বুড়িচং প্রতিনিধি

বুড়িচং উপজেলায় তিন ফসলি জমির মাটি অবাধে কেটে নিচ্ছে মাটিখেকোরা। রাতভর এই মাটি কেটে নিয়ে যাওয়ায় একদিকে নির্ঘুম রাত, অন্যদিকে বায়ু ও শব্দ দূষণে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। এ চিত্র এখন পুরো বুড়িচং উপজেলার বাকশীমূল ইউনিয়নের সীমান্ত, রাজাপুর ইউনিয়ন, ষোলনল ইউনিয়ন, পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন, ভারেল্লা উত্তর ও দক্ষিণ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায়। সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা ষোলনল ইউনিয়ন, পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন, ময়নামতি, ভারেল্লা উত্তর ও দক্ষিণ ইউনিয়নের। গোমতী নদীর চর ও আশপাশের এলাকা থেকে রাধের আঁধারে চলছে অবাধে ট্রাক্টর দিয়ে মাটি কাটার ব্যবসা। পাশাপাশি ভারী ডাম্পট্রাক ও ট্রাক্টরে গ্রামীণ জনপদের সড়কগুলোও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
নাকের ডগায় মাটি পরিবহন হলেও পুলিশ নীরব, উপজেলা প্রশাসনও কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। সরকারিভাবে জমির টপ সয়েল বা ওপরের মাটি কাটা, বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নবনিযুক্ত কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনও মাটি কাটা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সোচ্চার। তিনিও সম্প্রতি আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর বাংলাদেশ রেখে যেতে মাটিকাটা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
সরেজমিন বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের হরিণধরা, বাজেবাহেরচর, বাগিলারা, মইনপুর, হরিনধরা, কাঠালিয়া, সিন্ধুরিয়াপাড়া ঘুরে দেখা যায়, প্রতিরাতেই এই গ্রামীণ জনপদে তিন ফসলি জমি থেকে অবাধে মাটিখেকোরা মাটি কেটে ডাম্পট্রাকে করে বিভিন্ন ইটভাটায় পাচার করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যে সিন্ডিকেট মাটি কাটতো, এখন সেই সিন্ডিকেটই বিএনপির সঙ্গে মিলে মাটি কাটছে। রাত বাড়ার সাথে সাথেই বেপরোয়া হয়ে ওঠে মাটিবোঝাই ডাম্পট্রাকগুলো। ইফতার ও তারাবির নামাজ শেষে মানুষ একটু বিশ্রাম নিতে পারছে না ট্রাকের শব্দে।
অপরদিকে রয়েছে বুড়িচং উপজেলার গোমতী নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধটি আগামী বর্ষা মৌসুমে চরম ঝুঁকি। ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যার ক্ষতের দাগ এখনও এলাকাবাসীর বুক থেকে মুছে যায়নি। অবাধে ট্রাক্টর দিয়ে মাটি কেটে আসা যাওয়ার ফলে প্রতিরক্ষা বাঁধটি আবার হুমকির মুখে প্রতিত হচ্ছে। গোমতী নদীর উভয় তীরের প্রতিরক্ষা বাঁধে প্রায় ৬০ কিমি এলাকা ঝুঁকির মুখে। ষোলনল ইউনিয়ন, পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন, মালাপাড়া ইউনিয়ন, ভারেল্লা উত্তর ও দক্ষিণ এবং ময়নামতি ইউনিয়নের গোমতী নদীর চরের চলছে অবৈধ, অসাধু মাটি ব্যবসায়ীদের রমরমা ব্যবসা।
ময়নামতি এলাকার দেবপুরে একটি পুলিশ ফাঁড়ি থাকলেও তারা নীরব। মাটিবাহী ডাম্পট্রাকগুলো রাতভর কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের ওপর দিয়ে বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার সময় প্রতিনিয়ত তাদের ভ্রাম্যমাণ টহল দলের মুখোমুখি হলেও কোনো প্রকার বাধাছাড়াই তারা মাটি পরিবহন করে যাচ্ছে।
জানতে চাইলে দেবপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ সুরজিৎ বড়ুয়া জানান, প্রশাসন আমাদের কোনো সহযোগিতা চাইলে আমরা সেটা করব।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান জানান, প্রশাসন যখনই এদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযান চালাবে, আমরা তাদের সহযোগিতা করব। বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর হোসেন বলেন, আমরা অভিযান পরিচালনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

বুড়িচং উপজেলায় তিন ফসলি জমির মাটি অবাধে কেটে নিচ্ছে মাটিখেকোরা। রাতভর এই মাটি কেটে নিয়ে যাওয়ায় একদিকে নির্ঘুম রাত, অন্যদিকে বায়ু ও শব্দ দূষণে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। এ চিত্র এখন পুরো বুড়িচং উপজেলার বাকশীমূল ইউনিয়নের সীমান্ত, রাজাপুর ইউনিয়ন, ষোলনল ইউনিয়ন, পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন, ভারেল্লা উত্তর ও দক্ষিণ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায়। সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা ষোলনল ইউনিয়ন, পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন, ময়নামতি, ভারেল্লা উত্তর ও দক্ষিণ ইউনিয়নের। গোমতী নদীর চর ও আশপাশের এলাকা থেকে রাধের আঁধারে চলছে অবাধে ট্রাক্টর দিয়ে মাটি কাটার ব্যবসা। পাশাপাশি ভারী ডাম্পট্রাক ও ট্রাক্টরে গ্রামীণ জনপদের সড়কগুলোও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
নাকের ডগায় মাটি পরিবহন হলেও পুলিশ নীরব, উপজেলা প্রশাসনও কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। সরকারিভাবে জমির টপ সয়েল বা ওপরের মাটি কাটা, বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নবনিযুক্ত কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনও মাটি কাটা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সোচ্চার। তিনিও সম্প্রতি আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর বাংলাদেশ রেখে যেতে মাটিকাটা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
সরেজমিন বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের হরিণধরা, বাজেবাহেরচর, বাগিলারা, মইনপুর, হরিনধরা, কাঠালিয়া, সিন্ধুরিয়াপাড়া ঘুরে দেখা যায়, প্রতিরাতেই এই গ্রামীণ জনপদে তিন ফসলি জমি থেকে অবাধে মাটিখেকোরা মাটি কেটে ডাম্পট্রাকে করে বিভিন্ন ইটভাটায় পাচার করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যে সিন্ডিকেট মাটি কাটতো, এখন সেই সিন্ডিকেটই বিএনপির সঙ্গে মিলে মাটি কাটছে। রাত বাড়ার সাথে সাথেই বেপরোয়া হয়ে ওঠে মাটিবোঝাই ডাম্পট্রাকগুলো। ইফতার ও তারাবির নামাজ শেষে মানুষ একটু বিশ্রাম নিতে পারছে না ট্রাকের শব্দে।
অপরদিকে রয়েছে বুড়িচং উপজেলার গোমতী নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধটি আগামী বর্ষা মৌসুমে চরম ঝুঁকি। ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যার ক্ষতের দাগ এখনও এলাকাবাসীর বুক থেকে মুছে যায়নি। অবাধে ট্রাক্টর দিয়ে মাটি কেটে আসা যাওয়ার ফলে প্রতিরক্ষা বাঁধটি আবার হুমকির মুখে প্রতিত হচ্ছে। গোমতী নদীর উভয় তীরের প্রতিরক্ষা বাঁধে প্রায় ৬০ কিমি এলাকা ঝুঁকির মুখে। ষোলনল ইউনিয়ন, পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন, মালাপাড়া ইউনিয়ন, ভারেল্লা উত্তর ও দক্ষিণ এবং ময়নামতি ইউনিয়নের গোমতী নদীর চরের চলছে অবৈধ, অসাধু মাটি ব্যবসায়ীদের রমরমা ব্যবসা।
ময়নামতি এলাকার দেবপুরে একটি পুলিশ ফাঁড়ি থাকলেও তারা নীরব। মাটিবাহী ডাম্পট্রাকগুলো রাতভর কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের ওপর দিয়ে বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার সময় প্রতিনিয়ত তাদের ভ্রাম্যমাণ টহল দলের মুখোমুখি হলেও কোনো প্রকার বাধাছাড়াই তারা মাটি পরিবহন করে যাচ্ছে।
জানতে চাইলে দেবপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ সুরজিৎ বড়ুয়া জানান, প্রশাসন আমাদের কোনো সহযোগিতা চাইলে আমরা সেটা করব।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান জানান, প্রশাসন যখনই এদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযান চালাবে, আমরা তাদের সহযোগিতা করব। বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর হোসেন বলেন, আমরা অভিযান পরিচালনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।