প্রাইভেট কারটি ছিল রং সাইডে
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়ায় বাসচাপায় স্বামী স্ত্রী, দুই সন্তান ও প্রাইভেট কার চালকসহ ৫ জন নিহতের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুড়িচং থানায় মামলাটি দায়ের করেন নিহত ঝর্ণা বেগমের ভাই ফয়সাল আহমেদ। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এদিকে নিহতদের পরিবার ও আহতকে জেলা প্রশাসন থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে ওইদিন প্রাইভেট কারটি রং সাইডে চলছিল বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এতে ৫ জন মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মিয়ামি হোটেলের সামনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। প্রাইভেট কারটি ঢাকামুখী ছিল। চট্টগ্রামমুখী লেনে এসে তারা হোটেলে খাবার খেতে যান বলে স্থানীয়রা জানান।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মমিন জানান, নিহতের স্বজন বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের নামে মামলা দায়ের করেছেন। আমরা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। তিনি আরও জানান, প্রাইভেট কারটি রং সাইডে ছিল বলে জেনেছি। তবে তদন্তের পর বিস্তারিত বলতে পারব।
বুড়িচং উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর আহমেদ বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা ও আহতকে ১৫ হাজার করে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার সহযোগিতা দেয়া হয়েছে। এছাড়া বিআরটিএর ট্রাস্টি বোর্ডের সহযোগিতার জন্য আবেদন করতে তাদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়ায় বাসচাপায় স্বামী স্ত্রী, দুই সন্তান ও প্রাইভেট কার চালকসহ ৫ জন নিহতের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুড়িচং থানায় মামলাটি দায়ের করেন নিহত ঝর্ণা বেগমের ভাই ফয়সাল আহমেদ। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এদিকে নিহতদের পরিবার ও আহতকে জেলা প্রশাসন থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে ওইদিন প্রাইভেট কারটি রং সাইডে চলছিল বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এতে ৫ জন মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মিয়ামি হোটেলের সামনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। প্রাইভেট কারটি ঢাকামুখী ছিল। চট্টগ্রামমুখী লেনে এসে তারা হোটেলে খাবার খেতে যান বলে স্থানীয়রা জানান।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মমিন জানান, নিহতের স্বজন বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের নামে মামলা দায়ের করেছেন। আমরা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। তিনি আরও জানান, প্রাইভেট কারটি রং সাইডে ছিল বলে জেনেছি। তবে তদন্তের পর বিস্তারিত বলতে পারব।
বুড়িচং উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর আহমেদ বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা ও আহতকে ১৫ হাজার করে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার সহযোগিতা দেয়া হয়েছে। এছাড়া বিআরটিএর ট্রাস্টি বোর্ডের সহযোগিতার জন্য আবেদন করতে তাদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।