ব্রাহ্মণপাড়া প্রতিনিধি

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ফারজানা আক্তার নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ রোববার সকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কল্পবাস এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ফারজানা আক্তার (১৮) ওই এলাকার কলা ব্যবসায়ী মেহেদী হাসানের স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা সদরের কল্পবাস এলাকার আলমগীর হোসেনের ছেলে মেহেদী হাসানের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার কান্দার পাড় এলাকার আবুল কাশেমের মেয়ে ফারজানার দুই বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়।
শনিবার রাতে ফারজানা তাঁর স্বামীকে মোবাইল ফোন কিনে দিতে বলেন। এ নিয়ে তখন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে রোববার সকালে আবারও ফারজানা তাঁর স্বামীর কাছে মোবাইল ফোন চাইলে স্বামী মেহেদী হাসান দুপুরে বাসায় ফিরে মোবাইল দেবে বলে বাসা থেকে বের হয়ে যান।
কিছুক্ষণ পর মেহেদী হাসান দুই প্যাকেট বিরিয়ানি নিয়ে বাসায় ফিরে দেখেন ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। তিনি ডাকাডাকি করেও কোনে সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় তিনি দেখতে পান, ফারজানা আক্তার গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছেন।
পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আসিফ মোহাম্মদ তকি তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আসিফ মোহাম্মদ তকি বলেন, গলায় ফাঁস দেওয়া এক নারীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত পাওয়া যায়। বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) টমাস বড়ুয়া বলেন, খবর পেয়ে আমরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ফারজানা আক্তার নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ রোববার সকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কল্পবাস এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ফারজানা আক্তার (১৮) ওই এলাকার কলা ব্যবসায়ী মেহেদী হাসানের স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা সদরের কল্পবাস এলাকার আলমগীর হোসেনের ছেলে মেহেদী হাসানের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার কান্দার পাড় এলাকার আবুল কাশেমের মেয়ে ফারজানার দুই বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়।
শনিবার রাতে ফারজানা তাঁর স্বামীকে মোবাইল ফোন কিনে দিতে বলেন। এ নিয়ে তখন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে রোববার সকালে আবারও ফারজানা তাঁর স্বামীর কাছে মোবাইল ফোন চাইলে স্বামী মেহেদী হাসান দুপুরে বাসায় ফিরে মোবাইল দেবে বলে বাসা থেকে বের হয়ে যান।
কিছুক্ষণ পর মেহেদী হাসান দুই প্যাকেট বিরিয়ানি নিয়ে বাসায় ফিরে দেখেন ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। তিনি ডাকাডাকি করেও কোনে সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় তিনি দেখতে পান, ফারজানা আক্তার গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছেন।
পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আসিফ মোহাম্মদ তকি তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আসিফ মোহাম্মদ তকি বলেন, গলায় ফাঁস দেওয়া এক নারীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত পাওয়া যায়। বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) টমাস বড়ুয়া বলেন, খবর পেয়ে আমরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান।