হারবাল সহকারী দিয়ে অপারেশন
চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি

চৌদ্দগ্রামে তিন হাজার টাকায় হারবাল সহকারীর অপারেশনে এক বৃদ্ধের আঙুল নড়ছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল সোমবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে পুনরায় চিকিৎসা নিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন ভুক্তভোগী ছালেহ আহমেদ। তিনি চিওড়া ইউনিয়নের ঘোষতল গ্রামের বাসিন্দা।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে রোগীদের মাইনর সার্জারি ও চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছেন হারবাল সহকারী শ্রীবাস কুমার সরকার। গত ৭ ডিসেম্বর বাম হাতের আঙুলে সমস্যা দেখা দেওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে যান ঘোষতল গ্রামের ছালেহ আহমেদ। ওই সময় জরুরি বিভাগে থাকা হারবাল সহকারী শ্রীবাস কুমার সরকার আঙুলের চিকিৎসায় ৩ হাজার টাকা দাবি করেন। ছালেহ আহমেদের পরিবার রাজি হওয়ার পর শ্রীবাস কুমার সরকার আঙুলের অপারশেন করলেও প্রায় এক মাসেও কোনো উন্নতি হয়নি। উল্টো বাম হাতের একটি আঙুল নড়াচড়া করতে পারেন না। ৪ জানুয়ারি সোমবার পুনরায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন বৃদ্ধ ছালেহ আহমেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন তাঁর মেয়ে শারমিন সুলতানা।
ভুক্তভোগী ছালেহ আহমেদের মেয়ে শারমিন সুলতানা বলেন, আমরা বলেছি, আপনি অপারেশন করতে পারবেন কি না। শ্রীবাস কুমার বলেছিল পারবেন। তাই আমরা এখানেই অপারেশন করিয়েছি। এখন বাবা আঙুলই নাড়াচাড়া করতে পারছে না। মনে হচ্ছে, সারাজীবনের জন্য আঙুল অকেজো হয়ে গেছে।
হারবাল সহকারী শ্রীবাস কুমার সরকার বলেন, আমি বাড়িতে ছুটিতে আছি। অপারেশনের বিষয়ে কিছুই জানি না।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রশিদ আহমেদ চৌধুরী বলেন, হাসপাতালের জরুরি বিভাগের লোকবল সঙ্কট। বিষয়টি তদন্ত করা হবে। তদন্ত শেষে শ্রীবাস কুমার সরকারকে জরুরি বিভাগের দায়িত্ব থেকে বিরত থাকার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চৌদ্দগ্রামে তিন হাজার টাকায় হারবাল সহকারীর অপারেশনে এক বৃদ্ধের আঙুল নড়ছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল সোমবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে পুনরায় চিকিৎসা নিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন ভুক্তভোগী ছালেহ আহমেদ। তিনি চিওড়া ইউনিয়নের ঘোষতল গ্রামের বাসিন্দা।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে রোগীদের মাইনর সার্জারি ও চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছেন হারবাল সহকারী শ্রীবাস কুমার সরকার। গত ৭ ডিসেম্বর বাম হাতের আঙুলে সমস্যা দেখা দেওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে যান ঘোষতল গ্রামের ছালেহ আহমেদ। ওই সময় জরুরি বিভাগে থাকা হারবাল সহকারী শ্রীবাস কুমার সরকার আঙুলের চিকিৎসায় ৩ হাজার টাকা দাবি করেন। ছালেহ আহমেদের পরিবার রাজি হওয়ার পর শ্রীবাস কুমার সরকার আঙুলের অপারশেন করলেও প্রায় এক মাসেও কোনো উন্নতি হয়নি। উল্টো বাম হাতের একটি আঙুল নড়াচড়া করতে পারেন না। ৪ জানুয়ারি সোমবার পুনরায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন বৃদ্ধ ছালেহ আহমেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন তাঁর মেয়ে শারমিন সুলতানা।
ভুক্তভোগী ছালেহ আহমেদের মেয়ে শারমিন সুলতানা বলেন, আমরা বলেছি, আপনি অপারেশন করতে পারবেন কি না। শ্রীবাস কুমার বলেছিল পারবেন। তাই আমরা এখানেই অপারেশন করিয়েছি। এখন বাবা আঙুলই নাড়াচাড়া করতে পারছে না। মনে হচ্ছে, সারাজীবনের জন্য আঙুল অকেজো হয়ে গেছে।
হারবাল সহকারী শ্রীবাস কুমার সরকার বলেন, আমি বাড়িতে ছুটিতে আছি। অপারেশনের বিষয়ে কিছুই জানি না।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রশিদ আহমেদ চৌধুরী বলেন, হাসপাতালের জরুরি বিভাগের লোকবল সঙ্কট। বিষয়টি তদন্ত করা হবে। তদন্ত শেষে শ্রীবাস কুমার সরকারকে জরুরি বিভাগের দায়িত্ব থেকে বিরত থাকার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।