লাকসাম প্রতিনিধি

লাকসাম নওয়াব ফয়েজুন্নেছা সরকারি কলেজের শতবর্ষী গাছ কাটার পরিকল্পনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। গাছ রক্ষার দাবিতে তারা গণস্বাক্ষর কর্মসূচি ও স্মারকলিপি প্রদানসহ নানা প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছেন।
আজ রোববার কলেজ ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
শিক্ষার্থীদের দাবি, শতবর্ষী এসব গাছ শুধু পরিবেশ রক্ষায় নয়, কলেজের ঐতিহ্য ও সৌন্দর্যের অংশ হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উন্নয়নের নামে এসব গাছ কেটে ফেলা হলে পরিবেশ ও কলেজের নান্দনিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার গাছ কাটার পরিকল্পনার প্রতিবাদ জানিয়ে শিক্ষার্থীরা কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর একটি স্মারকলিপি জমা দেন। তবে অধ্যক্ষ উপস্থিত না থাকায় কলেজের উপাধ্যক্ষ স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন।
এ সময় ইতিহাস বিভাগের একজন প্রভাষক ও শিক্ষার্থীদের পক্ষে অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রকি কর্মকার, সাবেক শিক্ষার্থী মো. রাফি, দিদার হোসেন, অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রাকিব হোসেনসহ আরও অনেক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ও স্থাবর সম্পত্তি রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক ফখরুল লতিফ বলেন, ‘কলেজের উন্নয়নের স্বার্থে নদীর ভাঙন থেকে রক্ষায় গার্ডওয়াল নির্মাণে ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শে কিছু গাছ কাটার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা না করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।’

লাকসাম নওয়াব ফয়েজুন্নেছা সরকারি কলেজের শতবর্ষী গাছ কাটার পরিকল্পনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। গাছ রক্ষার দাবিতে তারা গণস্বাক্ষর কর্মসূচি ও স্মারকলিপি প্রদানসহ নানা প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছেন।
আজ রোববার কলেজ ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
শিক্ষার্থীদের দাবি, শতবর্ষী এসব গাছ শুধু পরিবেশ রক্ষায় নয়, কলেজের ঐতিহ্য ও সৌন্দর্যের অংশ হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উন্নয়নের নামে এসব গাছ কেটে ফেলা হলে পরিবেশ ও কলেজের নান্দনিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার গাছ কাটার পরিকল্পনার প্রতিবাদ জানিয়ে শিক্ষার্থীরা কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর একটি স্মারকলিপি জমা দেন। তবে অধ্যক্ষ উপস্থিত না থাকায় কলেজের উপাধ্যক্ষ স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন।
এ সময় ইতিহাস বিভাগের একজন প্রভাষক ও শিক্ষার্থীদের পক্ষে অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রকি কর্মকার, সাবেক শিক্ষার্থী মো. রাফি, দিদার হোসেন, অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রাকিব হোসেনসহ আরও অনেক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ও স্থাবর সম্পত্তি রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক ফখরুল লতিফ বলেন, ‘কলেজের উন্নয়নের স্বার্থে নদীর ভাঙন থেকে রক্ষায় গার্ডওয়াল নির্মাণে ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শে কিছু গাছ কাটার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা না করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।’