বুড়িচং প্রতিনিধি

দাঁড়িয়ে ছিল স্মৃতির সাক্ষী হয়ে। শত বছরেরও বেশি সময় ধরে অসংখ্য শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না আর শৈশবের স্মৃতিকে বুকে ধারণ করে রেখেছিল পীরযাত্রাপুর উচ্চবিদ্যালয়ের সেই প্রিয় জামগাছটি। কিন্তু রোববার রাতে মৃদু বাতাসেই মূলসহ উপড়ে পড়ে যায় বিদ্যালয়ের ঐতিহ্যের প্রতীক হয়ে ওঠা শতবর্ষী গাছটি।
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পীরযাত্রাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠের মাঝখানে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা এই জামগাছটি ছিল শুধু একটি বৃক্ষ নয়, এটি ছিল কয়েক প্রজন্মের আবেগ, ভালোবাসা ও স্মৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। গ্রীষ্মের মৌসুমে এর টক-মিষ্টি সুস্বাদু জাম খেয়ে বড় হয়েছে আশপাশের ১২ থেকে ১৪ গ্রামের অসংখ্য মানুষ। বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের কাছে গাছটি ছিল শৈশবের এক জীবন্ত স্মারক।
প্রায় ৬৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে এ বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে দেশ-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন হাজার হাজার শিক্ষার্থী। তাদের অনেকেরই স্কুলজীবনের অসংখ্য স্মৃতি জড়িয়ে আছে এই জামগাছকে কেন্দ্র করে। টিফিনের সময় বন্ধুদের সঙ্গে গল্প, জাম কুড়িয়ে খাওয়া কিংবা গাছটির ছায়ায় বসে কাটানো মুহূর্তগুলো আজও তাদের হৃদয়ে অমলিন।
গাছটি উপড়ে পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় নেমে আসে এক ধরনের শোকের আবহ। আজ সোমবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ভিড় করেন তাদের প্রিয় গাছটিকে শেষবারের মতো একনজর দেখতে। বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গাছটির পাশে দাঁড়িয়ে স্মৃতিচারণ করেন আবেগঘন কণ্ঠে।

অনেকের চোখে ছিল অশ্রু, মুখে ছিল দীর্ঘশ্বাস। যেন হারিয়ে গেছে তাদের জীবনের একটি অধ্যায়, বিদ্যালয়ের ইতিহাসের একটি জীবন্ত অংশ। শতবর্ষী জামগাছটির পতনে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর হৃদয়ে সৃষ্টি হয়েছে গভীর শূন্যতা। বিদ্যালয়ের মাঠে পড়ে থাকা গাছটির দিকে তাকিয়ে অনেকেই বলছিলেন, গাছটি শুধু একটি গাছ ছিল না, এটি ছিল আমাদের শৈশব, আমাদের স্মৃতি, আমাদের আবেগের প্রতীক।
পীরযাত্রাপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ আজহারুল ইসলাম ভ‚ঁইয়া বলেন, জামগাছটি প্রাইমারি ও হাইস্কুলের মাঠের মাঝখানে ছিল। এটি বিদ্যালয় ও মাঠের সৌন্দর্য বর্ধক ছিল। আমরাও ছোট বেলায় মাঠে ঘোরাফেরা করতাম। সিজনে জাম খেতাম এবং এর ছায়ায় বসে সময় কাটাতাম। গাছটি ভেঙে পড়ায় শিক্ষার্থীসহ এলাকার সব শ্রেণিপেশার লোকজন মর্মাহত হয়েছে।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. মাহবুবুর রহমান মাসুম বলেন, জামগাছটি যেমন স্কুলের সম্পদ ছিল তেমনি এই জনপদের একটি ইতিহাস ঐতিহ্য ছিল শত বর্ষের। বহু চড়াই উৎরাই পেরিয়ে বড় বড় ঝড় তুফান এবং অনেক বন্যার মুখোমুখি হয়েছে জামগাছটি। কিন্তু কখনো জামগাছের ক্ষতি হয়নি। গত রোববার সন্ধ্যার মৃদুমন্দ বাতাসে গাছটি হাঠাৎ মাঠে শায়িত হওয়ায় এলাকাবাসীসহ আমাকে বিষন্নতায় ফেলেছে। আমি এ বিষয়ে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. জসীম উদ্দিনকে অবহিত করেছি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।

দাঁড়িয়ে ছিল স্মৃতির সাক্ষী হয়ে। শত বছরেরও বেশি সময় ধরে অসংখ্য শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না আর শৈশবের স্মৃতিকে বুকে ধারণ করে রেখেছিল পীরযাত্রাপুর উচ্চবিদ্যালয়ের সেই প্রিয় জামগাছটি। কিন্তু রোববার রাতে মৃদু বাতাসেই মূলসহ উপড়ে পড়ে যায় বিদ্যালয়ের ঐতিহ্যের প্রতীক হয়ে ওঠা শতবর্ষী গাছটি।
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পীরযাত্রাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠের মাঝখানে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা এই জামগাছটি ছিল শুধু একটি বৃক্ষ নয়, এটি ছিল কয়েক প্রজন্মের আবেগ, ভালোবাসা ও স্মৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। গ্রীষ্মের মৌসুমে এর টক-মিষ্টি সুস্বাদু জাম খেয়ে বড় হয়েছে আশপাশের ১২ থেকে ১৪ গ্রামের অসংখ্য মানুষ। বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের কাছে গাছটি ছিল শৈশবের এক জীবন্ত স্মারক।
প্রায় ৬৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে এ বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে দেশ-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন হাজার হাজার শিক্ষার্থী। তাদের অনেকেরই স্কুলজীবনের অসংখ্য স্মৃতি জড়িয়ে আছে এই জামগাছকে কেন্দ্র করে। টিফিনের সময় বন্ধুদের সঙ্গে গল্প, জাম কুড়িয়ে খাওয়া কিংবা গাছটির ছায়ায় বসে কাটানো মুহূর্তগুলো আজও তাদের হৃদয়ে অমলিন।
গাছটি উপড়ে পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় নেমে আসে এক ধরনের শোকের আবহ। আজ সোমবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ভিড় করেন তাদের প্রিয় গাছটিকে শেষবারের মতো একনজর দেখতে। বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গাছটির পাশে দাঁড়িয়ে স্মৃতিচারণ করেন আবেগঘন কণ্ঠে।

অনেকের চোখে ছিল অশ্রু, মুখে ছিল দীর্ঘশ্বাস। যেন হারিয়ে গেছে তাদের জীবনের একটি অধ্যায়, বিদ্যালয়ের ইতিহাসের একটি জীবন্ত অংশ। শতবর্ষী জামগাছটির পতনে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর হৃদয়ে সৃষ্টি হয়েছে গভীর শূন্যতা। বিদ্যালয়ের মাঠে পড়ে থাকা গাছটির দিকে তাকিয়ে অনেকেই বলছিলেন, গাছটি শুধু একটি গাছ ছিল না, এটি ছিল আমাদের শৈশব, আমাদের স্মৃতি, আমাদের আবেগের প্রতীক।
পীরযাত্রাপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ আজহারুল ইসলাম ভ‚ঁইয়া বলেন, জামগাছটি প্রাইমারি ও হাইস্কুলের মাঠের মাঝখানে ছিল। এটি বিদ্যালয় ও মাঠের সৌন্দর্য বর্ধক ছিল। আমরাও ছোট বেলায় মাঠে ঘোরাফেরা করতাম। সিজনে জাম খেতাম এবং এর ছায়ায় বসে সময় কাটাতাম। গাছটি ভেঙে পড়ায় শিক্ষার্থীসহ এলাকার সব শ্রেণিপেশার লোকজন মর্মাহত হয়েছে।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. মাহবুবুর রহমান মাসুম বলেন, জামগাছটি যেমন স্কুলের সম্পদ ছিল তেমনি এই জনপদের একটি ইতিহাস ঐতিহ্য ছিল শত বর্ষের। বহু চড়াই উৎরাই পেরিয়ে বড় বড় ঝড় তুফান এবং অনেক বন্যার মুখোমুখি হয়েছে জামগাছটি। কিন্তু কখনো জামগাছের ক্ষতি হয়নি। গত রোববার সন্ধ্যার মৃদুমন্দ বাতাসে গাছটি হাঠাৎ মাঠে শায়িত হওয়ায় এলাকাবাসীসহ আমাকে বিষন্নতায় ফেলেছে। আমি এ বিষয়ে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. জসীম উদ্দিনকে অবহিত করেছি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।