অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিষয়টি জানতে পেরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাঁকে চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত আনুমানিক ১০টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
স্বজনরা জানান, রাফির মৃত্যুর মাত্র ১৪ দিন আগে তাঁর ঘর আলো করে জন্ম নেয় একটি কন্যাসন্তান। পৃথিবীর আলো দেখার পর যে সন্তানটির মুখে বাবার আদর পাওয়ার কথা, সেই সন্তানই এখন বাবার স্নেহ থেকে চিরদিনের জন্য বঞ্চিত। নবজাতক শিশুটির ভবিষ্যৎ আর পরিবারের কান্না যেন এ ঘটনার বেদনা আরও গভীর করে তুলেছে।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

নবজাতকের মুখ আর দেখা হলো না বাবা মো. রাফির (২২)। নেশার টাকা জোগাড় করতে না পেরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করেছে তাঁর পরিবার। গতকাল শুক্রবার রাত ১০টার দিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
মো. রাফি কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ধান্যদৌল গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে। সবচেয়ে বেশি হৃদয়বিদারক হয়ে উঠেছে তাঁর ১৪ দিনের নবজাতক কন্যাকে ঘিরে স্বজনদের আহাজারি।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাফি দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। মাদকসংক্রান্ত একটি মামলায় প্রায় ছয় মাস কারাভোগের পর গত ১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান। পরিবার আশা করেছিল, কারাগার থেকে ফিরে হয়তো নতুন করে জীবন শুরু করবেন তিনি। কিন্তু সেই আশার প্রদীপ জ্বলার আগেই ঘটে গেল মর্মান্তিক ঘটনা।
পরিবারের ভাষ্য, কারাগার থেকে মুক্তির পর আর্থিক সংকটের কারণে রাফি নেশার টাকা জোগাড় করতে পারছিলেন না। শুক্রবার বিকেলে তিনি বিষপানে অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিষয়টি জানতে পেরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাঁকে চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত আনুমানিক ১০টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
স্বজনরা জানান, রাফির মৃত্যুর মাত্র ১৪ দিন আগে তাঁর ঘর আলো করে জন্ম নেয় একটি কন্যাসন্তান। পৃথিবীর আলো দেখার পর যে সন্তানটির মুখে বাবার আদর পাওয়ার কথা, সেই সন্তানই এখন বাবার স্নেহ থেকে চিরদিনের জন্য বঞ্চিত। নবজাতক শিশুটির ভবিষ্যৎ আর পরিবারের কান্না যেন এ ঘটনার বেদনা আরও গভীর করে তুলেছে।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।