কুমিল্লা-১১(চৌদ্দগ্রাম)
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের নিজ দল থেকে এককভাবে নির্বাচন করে ভোট পেতেন ২৫ হাজারের কিছু বেশি। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের দুইটি নির্বাচনের ভোটের ফলাফলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। বিএনপির সঙ্গে জোট করে নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে একবার বিজয়ী হয়েছেন। আরেকবার প্রতিদ্বন্দ্বিতাময় সম্মানজনক ভোট পেয়েছেন।
চৌদ্দগ্রামের বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার দক্ষিণ এলাকার তিনটি ইউনিয়ন আলকরা, গুণবতী ও জগন্নাথদিঘি ইউনিয়নে জামায়াতের ভোট ও প্রভাব আছে। উপজেলা ও পৌরসভার আর কোন ইউনিয়নে এককভাবে জামায়াতের প্রভাব নেই। বছরের পর বছর বিএনপির নেতাকর্মীরা জোটের কারণে ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে ভোট দিতেন। ফলে ডা. তাহের নির্বাচনে জয়ী হতেন। এবার বিএনপি এককভাবে নির্বাচন করছে। মো. কামরুল হুদার মতো পরিচ্ছন্ন প্রার্থী পেয়েছে। এবার ধানের শীষে ভোট দেব।
জানা গেছে, ১৯৯১ সালে জামায়াতের প্রার্থী ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ভোট পেয়েছিলেন ২৫ হাজার ৪১৮। ১৯৯৬ সালে পেয়েছিলেন ২৫ হাজার ৯৮৪। ২০০১ সালে বিএনপির সঙ্গে চারদলীয় জোট ১ লাখ ৮ হাজার ৪০৭ ভোট। ২০০৮ সালে চারদলীয় জোট থেকে ৭৭ হাজার ৯২৪ ভোট। ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগ রাতে ভোট করায় ডা. তাহের পেয়েছিলেন ১ হাজার ১৩৩ ভোট। ওই নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কামাল উদ্দিন পেয়েছিলেন ২ হাজার ২৬৪ ভোট।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা -১১( চৌদ্দগ্রাম) আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. কামরুল হুদা বলেন, দক্ষিণ চৌদ্দগ্রামের তিনটি ইউনিয়নে জামায়াত নিয়ন্ত্রণ করে। ওরাই সব করে। কিন্তু পুরো উপজেলায় তাঁদের ওই অবস্থান নেই। একক নির্বাচন করে জামায়াত বেশি ভোট পায় না। বিএনপির সহযোগিতায় তারা পাস করে। এবার চৌদ্দগ্রামে ধানের শীষের ব্যালট বিপ্লব হবে। নির্বাচন এলে জামায়াত শিবিরের সব লোক এই আসনে চলে আসে।
জামায়াতের নেতাকর্মীদের ভাষ্য, কামরুল হুদা উপজেলা পর্যায়ের নেতা। এখানে কেন্দ্রীয় ও জেলার প্রভাবশালী নেতারা মন্ত্রী এমপি হতেন। কাজী জাফর আহমেদ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। মুজিবুল হক রেলপথমন্ত্রী ছিলেন। হুইপ ছিলেন। এখন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির তাহের ভাই প্রার্থী। তিনিও জিতবেন। চৌদ্দগ্রামের মানুষ জাতীয় নেতাদের ভোট দেবেন। আঞ্চলিক নেতাকে নয়।

কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের নিজ দল থেকে এককভাবে নির্বাচন করে ভোট পেতেন ২৫ হাজারের কিছু বেশি। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের দুইটি নির্বাচনের ভোটের ফলাফলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। বিএনপির সঙ্গে জোট করে নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে একবার বিজয়ী হয়েছেন। আরেকবার প্রতিদ্বন্দ্বিতাময় সম্মানজনক ভোট পেয়েছেন।
চৌদ্দগ্রামের বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার দক্ষিণ এলাকার তিনটি ইউনিয়ন আলকরা, গুণবতী ও জগন্নাথদিঘি ইউনিয়নে জামায়াতের ভোট ও প্রভাব আছে। উপজেলা ও পৌরসভার আর কোন ইউনিয়নে এককভাবে জামায়াতের প্রভাব নেই। বছরের পর বছর বিএনপির নেতাকর্মীরা জোটের কারণে ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে ভোট দিতেন। ফলে ডা. তাহের নির্বাচনে জয়ী হতেন। এবার বিএনপি এককভাবে নির্বাচন করছে। মো. কামরুল হুদার মতো পরিচ্ছন্ন প্রার্থী পেয়েছে। এবার ধানের শীষে ভোট দেব।
জানা গেছে, ১৯৯১ সালে জামায়াতের প্রার্থী ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ভোট পেয়েছিলেন ২৫ হাজার ৪১৮। ১৯৯৬ সালে পেয়েছিলেন ২৫ হাজার ৯৮৪। ২০০১ সালে বিএনপির সঙ্গে চারদলীয় জোট ১ লাখ ৮ হাজার ৪০৭ ভোট। ২০০৮ সালে চারদলীয় জোট থেকে ৭৭ হাজার ৯২৪ ভোট। ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগ রাতে ভোট করায় ডা. তাহের পেয়েছিলেন ১ হাজার ১৩৩ ভোট। ওই নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কামাল উদ্দিন পেয়েছিলেন ২ হাজার ২৬৪ ভোট।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা -১১( চৌদ্দগ্রাম) আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. কামরুল হুদা বলেন, দক্ষিণ চৌদ্দগ্রামের তিনটি ইউনিয়নে জামায়াত নিয়ন্ত্রণ করে। ওরাই সব করে। কিন্তু পুরো উপজেলায় তাঁদের ওই অবস্থান নেই। একক নির্বাচন করে জামায়াত বেশি ভোট পায় না। বিএনপির সহযোগিতায় তারা পাস করে। এবার চৌদ্দগ্রামে ধানের শীষের ব্যালট বিপ্লব হবে। নির্বাচন এলে জামায়াত শিবিরের সব লোক এই আসনে চলে আসে।
জামায়াতের নেতাকর্মীদের ভাষ্য, কামরুল হুদা উপজেলা পর্যায়ের নেতা। এখানে কেন্দ্রীয় ও জেলার প্রভাবশালী নেতারা মন্ত্রী এমপি হতেন। কাজী জাফর আহমেদ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। মুজিবুল হক রেলপথমন্ত্রী ছিলেন। হুইপ ছিলেন। এখন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির তাহের ভাই প্রার্থী। তিনিও জিতবেন। চৌদ্দগ্রামের মানুষ জাতীয় নেতাদের ভোট দেবেন। আঞ্চলিক নেতাকে নয়।