নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর রেলস্টেশনে চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়েছে। এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট রেলপথের আপ লাইনে ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন হয়েছে। তবে লুপ লাইন ব্যবহার করে বিকল্প উপায়ে অন্যান্য ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে রাজাপুর রেলস্টেশনে পৌঁছানোর পর ট্রেনটির ইঞ্জিনে হঠাৎ যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। রাজাপুর স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান মোল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।
তিনি বলেন, সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস রাজাপুর স্টেশনে পৌঁছানোর পর ইঞ্জিনে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। ফলে ট্রেনটি আপ লাইনের ওপর আটকে যায়। ইঞ্জিন বিকলের খবর পাওয়ার পর রেলওয়ের কারিগরি বিভাগকে বিষয়টি জানানো হয়। পরে বিকল ইঞ্জিনটি দ্রুত মেরামত অথবা বিকল্প ইঞ্জিন সংযুক্ত করে ট্রেনটিকে গন্তব্যে পাঠানো হয়।
এদিকে কুমিল্লা জিআরপি ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাব হোসেন বলেন, রাজাপুর স্টেশনে প্রবেশের পরই ট্রেনের ইঞ্জিনে ত্রুটি দেখা দেয়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
ইঞ্জিন বিকলের ঘটনায় মাঝপথে আটকে পড়ে ট্রেনের যাত্রীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা ও ভোগান্তি দেখা দেয়।

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর রেলস্টেশনে চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়েছে। এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট রেলপথের আপ লাইনে ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন হয়েছে। তবে লুপ লাইন ব্যবহার করে বিকল্প উপায়ে অন্যান্য ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে রাজাপুর রেলস্টেশনে পৌঁছানোর পর ট্রেনটির ইঞ্জিনে হঠাৎ যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। রাজাপুর স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান মোল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।
তিনি বলেন, সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস রাজাপুর স্টেশনে পৌঁছানোর পর ইঞ্জিনে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। ফলে ট্রেনটি আপ লাইনের ওপর আটকে যায়। ইঞ্জিন বিকলের খবর পাওয়ার পর রেলওয়ের কারিগরি বিভাগকে বিষয়টি জানানো হয়। পরে বিকল ইঞ্জিনটি দ্রুত মেরামত অথবা বিকল্প ইঞ্জিন সংযুক্ত করে ট্রেনটিকে গন্তব্যে পাঠানো হয়।
এদিকে কুমিল্লা জিআরপি ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাব হোসেন বলেন, রাজাপুর স্টেশনে প্রবেশের পরই ট্রেনের ইঞ্জিনে ত্রুটি দেখা দেয়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
ইঞ্জিন বিকলের ঘটনায় মাঝপথে আটকে পড়ে ট্রেনের যাত্রীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা ও ভোগান্তি দেখা দেয়।