নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা কৃষি ও কারিগরি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আনিসুর রহমান আখন্দ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন)। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে নয়টার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কুমিল্লা মুন হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তিনি স্ত্রী ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। গতকাল শুক্রবার সকাল নয়টায় তাঁর প্রথম জানাজা ব্রাহ্মণপাড়ার ষাইটশালা এতিমখানায় অনুষ্ঠিত হয়। বাদজুমা কুমিল্লা টাউন হল প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর কুমিল্লার নতুন চৌধুরীপাড়া গোরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়।
১৯৫৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মোহাম্মদ আনিসুর রহমান আখন্দ। তাঁর বাবা দলিল উদ্দিন আখন্দ ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা, মা রওশন আরা আখন্দ গৃহিণী। তাঁরা সাত ভাই-বোন। তিনি দুই মেয়ে সন্তানের জনক। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করার পর ভারত থেকে ফিশারিজের ওপর ডিপ্লোমা করেন তিনি। আনিসুর রহমান আখন্দ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি সুশাসনের জন্য নাগরিক কুমিল্লা মহানগরের সভাপতি, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী সদস্য, রোটারি ক্লাব অব ময়নামতির সেকেন্ড প্রেসিডেন্ট, প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়া ফয়জুন্নেছা ফাউন্ডেশন ও নাটাবের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। কুমিল্লায় ব্রয়লার মুরগির ব্যবসা সম্প্রসারণ, লেয়ার মুরগির ডিম ও স্থানীয় পর্যায়ে মাছের রেণু উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। তাঁর প্রতিষ্ঠিত কুমিল্লা কৃষি ও কারিগরি কলেজের অনেকেই সুপ্রতিষ্ঠিত। কেউ কেউ হয়েছেন বড় উদ্যোক্তা।

কুমিল্লা কৃষি ও কারিগরি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আনিসুর রহমান আখন্দ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন)। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে নয়টার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কুমিল্লা মুন হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তিনি স্ত্রী ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। গতকাল শুক্রবার সকাল নয়টায় তাঁর প্রথম জানাজা ব্রাহ্মণপাড়ার ষাইটশালা এতিমখানায় অনুষ্ঠিত হয়। বাদজুমা কুমিল্লা টাউন হল প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর কুমিল্লার নতুন চৌধুরীপাড়া গোরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়।
১৯৫৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মোহাম্মদ আনিসুর রহমান আখন্দ। তাঁর বাবা দলিল উদ্দিন আখন্দ ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা, মা রওশন আরা আখন্দ গৃহিণী। তাঁরা সাত ভাই-বোন। তিনি দুই মেয়ে সন্তানের জনক। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করার পর ভারত থেকে ফিশারিজের ওপর ডিপ্লোমা করেন তিনি। আনিসুর রহমান আখন্দ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি সুশাসনের জন্য নাগরিক কুমিল্লা মহানগরের সভাপতি, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী সদস্য, রোটারি ক্লাব অব ময়নামতির সেকেন্ড প্রেসিডেন্ট, প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়া ফয়জুন্নেছা ফাউন্ডেশন ও নাটাবের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। কুমিল্লায় ব্রয়লার মুরগির ব্যবসা সম্প্রসারণ, লেয়ার মুরগির ডিম ও স্থানীয় পর্যায়ে মাছের রেণু উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। তাঁর প্রতিষ্ঠিত কুমিল্লা কৃষি ও কারিগরি কলেজের অনেকেই সুপ্রতিষ্ঠিত। কেউ কেউ হয়েছেন বড় উদ্যোক্তা।