কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর হঠাৎ করেই কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ঠিকাদারদের মধ্যে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ঠিকাদারি কাজ নিয়ে বেশির ভাগই আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। কারও কারও লাভ কম হচ্ছে। এ নিয়ে ঠিকাদাররা কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রতি গোস্সা।
নগর ভবন সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে নিবন্ধিত ঠিকাদার প্রায় ৮০০ জন। এর মধ্যে চলতি অর্থ বছরে নবায়ন করেছেন ২৫০ জন। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে বিভিন্ন ধরণের কাজ ঠিকাদারেরা করেন। এর মধ্যে সিটি করপোরেশনের নিবন্ধিত ঠিকাদার এলটিএম (লিমিটেড টেন্ডারিং মেথড), বাংলাদেশের সব ঠিকাদার ওটিএম (ওপেন টেন্ডারিং মেথড) ও বড় বড় টেকনিক্যাল কাজ যা শত কোটি টাকার উপরে ওএসটিইটিএম (ওয়ান স্টেজ টু ইনভেলাপ টেন্ডারিং মেথড)। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সমন্বিত অবকাঠামো প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন ধরণের দরপত্র আহবান করা হয়। এসব কাজে ঠিকাদারেরা সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ লেসে (কমে) কাজ নেন। অনেকে কাজ পেয়ে আরেকজন ঠিকাদারের কাছে বিক্রি করেন। বারবার হাত বদলের কারণে ঠিকাদারের লাভ হচ্ছে কম। যখন কার্যাদেশ দেওয়া হয় তখন নির্মাণ সামগ্রীর দাম থাকে একরকম, কাজ শুরু করার সময় দাম বেড়ে যায়।
জানতে চাইলে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন বলেন, ভ্যাট ও আয়কর ধরেই প্রকল্প নেওয়া হয়। এক্ষেত্রে লস হওয়ার সুযোগ কম। নকশা অনুযায়ী সিটি করপোরেশন এখন কাজ বুঝে নিচ্ছে। যে কারণে কাজে ফাঁকি দিলে সেটি ধরা পরে। কাজের ক্ষেত্রে আমরা প্রাক্কলনও দেখে থাকি। ইট, বালু, সুরকি ও রড দেখে থাকি।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের অন্তত ১০ জন ঠিকাদার জানিয়েছেন, সিটি করপোরেশনে কাজ করে তাঁদের লাভ হচ্ছে না। এখন কাজ করতে গেলে খুবই কড়াকড়ি অবস্থা। এভাবে আর ঠিকাদারি কাজ করা যাবে না।
কান্দিরপাড় এলাকার একজন ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘সিটি করপোরেশনে আর কাম করতাম না। লস খাইতে খাইতে অবস্থা খারাপ। সাইটে গিয়ে নগর ভবনের ইঞ্জিনিয়াররা ডিস্টার্ব করে।’
দক্ষিণ চর্থা এলাকার একজন ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সামান্য ত্রুটির কারণে আমার বিল আটকে রাখা হয়েছে।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু সায়েম ভূঁইয়া বলেন, শতভাগ কাজ করেও যেকোনো কাজে ঠিকাদার ১০ শতাংশ লাভ পাবেন। কিন্তু বারবার হাত বদল ও লেসে কাজ নেওয়ার প্রবণতার কারণে অনেকে কুলিয়ে উঠতে পারছেন না। আমরা চাই প্রাক্কলন মোতাবেক কাজ হোক।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, আগে কি হয়েছে সেটি দেখছি না। আমার কর্মকালীন সময়ে কার্যাদেশ মোতাবেক কাজ হবে। কোনও কাজে গাফিলতি সহ্য করব না। বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনে গিয়ে অনিয়ম পেয়েছি। অনেকের বিল আটকে দিয়েছি। যাঁরা কার্যাদেশ মোতাবেক কাজ করেছেন, তাঁদের বিল আটকানো হচ্ছে না। নিয়ম মেনে যাঁরা কাজ করছেন তাঁরা বিল পাচ্ছেন।

বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর হঠাৎ করেই কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ঠিকাদারদের মধ্যে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ঠিকাদারি কাজ নিয়ে বেশির ভাগই আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। কারও কারও লাভ কম হচ্ছে। এ নিয়ে ঠিকাদাররা কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রতি গোস্সা।
নগর ভবন সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে নিবন্ধিত ঠিকাদার প্রায় ৮০০ জন। এর মধ্যে চলতি অর্থ বছরে নবায়ন করেছেন ২৫০ জন। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে বিভিন্ন ধরণের কাজ ঠিকাদারেরা করেন। এর মধ্যে সিটি করপোরেশনের নিবন্ধিত ঠিকাদার এলটিএম (লিমিটেড টেন্ডারিং মেথড), বাংলাদেশের সব ঠিকাদার ওটিএম (ওপেন টেন্ডারিং মেথড) ও বড় বড় টেকনিক্যাল কাজ যা শত কোটি টাকার উপরে ওএসটিইটিএম (ওয়ান স্টেজ টু ইনভেলাপ টেন্ডারিং মেথড)। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সমন্বিত অবকাঠামো প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন ধরণের দরপত্র আহবান করা হয়। এসব কাজে ঠিকাদারেরা সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ লেসে (কমে) কাজ নেন। অনেকে কাজ পেয়ে আরেকজন ঠিকাদারের কাছে বিক্রি করেন। বারবার হাত বদলের কারণে ঠিকাদারের লাভ হচ্ছে কম। যখন কার্যাদেশ দেওয়া হয় তখন নির্মাণ সামগ্রীর দাম থাকে একরকম, কাজ শুরু করার সময় দাম বেড়ে যায়।
জানতে চাইলে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন বলেন, ভ্যাট ও আয়কর ধরেই প্রকল্প নেওয়া হয়। এক্ষেত্রে লস হওয়ার সুযোগ কম। নকশা অনুযায়ী সিটি করপোরেশন এখন কাজ বুঝে নিচ্ছে। যে কারণে কাজে ফাঁকি দিলে সেটি ধরা পরে। কাজের ক্ষেত্রে আমরা প্রাক্কলনও দেখে থাকি। ইট, বালু, সুরকি ও রড দেখে থাকি।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের অন্তত ১০ জন ঠিকাদার জানিয়েছেন, সিটি করপোরেশনে কাজ করে তাঁদের লাভ হচ্ছে না। এখন কাজ করতে গেলে খুবই কড়াকড়ি অবস্থা। এভাবে আর ঠিকাদারি কাজ করা যাবে না।
কান্দিরপাড় এলাকার একজন ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘সিটি করপোরেশনে আর কাম করতাম না। লস খাইতে খাইতে অবস্থা খারাপ। সাইটে গিয়ে নগর ভবনের ইঞ্জিনিয়াররা ডিস্টার্ব করে।’
দক্ষিণ চর্থা এলাকার একজন ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সামান্য ত্রুটির কারণে আমার বিল আটকে রাখা হয়েছে।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু সায়েম ভূঁইয়া বলেন, শতভাগ কাজ করেও যেকোনো কাজে ঠিকাদার ১০ শতাংশ লাভ পাবেন। কিন্তু বারবার হাত বদল ও লেসে কাজ নেওয়ার প্রবণতার কারণে অনেকে কুলিয়ে উঠতে পারছেন না। আমরা চাই প্রাক্কলন মোতাবেক কাজ হোক।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, আগে কি হয়েছে সেটি দেখছি না। আমার কর্মকালীন সময়ে কার্যাদেশ মোতাবেক কাজ হবে। কোনও কাজে গাফিলতি সহ্য করব না। বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনে গিয়ে অনিয়ম পেয়েছি। অনেকের বিল আটকে দিয়েছি। যাঁরা কার্যাদেশ মোতাবেক কাজ করেছেন, তাঁদের বিল আটকানো হচ্ছে না। নিয়ম মেনে যাঁরা কাজ করছেন তাঁরা বিল পাচ্ছেন।