নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের লাশ উদ্ধারের বিষয়ে গণমাধ্যমে বক্তব্য দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। গতকাল শনিবার লাশ উদ্ধারের পর তিনি নিম্নোক্ত বক্তব্য দেন।
উপাচার্য বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে বসে আমাদের নিজস্ব ভিডিও ফুটেজ আমাদের আইটি টিমের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করছিলাম আমরা। এতে ঠিক তিনটা ১৫ মিনিটে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গেইটে একটি রিকশায় করে অপ্রতিমকে নামতে দেখি। সেখানে সে টাকা ভাঙতি করার জন্য একটি দোকানে ঢুকছিল। এমন সময়ে বিপরীত দিক থেকে একটি অটোতে করে একটি ছেলে এসে নামে। যার মাথায় ক্যাপ ছিল। যাকে পেছন থেকেও দেখে বুঝা যাচ্ছিল তার বয়স অপ্রতিম থেকে অনেক বেশি। এই ছেলেটি সরাসরি গিয়েই ওর সঙ্গে কথা বলে এবং দুইজন একসঙ্গে হেঁটে একটু দক্ষিণ দিকে চলে এসে আমাদের ক্যামেরার সীমানার বাইরে চলে যায়।
আমরা তারপর আমাদের তৎপরতা আরও বাড়াই। আমাদের বিএনসিসি এবং বিভিন্ন বিভাগের বিশেষত ছাত্ররা আশপাশে পাহাড়গুলোতে, বন থেকে, সামাজিক বনবিভাগ থেকে তারা ভেতরে খোঁজাখুঁজি করছিল। ঠিক ওই সময়ে আমরা যে ছেলেটির সঙ্গে তাকে যেতে দেখি, ওই ছেলের পরিচয়টি আমরা আশপাশের স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে শনাক্ত করি। ওই ছেলেটির নাম হচ্ছে তুহিন। তুহিনের বাসায় আমাদের প্রক্টরিয়াল টিম যায় এবং তুহিনকে বাসায় পায়। তার কথাবার্তা অসংলগ্ন মনে হচ্ছিল। এবং তার কাছে মোবাইল পায়। মোবাইলের মেসেঞ্জার চেক করে দেখা যায় তুহিন বারবারই অপ্রতিমকে ইনসিস্ট করছিল বাসা থেকে বের হওয়ার জন্য বলে। এবং তার সাথে দেখা করার জন্য বলে। তুহিন বলতে চেয়েছিল, তার সঙ্গে ওই সময়ে দেখা করে অপ্রতিম চলে যায়। সে অপ্রতিমকে বিদায় দিয়ে আসে। একই সময়ে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ মোড়ের দোকানের যে ভিডিও ফুটেজ আছে, ওই দোকানের ফুটেজেও তুহিন ও অপ্রতিমকে একই সঙ্গে দেখা গেছে।’
উপাচার্য বলেন, ড. নাহিদা বেগমের ছেলে নিখোঁজ হওয়ার পর আমি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব জায়গাতে নক করেছি। পুলিশ প্রশাসন ও মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয়কে জানিয়েছি। আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করেছিলাম, ছেলেটিকে বাবা-মার কাছে জীবিত ফিরিয়ে দিতে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের লাশ উদ্ধারের বিষয়ে গণমাধ্যমে বক্তব্য দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। গতকাল শনিবার লাশ উদ্ধারের পর তিনি নিম্নোক্ত বক্তব্য দেন।
উপাচার্য বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে বসে আমাদের নিজস্ব ভিডিও ফুটেজ আমাদের আইটি টিমের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করছিলাম আমরা। এতে ঠিক তিনটা ১৫ মিনিটে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গেইটে একটি রিকশায় করে অপ্রতিমকে নামতে দেখি। সেখানে সে টাকা ভাঙতি করার জন্য একটি দোকানে ঢুকছিল। এমন সময়ে বিপরীত দিক থেকে একটি অটোতে করে একটি ছেলে এসে নামে। যার মাথায় ক্যাপ ছিল। যাকে পেছন থেকেও দেখে বুঝা যাচ্ছিল তার বয়স অপ্রতিম থেকে অনেক বেশি। এই ছেলেটি সরাসরি গিয়েই ওর সঙ্গে কথা বলে এবং দুইজন একসঙ্গে হেঁটে একটু দক্ষিণ দিকে চলে এসে আমাদের ক্যামেরার সীমানার বাইরে চলে যায়।
আমরা তারপর আমাদের তৎপরতা আরও বাড়াই। আমাদের বিএনসিসি এবং বিভিন্ন বিভাগের বিশেষত ছাত্ররা আশপাশে পাহাড়গুলোতে, বন থেকে, সামাজিক বনবিভাগ থেকে তারা ভেতরে খোঁজাখুঁজি করছিল। ঠিক ওই সময়ে আমরা যে ছেলেটির সঙ্গে তাকে যেতে দেখি, ওই ছেলের পরিচয়টি আমরা আশপাশের স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে শনাক্ত করি। ওই ছেলেটির নাম হচ্ছে তুহিন। তুহিনের বাসায় আমাদের প্রক্টরিয়াল টিম যায় এবং তুহিনকে বাসায় পায়। তার কথাবার্তা অসংলগ্ন মনে হচ্ছিল। এবং তার কাছে মোবাইল পায়। মোবাইলের মেসেঞ্জার চেক করে দেখা যায় তুহিন বারবারই অপ্রতিমকে ইনসিস্ট করছিল বাসা থেকে বের হওয়ার জন্য বলে। এবং তার সাথে দেখা করার জন্য বলে। তুহিন বলতে চেয়েছিল, তার সঙ্গে ওই সময়ে দেখা করে অপ্রতিম চলে যায়। সে অপ্রতিমকে বিদায় দিয়ে আসে। একই সময়ে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ মোড়ের দোকানের যে ভিডিও ফুটেজ আছে, ওই দোকানের ফুটেজেও তুহিন ও অপ্রতিমকে একই সঙ্গে দেখা গেছে।’
উপাচার্য বলেন, ড. নাহিদা বেগমের ছেলে নিখোঁজ হওয়ার পর আমি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব জায়গাতে নক করেছি। পুলিশ প্রশাসন ও মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয়কে জানিয়েছি। আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করেছিলাম, ছেলেটিকে বাবা-মার কাছে জীবিত ফিরিয়ে দিতে।