মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম
চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যাতায়াতকারী যাত্রী এবং চালকদের যাত্রাপথে এক টুকরো প্রশান্তি যেন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা। সড়কের দুই অংশের বিভাজকে দৃষ্টিনন্দন ফুলের সৌরভ, বিভিন্ন শাকসবজির চাষ সড়কের সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে তুলেছে দ্বিগুণ করে। মহাসড়কে যাতায়াতকারী যাত্রীদের অন্তত ৯০ শতাংশ মানুষ চৌদ্দগ্রামের বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় ও খাবার হোটেলে খাবার গ্রহণ করেন।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম বাজার সংলগ্ন অংশে ময়লার ভাগাড় উপজেলার সেই সুনামকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে। বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে পৌর সদরের এই অংশে মহাসড়কের পাশেই গড়ে উঠেছে বিশাল ময়লার ভাগাড়। দিন দিন বাড়তে থাকা এই ময়লার স্তূপ থেকে ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ, দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। ময়লার তীব্র গন্ধে মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রীরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। পৌর এলাকার নাটাপাড়া, নোয়াপুর এবং ব্র্যাক অফিস সংলগ্ন মহাসড়ক অংশে পরিবহনের যাত্রীরা বাধ্য হয়ে নাক-মুখ চেপে ধরেন। মহাসড়ক সংলগ্ন দীর্ঘ অংশে ময়লার ভাগাড়ের দুর্গন্ধ এতটাই তীব্র যে যাত্রীদের শ্বাস নেওয়াও কষ্টকর হয়ে পড়ে। ময়লার স্তূপের পাশে থাকা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীরাও তীব্র গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘ বছর ধরে এখানে নিয়মিত ময়লা ফেলা হলেও তা ডাম্পিংয়ে কিংবা অপসারণে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেই। ফলে ময়লার স্তূপ দিন দিন বড় হয়ে আশপাশের এলাকার পরিবেশকে করে তুলছে বিষাক্ত। এলাকাবাসীর ভাষ্য, এসব ময়লা থেকে ছড়াচ্ছে জীবাণু ও দূষণ, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। শিশু ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।
পৌরসদরের নাটাপাড়া গ্রামের রাকিবুল হাসান জানান, ময়লার বিকট দুর্গন্ধে আমাদের বসবাস করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। ময়লার স্ত‚প সংলগ্ন আশেপাশের বিভিন্ন গ্রামের শিশুরা নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। অতীতেও নানানভাবে আন্দোলন হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ স্থান থেকে ময়লার স্তূপ সরায়নি। আমরা দ্রæততর সময়ে এই ময়লার ভাগাড় স্থানান্তর চাই।
চৌদ্দগ্রাম সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ইন্সট্রাক্টর (রসায়ন) মো. ফাইজুল কবির মজুমদার জানান, প্রতিষ্ঠানের পাশেই ময়লার ভাগাড় থাকায় খুবই দুর্গন্ধ চড়াচ্ছে, মশা-মাছির উপদ্রব বেড়ে শিক্ষার্থীরা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে। প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা প্রায় সময় বিভিন্ন ধরনের অসুস্থতায় ভোগে যেমন-মাথাব্যথা, বমি, ডায়ারিয়া ও জ্বর ইত্যাদি। এতে পড়াশোনার পরিবেশও নষ্ট হচ্ছে। দ্রুত এই ময়লা অপসারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুরুল আমিন জানান, মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম বাজার সংলগ্ন ময়লার ভাগাড় অন্যত্র সড়ানোর বিষয়ে ইতোপূূর্বেও আমরা পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। কিন্তু স্থানীয়দের বাধাতেই ওই স্থানে ডাম্পিং করা যায়নি। ময়লার ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের মাধ্যমে আমরা দ্রুততর সময়ের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ এই স্থান থেকে ময়লার স্তূপ সরিয়ে নেয়া হবে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যাতায়াতকারী যাত্রী এবং চালকদের যাত্রাপথে এক টুকরো প্রশান্তি যেন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা। সড়কের দুই অংশের বিভাজকে দৃষ্টিনন্দন ফুলের সৌরভ, বিভিন্ন শাকসবজির চাষ সড়কের সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে তুলেছে দ্বিগুণ করে। মহাসড়কে যাতায়াতকারী যাত্রীদের অন্তত ৯০ শতাংশ মানুষ চৌদ্দগ্রামের বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় ও খাবার হোটেলে খাবার গ্রহণ করেন।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম বাজার সংলগ্ন অংশে ময়লার ভাগাড় উপজেলার সেই সুনামকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে। বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে পৌর সদরের এই অংশে মহাসড়কের পাশেই গড়ে উঠেছে বিশাল ময়লার ভাগাড়। দিন দিন বাড়তে থাকা এই ময়লার স্তূপ থেকে ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ, দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। ময়লার তীব্র গন্ধে মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রীরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। পৌর এলাকার নাটাপাড়া, নোয়াপুর এবং ব্র্যাক অফিস সংলগ্ন মহাসড়ক অংশে পরিবহনের যাত্রীরা বাধ্য হয়ে নাক-মুখ চেপে ধরেন। মহাসড়ক সংলগ্ন দীর্ঘ অংশে ময়লার ভাগাড়ের দুর্গন্ধ এতটাই তীব্র যে যাত্রীদের শ্বাস নেওয়াও কষ্টকর হয়ে পড়ে। ময়লার স্তূপের পাশে থাকা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীরাও তীব্র গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘ বছর ধরে এখানে নিয়মিত ময়লা ফেলা হলেও তা ডাম্পিংয়ে কিংবা অপসারণে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেই। ফলে ময়লার স্তূপ দিন দিন বড় হয়ে আশপাশের এলাকার পরিবেশকে করে তুলছে বিষাক্ত। এলাকাবাসীর ভাষ্য, এসব ময়লা থেকে ছড়াচ্ছে জীবাণু ও দূষণ, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। শিশু ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।
পৌরসদরের নাটাপাড়া গ্রামের রাকিবুল হাসান জানান, ময়লার বিকট দুর্গন্ধে আমাদের বসবাস করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। ময়লার স্ত‚প সংলগ্ন আশেপাশের বিভিন্ন গ্রামের শিশুরা নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। অতীতেও নানানভাবে আন্দোলন হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ স্থান থেকে ময়লার স্তূপ সরায়নি। আমরা দ্রæততর সময়ে এই ময়লার ভাগাড় স্থানান্তর চাই।
চৌদ্দগ্রাম সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ইন্সট্রাক্টর (রসায়ন) মো. ফাইজুল কবির মজুমদার জানান, প্রতিষ্ঠানের পাশেই ময়লার ভাগাড় থাকায় খুবই দুর্গন্ধ চড়াচ্ছে, মশা-মাছির উপদ্রব বেড়ে শিক্ষার্থীরা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে। প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা প্রায় সময় বিভিন্ন ধরনের অসুস্থতায় ভোগে যেমন-মাথাব্যথা, বমি, ডায়ারিয়া ও জ্বর ইত্যাদি। এতে পড়াশোনার পরিবেশও নষ্ট হচ্ছে। দ্রুত এই ময়লা অপসারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুরুল আমিন জানান, মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম বাজার সংলগ্ন ময়লার ভাগাড় অন্যত্র সড়ানোর বিষয়ে ইতোপূূর্বেও আমরা পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। কিন্তু স্থানীয়দের বাধাতেই ওই স্থানে ডাম্পিং করা যায়নি। ময়লার ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের মাধ্যমে আমরা দ্রুততর সময়ের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ এই স্থান থেকে ময়লার স্তূপ সরিয়ে নেয়া হবে।