বুড়িচং প্রতিনিধি

বুড়িচং উপজেলার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ অফিসে ২০১৮ সালে ১৬ অক্টোবর বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ময়নামতি এলাকার বিএনপির ৭ নেতাকর্মী বেকসুর খালাস পেয়েছেন। আজ সোমবার কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ ৫ম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সুলতান আহম্মদ এ রায় প্রদান করেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, জেলার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের রাণীর বাংলো সড়কে অবস্থিত নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ অফিসে ২০১৮ সালে ১৬ অক্টোবর বোমা বিস্ফোরণ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়ভাবে খবর পেয়ে বুড়িচং থানার দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল ১৭ অক্টোবর ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পায়। এরপর পুলিশ বাদী হয়ে একটি বিস্ফোরণ আইনে মামলা দায়ের করে। পরবর্তীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ময়নামতি ইউনিয়নের সমেশপুর গ্রামের ইউনিয়ন বিএনপি নেতা রুহুল আমিন ও উপজেলা যুবদলের সদস্য গাজী শাহ আলমকে গ্রেপ্তার করে। একই মামলায় পুলিশ সন্দেহভাজন ময়নামতির নামতলা গ্রামের ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক সালাহ উদ্দিন, ফরিজপুর গ্রামের বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন, শাহ দৌলতপুর গ্রামের ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি শাহ জাহান, মোকাম ইউনিয়নের আবিদপুর গ্রামের বিএনপি নেতা আব্দুর রশিদকে গ্রেপ্তার করে। তাঁরা বিভিন্ন সময় কারাগারে আটক থেকে এক পর্যায়ে জামিন পেলে ও দীর্ঘ সময় ধরে আদালতে হাজিরা অব্যাহত রাখে। দুইপক্ষের আইনজীবীদের দীর্ঘ যুক্তি তর্ক শেষে সোমবার তাঁদের বেকসুর খালাস প্রদান করে আদালত।

বুড়িচং উপজেলার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ অফিসে ২০১৮ সালে ১৬ অক্টোবর বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ময়নামতি এলাকার বিএনপির ৭ নেতাকর্মী বেকসুর খালাস পেয়েছেন। আজ সোমবার কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ ৫ম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সুলতান আহম্মদ এ রায় প্রদান করেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, জেলার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের রাণীর বাংলো সড়কে অবস্থিত নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ অফিসে ২০১৮ সালে ১৬ অক্টোবর বোমা বিস্ফোরণ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়ভাবে খবর পেয়ে বুড়িচং থানার দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল ১৭ অক্টোবর ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পায়। এরপর পুলিশ বাদী হয়ে একটি বিস্ফোরণ আইনে মামলা দায়ের করে। পরবর্তীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ময়নামতি ইউনিয়নের সমেশপুর গ্রামের ইউনিয়ন বিএনপি নেতা রুহুল আমিন ও উপজেলা যুবদলের সদস্য গাজী শাহ আলমকে গ্রেপ্তার করে। একই মামলায় পুলিশ সন্দেহভাজন ময়নামতির নামতলা গ্রামের ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক সালাহ উদ্দিন, ফরিজপুর গ্রামের বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন, শাহ দৌলতপুর গ্রামের ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি শাহ জাহান, মোকাম ইউনিয়নের আবিদপুর গ্রামের বিএনপি নেতা আব্দুর রশিদকে গ্রেপ্তার করে। তাঁরা বিভিন্ন সময় কারাগারে আটক থেকে এক পর্যায়ে জামিন পেলে ও দীর্ঘ সময় ধরে আদালতে হাজিরা অব্যাহত রাখে। দুইপক্ষের আইনজীবীদের দীর্ঘ যুক্তি তর্ক শেষে সোমবার তাঁদের বেকসুর খালাস প্রদান করে আদালত।