দেবীদ্বার প্রতিনিধি

দেবীদ্বারে এসএসসি পরীক্ষার খাতা মার্কিং করছেন দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী, ওই সংক্রান্তে কয়েকটি ভিডিও ক্লিপ আজ মঙ্গলবার দিনভর ভাইরাল হলে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
জানা যায়, ওই বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ও খাতা মূল্যায়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক বাচ্চু মিয়ার তত্ত্বাবধানে এসএসসি পরীক্ষার বিজ্ঞান বিষয়ের খাতা মূল্যায়নের সময় দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানকে দিয়ে খাতা মার্কিং করানো হয়েছে।
মঙ্গলবার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর এলাকায় ব্যপক তোলপাড় শুরু হলে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে তিনটায় সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয় ছুটি হয়ে গেছে। বিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষার্থী এমনকি শিক্ষককেও পাওয়া যায়নি।
তবে স্থানীয় একাধিক ব্যাক্তির সাথে দেখা হলেও তারা কেউ মুখ খুলতে রাজি হননি। আল আমিন নামে এক যুবক জানান, প্রায় এক সপ্তাহ পূর্বে মেহেদী হাসান কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড পরীক্ষার খাতা মার্কিং করছিলেন। এ সময় তার এক বন্ধুকে ভিডিওতে খাতা মার্কিংয়ের বিষয়ে নানা কথা বলতে শোনা যায়।
'বাচ্চু স্যারে তোকে দিয়ে বোর্ড খাতা মার্কিং করে, ভালো করে দেখ। মেহেদী জবাবে বলেন, এটা একটি ছেলের লাইফ। আমি যে নম্বর দেই তা বাচ্চু স্যারে দিতো না হলে।'
তিনি আরো জানান, ভিডিওগুলো এক সপ্তাহ আগে ধারণকৃত হলেও বিদ্যালয়ের জমিসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ ও মামলা চলে আসছে। ওই বিবাদমান এক পক্ষের লোকজন ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।
ওই ঘটনায় স্থানীয় শরিফুল ইসলাম ও আলী আহাম্মদ নামে দুই ব্যক্তির স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগপত্র উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. বাচ্চু মিয়ার মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে স্থানীয় রোকনুজ্জামান খান জানান, বোর্ড পরীক্ষার খাতার মতো এমন স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ কাজে কোনো শিক্ষার্থীকে সম্পৃক্ত করা মোটেও উচিত নয়। তারা বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে এই অভিযোগের অনুলিপি শিক্ষা মন্ত্রণালয়, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড ও জেলা শিক্ষা অফিস, দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাবসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেওয়ান মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর জানান, ওই ঘটনায় স্থানীয়দের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা হয়েছে। বিষয়টি শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষও তদন্ত করবেন। আমি আমার মতো তদন্ত করব, তদন্তের পূর্বে মন্তব্য্য করতে চাইনা।
এ ব্যাপারে দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা জানান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বরাবরে স্থানীয়রা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করেছেন। আমাকেও অনুলিপি দিয়েছে। মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলেছি।

দেবীদ্বারে এসএসসি পরীক্ষার খাতা মার্কিং করছেন দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী, ওই সংক্রান্তে কয়েকটি ভিডিও ক্লিপ আজ মঙ্গলবার দিনভর ভাইরাল হলে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
জানা যায়, ওই বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ও খাতা মূল্যায়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক বাচ্চু মিয়ার তত্ত্বাবধানে এসএসসি পরীক্ষার বিজ্ঞান বিষয়ের খাতা মূল্যায়নের সময় দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানকে দিয়ে খাতা মার্কিং করানো হয়েছে।
মঙ্গলবার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর এলাকায় ব্যপক তোলপাড় শুরু হলে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে তিনটায় সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয় ছুটি হয়ে গেছে। বিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষার্থী এমনকি শিক্ষককেও পাওয়া যায়নি।
তবে স্থানীয় একাধিক ব্যাক্তির সাথে দেখা হলেও তারা কেউ মুখ খুলতে রাজি হননি। আল আমিন নামে এক যুবক জানান, প্রায় এক সপ্তাহ পূর্বে মেহেদী হাসান কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড পরীক্ষার খাতা মার্কিং করছিলেন। এ সময় তার এক বন্ধুকে ভিডিওতে খাতা মার্কিংয়ের বিষয়ে নানা কথা বলতে শোনা যায়।
'বাচ্চু স্যারে তোকে দিয়ে বোর্ড খাতা মার্কিং করে, ভালো করে দেখ। মেহেদী জবাবে বলেন, এটা একটি ছেলের লাইফ। আমি যে নম্বর দেই তা বাচ্চু স্যারে দিতো না হলে।'
তিনি আরো জানান, ভিডিওগুলো এক সপ্তাহ আগে ধারণকৃত হলেও বিদ্যালয়ের জমিসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ ও মামলা চলে আসছে। ওই বিবাদমান এক পক্ষের লোকজন ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।
ওই ঘটনায় স্থানীয় শরিফুল ইসলাম ও আলী আহাম্মদ নামে দুই ব্যক্তির স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগপত্র উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. বাচ্চু মিয়ার মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে স্থানীয় রোকনুজ্জামান খান জানান, বোর্ড পরীক্ষার খাতার মতো এমন স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ কাজে কোনো শিক্ষার্থীকে সম্পৃক্ত করা মোটেও উচিত নয়। তারা বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে এই অভিযোগের অনুলিপি শিক্ষা মন্ত্রণালয়, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড ও জেলা শিক্ষা অফিস, দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাবসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেওয়ান মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর জানান, ওই ঘটনায় স্থানীয়দের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা হয়েছে। বিষয়টি শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষও তদন্ত করবেন। আমি আমার মতো তদন্ত করব, তদন্তের পূর্বে মন্তব্য্য করতে চাইনা।
এ ব্যাপারে দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা জানান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বরাবরে স্থানীয়রা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করেছেন। আমাকেও অনুলিপি দিয়েছে। মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলেছি।