এনজিওর ঋণে শুরু করা ব্যবসা হারিয়ে নিঃস্ব ব্যবসায়ী
চান্দিনা প্রতিনিধি

কুমিল্লার দাউদকান্দি ও চান্দিনা উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে চারটি স্টেশনারি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের প্রায় ৯ থেকে ১০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে বলে দাবি করেছেন তারা। আগুনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করা এক ব্যবসায়ী।
গতকাল রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ইলিয়টগঞ্জ-মুরাদনগর সড়কের মোড়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনের দক্ষিণ পাশে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তবে আগুনের সূত্রপাতের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে একটি দোকান থেকে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে চান্দিনা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দুটি ইউনিট দ্রæত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এর আগেই দোকানগুলোর অধিকাংশ মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
অগ্নিকাণ্ডে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হুমাইরা স্টোর। দোকানটির মালিক আবুল হাশেম বলেন, এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে দোকান শুরু করছিলাম। দুইটা ফ্রিজসহ প্রায় চার লাখ টাকার মালামাল আছিল। সব পুইড়া শেষ। এখন আমি কিস্তি দিমু কেমনে? পরিবার নিয়া চলার পথ বন্ধ হয়া গেল।
ক্ষতিগ্রস্ত শরীফ স্টোরে একটি ফ্রিজসহ প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। কানাই স্টোরে একটি ফ্রিজ, বিপুল পরিমাণ স্টেশনারি সামগ্রী ও কোমল পানীয়সহ প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও একটি দোকানের প্রায় এক লাখ টাকার স্টেশনারি মালামাল পুড়ে গেছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, আগুনে তাদের দোকান ও পুঁজি হারিয়ে তারা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। বিশেষ করে ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করা ব্যবসায়ীদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।
চান্দিনা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার ইমাম হোসাইন পাটোয়ারী বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তদন্ত সাপেক্ষে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ জানা যাবে।

কুমিল্লার দাউদকান্দি ও চান্দিনা উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে চারটি স্টেশনারি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের প্রায় ৯ থেকে ১০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে বলে দাবি করেছেন তারা। আগুনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করা এক ব্যবসায়ী।
গতকাল রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ইলিয়টগঞ্জ-মুরাদনগর সড়কের মোড়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনের দক্ষিণ পাশে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তবে আগুনের সূত্রপাতের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে একটি দোকান থেকে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে চান্দিনা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দুটি ইউনিট দ্রæত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এর আগেই দোকানগুলোর অধিকাংশ মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
অগ্নিকাণ্ডে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হুমাইরা স্টোর। দোকানটির মালিক আবুল হাশেম বলেন, এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে দোকান শুরু করছিলাম। দুইটা ফ্রিজসহ প্রায় চার লাখ টাকার মালামাল আছিল। সব পুইড়া শেষ। এখন আমি কিস্তি দিমু কেমনে? পরিবার নিয়া চলার পথ বন্ধ হয়া গেল।
ক্ষতিগ্রস্ত শরীফ স্টোরে একটি ফ্রিজসহ প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। কানাই স্টোরে একটি ফ্রিজ, বিপুল পরিমাণ স্টেশনারি সামগ্রী ও কোমল পানীয়সহ প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও একটি দোকানের প্রায় এক লাখ টাকার স্টেশনারি মালামাল পুড়ে গেছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, আগুনে তাদের দোকান ও পুঁজি হারিয়ে তারা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। বিশেষ করে ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করা ব্যবসায়ীদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।
চান্দিনা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার ইমাম হোসাইন পাটোয়ারী বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তদন্ত সাপেক্ষে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ জানা যাবে।