• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> কুমিল্লা জেলা
> চৌদ্দগ্রাম

কুমিল্লা-১১(চৌদ্দগ্রাম)

জামায়াতের ডা. তাহের একক নির্বাচনে ভোট পেতেন ২৫ হাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১৩: ৪১
logo

জামায়াতের ডা. তাহের একক নির্বাচনে ভোট পেতেন ২৫ হাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১৩: ৪১
Photo

কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের নিজ দল থেকে এককভাবে নির্বাচন করে ভোট পেতেন ২৫ হাজারের কিছু বেশি। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের দুইটি নির্বাচনের ভোটের ফলাফলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। বিএনপির সঙ্গে জোট করে নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে একবার বিজয়ী হয়েছেন। আরেকবার প্রতিদ্বন্দ্বিতাময় সম্মানজনক ভোট পেয়েছেন।

চৌদ্দগ্রামের বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার দক্ষিণ এলাকার তিনটি ইউনিয়ন আলকরা, গুণবতী ও জগন্নাথদিঘি ইউনিয়নে জামায়াতের ভোট ও প্রভাব আছে। উপজেলা ও পৌরসভার আর কোন ইউনিয়নে এককভাবে জামায়াতের প্রভাব নেই। বছরের পর বছর বিএনপির নেতাকর্মীরা জোটের কারণে ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে ভোট দিতেন। ফলে ডা. তাহের নির্বাচনে জয়ী হতেন। এবার বিএনপি এককভাবে নির্বাচন করছে। মো. কামরুল হুদার মতো পরিচ্ছন্ন প্রার্থী পেয়েছে। এবার ধানের শীষে ভোট দেব।

জানা গেছে, ১৯৯১ সালে জামায়াতের প্রার্থী ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ভোট পেয়েছিলেন ২৫ হাজার ৪১৮। ১৯৯৬ সালে পেয়েছিলেন ২৫ হাজার ৯৮৪। ২০০১ সালে বিএনপির সঙ্গে চারদলীয় জোট ১ লাখ ৮ হাজার ৪০৭ ভোট। ২০০৮ সালে চারদলীয় জোট থেকে ৭৭ হাজার ৯২৪ ভোট। ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগ রাতে ভোট করায় ডা. তাহের পেয়েছিলেন ১ হাজার ১৩৩ ভোট। ওই নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কামাল উদ্দিন পেয়েছিলেন ২ হাজার ২৬৪ ভোট।

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা -১১( চৌদ্দগ্রাম) আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. কামরুল হুদা বলেন, দক্ষিণ চৌদ্দগ্রামের তিনটি ইউনিয়নে জামায়াত নিয়ন্ত্রণ করে। ওরাই সব করে। কিন্তু পুরো উপজেলায় তাঁদের ওই অবস্থান নেই। একক নির্বাচন করে জামায়াত বেশি ভোট পায় না। বিএনপির সহযোগিতায় তারা পাস করে। এবার চৌদ্দগ্রামে ধানের শীষের ব্যালট বিপ্লব হবে। নির্বাচন এলে জামায়াত শিবিরের সব লোক এই আসনে চলে আসে।

জামায়াতের নেতাকর্মীদের ভাষ্য, কামরুল হুদা উপজেলা পর্যায়ের নেতা। এখানে কেন্দ্রীয় ও জেলার প্রভাবশালী নেতারা মন্ত্রী এমপি হতেন। কাজী জাফর আহমেদ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। মুজিবুল হক রেলপথমন্ত্রী ছিলেন। হুইপ ছিলেন। এখন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির তাহের ভাই প্রার্থী। তিনিও জিতবেন। চৌদ্দগ্রামের মানুষ জাতীয় নেতাদের ভোট দেবেন। আঞ্চলিক নেতাকে নয়।

Thumbnail image

কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের নিজ দল থেকে এককভাবে নির্বাচন করে ভোট পেতেন ২৫ হাজারের কিছু বেশি। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের দুইটি নির্বাচনের ভোটের ফলাফলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। বিএনপির সঙ্গে জোট করে নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে একবার বিজয়ী হয়েছেন। আরেকবার প্রতিদ্বন্দ্বিতাময় সম্মানজনক ভোট পেয়েছেন।

চৌদ্দগ্রামের বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার দক্ষিণ এলাকার তিনটি ইউনিয়ন আলকরা, গুণবতী ও জগন্নাথদিঘি ইউনিয়নে জামায়াতের ভোট ও প্রভাব আছে। উপজেলা ও পৌরসভার আর কোন ইউনিয়নে এককভাবে জামায়াতের প্রভাব নেই। বছরের পর বছর বিএনপির নেতাকর্মীরা জোটের কারণে ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে ভোট দিতেন। ফলে ডা. তাহের নির্বাচনে জয়ী হতেন। এবার বিএনপি এককভাবে নির্বাচন করছে। মো. কামরুল হুদার মতো পরিচ্ছন্ন প্রার্থী পেয়েছে। এবার ধানের শীষে ভোট দেব।

জানা গেছে, ১৯৯১ সালে জামায়াতের প্রার্থী ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ভোট পেয়েছিলেন ২৫ হাজার ৪১৮। ১৯৯৬ সালে পেয়েছিলেন ২৫ হাজার ৯৮৪। ২০০১ সালে বিএনপির সঙ্গে চারদলীয় জোট ১ লাখ ৮ হাজার ৪০৭ ভোট। ২০০৮ সালে চারদলীয় জোট থেকে ৭৭ হাজার ৯২৪ ভোট। ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগ রাতে ভোট করায় ডা. তাহের পেয়েছিলেন ১ হাজার ১৩৩ ভোট। ওই নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কামাল উদ্দিন পেয়েছিলেন ২ হাজার ২৬৪ ভোট।

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা -১১( চৌদ্দগ্রাম) আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. কামরুল হুদা বলেন, দক্ষিণ চৌদ্দগ্রামের তিনটি ইউনিয়নে জামায়াত নিয়ন্ত্রণ করে। ওরাই সব করে। কিন্তু পুরো উপজেলায় তাঁদের ওই অবস্থান নেই। একক নির্বাচন করে জামায়াত বেশি ভোট পায় না। বিএনপির সহযোগিতায় তারা পাস করে। এবার চৌদ্দগ্রামে ধানের শীষের ব্যালট বিপ্লব হবে। নির্বাচন এলে জামায়াত শিবিরের সব লোক এই আসনে চলে আসে।

জামায়াতের নেতাকর্মীদের ভাষ্য, কামরুল হুদা উপজেলা পর্যায়ের নেতা। এখানে কেন্দ্রীয় ও জেলার প্রভাবশালী নেতারা মন্ত্রী এমপি হতেন। কাজী জাফর আহমেদ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। মুজিবুল হক রেলপথমন্ত্রী ছিলেন। হুইপ ছিলেন। এখন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির তাহের ভাই প্রার্থী। তিনিও জিতবেন। চৌদ্দগ্রামের মানুষ জাতীয় নেতাদের ভোট দেবেন। আঞ্চলিক নেতাকে নয়।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

ভাষাসৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

২

দাউদকান্দিতে সড়ক দুর্ঘটনায় চারজনের মৃত্যুতে বাস মালিক গ্রেপ্তার

৩

হোমনা ও তিতাস উপজেলা নিয়েই কুমিল্লা-২ আসন, সীমানা নিয়ে ইসির সিদ্ধান্ত বহাল

৪

এ দেশের মানুষ নিজেদের অধিকার রক্ষায় বারবার রক্ত দিয়েছে : ড. সায়মা

৫

কুমিল্লাস্থ বরুড়া উপজেলা উন্নয়ন সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল সম্পাদক জাহিদ

সম্পর্কিত

ভাষাসৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

ভাষাসৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

৮ ঘণ্টা আগে
দাউদকান্দিতে সড়ক দুর্ঘটনায় চারজনের মৃত্যুতে বাস মালিক গ্রেপ্তার

দাউদকান্দিতে সড়ক দুর্ঘটনায় চারজনের মৃত্যুতে বাস মালিক গ্রেপ্তার

১২ ঘণ্টা আগে
হোমনা ও তিতাস উপজেলা নিয়েই কুমিল্লা-২ আসন,  সীমানা নিয়ে ইসির সিদ্ধান্ত বহাল

হোমনা ও তিতাস উপজেলা নিয়েই কুমিল্লা-২ আসন, সীমানা নিয়ে ইসির সিদ্ধান্ত বহাল

১৩ ঘণ্টা আগে
এ দেশের মানুষ নিজেদের অধিকার রক্ষায় বারবার রক্ত দিয়েছে : ড. সায়মা

এ দেশের মানুষ নিজেদের অধিকার রক্ষায় বারবার রক্ত দিয়েছে : ড. সায়মা

১৬ ঘণ্টা আগে