নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার এক দশক ছুঁই ছুঁই। কিন্তু কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় এখনো স্থাপিত হয়নি উপজেলা পোস্ট অফিস। এতে বিড়ম্বনায় পড়ছেন উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, চাকরি প্রার্থী ও বিভিন্ন সেবাপ্রার্থীরা। এ অবস্থায় অবিলম্বে আধুনিক ডাকসেবা নিশ্চিত করার দাবিতে পোস্ট মাস্টার জেনারেল, পূর্বাঞ্চল, চট্টগ্রাম বরাবর উপজেলাবাসীর পক্ষে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে তাহমিনা মিতুর কাছে স্মারকলিপি পৌঁছে দেন লালমাই উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহসভাপতি তরুণ শিল্প উদ্যোক্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন।
জানা যায়, ২০১৭ সালে লালমাই উপজেলা প্রতিষ্ঠা হয়। প্রতিষ্ঠার পর আজ পর্যন্ত এখানে কোনো প্রধান ডাকঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। উপজেলা সদর (বাগমারা) এলাকায় কোনো ডাকঘর না থাকায় জেলা সদর অথবা ৫ কিলোমিটার দূরের ভুলইন দক্ষিণ ইউনিয়নের ছোট শরীফপুর সাব-পোস্ট অফিস ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এর ফলে সরকারি-বেসরকারি চিঠিপত্র, পাসপোর্ট এবং ই-কমার্স পার্সেল গ্রহণ ও প্রেরণে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন উপজেলার দুই লক্ষাধিক মানুষ। বিশেষ করে ডিজিটাল পোস্ট অফিসের আধুনিক সেবাগুলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এই জনপদ। পোস্ট কোড ব্যবহারে বিড়ম্বনায় পড়ছেন সরকারি বেসরকারি চাকরি প্রার্থীরা।
উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, একটি উপজেলায় পোস্ট অফিস না থাকা মানে হলো যোগাযোগের দিক থেকে পিছিয়ে থাকা। উপজেলা হওয়ার পর আমরা ভেবেছিলাম সব সেবা হাতের কাছে পাব। কিন্তু ১০ বছর পার হয়ে গেল, এখনো একটি পূর্ণাঙ্গ পোস্ট অফিস হলো না। এ উপজেলার অনেক অপূর্ণতার মাঝে এটিও অন্যতম। ডাকঘর না থাকায় গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সঠিক সময়ে পৌঁছায় না। উপজেলা প্রশাসনের কার্যক্রম গতিশীল করতে এবং সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে অবিলম্বে বাগমারা এলাকায় একটি পূর্ণাঙ্গ উপজেলা পোস্ট অফিস স্থাপন ও নতুন পোস্ট কোড নির্ধারণ করা জরুরি।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) উম্মে তাহমিনা মিতু বলেন, উপজেলা পর্যায়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ডাকঘর থাকা অত্যন্ত জরুরি। এ বিষয়ে এলাকাবাসীর পক্ষে আমরা একটি স্মারকলিপি পেয়েছি। লালমাই উপজেলায় ডাকঘর স্থাপন করার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট চিঠি প্রেরণ করব।’

প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার এক দশক ছুঁই ছুঁই। কিন্তু কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় এখনো স্থাপিত হয়নি উপজেলা পোস্ট অফিস। এতে বিড়ম্বনায় পড়ছেন উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, চাকরি প্রার্থী ও বিভিন্ন সেবাপ্রার্থীরা। এ অবস্থায় অবিলম্বে আধুনিক ডাকসেবা নিশ্চিত করার দাবিতে পোস্ট মাস্টার জেনারেল, পূর্বাঞ্চল, চট্টগ্রাম বরাবর উপজেলাবাসীর পক্ষে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে তাহমিনা মিতুর কাছে স্মারকলিপি পৌঁছে দেন লালমাই উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহসভাপতি তরুণ শিল্প উদ্যোক্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন।
জানা যায়, ২০১৭ সালে লালমাই উপজেলা প্রতিষ্ঠা হয়। প্রতিষ্ঠার পর আজ পর্যন্ত এখানে কোনো প্রধান ডাকঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। উপজেলা সদর (বাগমারা) এলাকায় কোনো ডাকঘর না থাকায় জেলা সদর অথবা ৫ কিলোমিটার দূরের ভুলইন দক্ষিণ ইউনিয়নের ছোট শরীফপুর সাব-পোস্ট অফিস ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এর ফলে সরকারি-বেসরকারি চিঠিপত্র, পাসপোর্ট এবং ই-কমার্স পার্সেল গ্রহণ ও প্রেরণে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন উপজেলার দুই লক্ষাধিক মানুষ। বিশেষ করে ডিজিটাল পোস্ট অফিসের আধুনিক সেবাগুলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এই জনপদ। পোস্ট কোড ব্যবহারে বিড়ম্বনায় পড়ছেন সরকারি বেসরকারি চাকরি প্রার্থীরা।
উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, একটি উপজেলায় পোস্ট অফিস না থাকা মানে হলো যোগাযোগের দিক থেকে পিছিয়ে থাকা। উপজেলা হওয়ার পর আমরা ভেবেছিলাম সব সেবা হাতের কাছে পাব। কিন্তু ১০ বছর পার হয়ে গেল, এখনো একটি পূর্ণাঙ্গ পোস্ট অফিস হলো না। এ উপজেলার অনেক অপূর্ণতার মাঝে এটিও অন্যতম। ডাকঘর না থাকায় গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সঠিক সময়ে পৌঁছায় না। উপজেলা প্রশাসনের কার্যক্রম গতিশীল করতে এবং সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে অবিলম্বে বাগমারা এলাকায় একটি পূর্ণাঙ্গ উপজেলা পোস্ট অফিস স্থাপন ও নতুন পোস্ট কোড নির্ধারণ করা জরুরি।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) উম্মে তাহমিনা মিতু বলেন, উপজেলা পর্যায়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ডাকঘর থাকা অত্যন্ত জরুরি। এ বিষয়ে এলাকাবাসীর পক্ষে আমরা একটি স্মারকলিপি পেয়েছি। লালমাই উপজেলায় ডাকঘর স্থাপন করার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট চিঠি প্রেরণ করব।’