নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার টমছমব্রিজ-কোটবাড়ি সড়কের রামমালা এলাকা পেরিয়ে শাকতলা র্যাব অফিসের পাশে নিজস্ব জায়গায় অবস্থিত কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজ। কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অর্থায়নে এই কলেজ প্রতিষ্ঠা হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এ কলেজ পড়াশোনা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে বেশ সুনাম অর্জন করেছে। কলেজের এক ঝাঁক উদ্যোমী শিক্ষক এ কলেজকে বোর্ডের সেরা কলেজে উন্নীত করেছেন।
কলেজ সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালের ২৩ আগস্ট কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড স্কুল এন্ড কলেজ নামে এই প্রতিষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়েছিল। মাত্র ১৩ জন প্রভাষক নিয়ে কলেজে একাদশ শ্রেণির কার্যক্রম শুরু হয়।
২০১৮ ও ২০১৯ সালে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজ কুমিল্লা জেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি অর্জন করে।
জানা গেছে, ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানে ৬ষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদান করা হয় এবং এখানে আবাসিক সুবিধাও রয়েছে। ৬ষ্ঠ, ৯ম এবং ১১শ শ্রেণীতে ছাত্র ভর্তি করা হয়ে থাকে। জাতীয়করণ হওয়ার আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিবের নেতৃত্বে একটি স্বায়ত্বশাসিত পরিচালনা কমিটি ছিল।

২০০৯ সালে স্কুল পর্যায়ে ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। স্কুল কার্যক্রমের জন্য শিক্ষক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে আবেদন গ্রহণ করা হলেও অজ্ঞাত কারণে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়নি।
এই কলেজটি ২০১৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর জাতীয়করণ করা হয়। কিন্তু স্কুল শাখার জন্য কোনো পদ সৃষ্টি হয় নি। বারবার মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হলেও কোনো সুরাহা হয় নি।
স্কুলের সাফল্যের কথা চিন্তা করে কলেজের শিক্ষকরাই নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত দায়িত্ব নিয়ে স্কুলের কার্যক্রম চালু রেখেছেন। কিন্তু স্কুলে স্থায়ী পদ সৃজন না হওয়ায় কলেজ এবং স্কুল দুটোতেই শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটছে।
বর্তমানে কর্মরত ১৭ জন প্রভাষক, ২ জন প্রদর্শক ,একজন শরীরচর্চা শিক্ষা শিক্ষক রয়েছেন। প্রভাষকের শুন্য পদ ইতিহাস, কৃষিবিজ্ঞান ও আই সি টি। এখানে অফিস সহকারী একজন ও অফিস সহায়কের তিনটি পদ আছে। পুরো কলেজে শিক্ষার্থী সংখ্যা ১১০০ জন। এর মধ্যে স্কুল শাখায় ৪০০ ও কলেজ শাখ্য়া ৭০০ জন।

কলেজের অর্থনীতি বিষয়ের সিনিয়র শিক্ষক নার্গিস আফরোজ বলেন, এ কলেজ কুমিল্লার অহংকার। এখানে ভর্তির জন্য চাপ আছে। আমরা আরও শিক্ষক চাই। সবক্ষেত্রেই এ কলেজের সুনাম আছে।
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবুল হোসেন বলেন, এ কলেজের শিক্ষার পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর। কলেজে শিক্ষার্থীও চাহিদা বেশি। দরকার আরও শিক্ষক। স্কুল পর্যায়ে শিক্ষক দরকার বেশি।

কুমিল্লার টমছমব্রিজ-কোটবাড়ি সড়কের রামমালা এলাকা পেরিয়ে শাকতলা র্যাব অফিসের পাশে নিজস্ব জায়গায় অবস্থিত কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজ। কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অর্থায়নে এই কলেজ প্রতিষ্ঠা হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এ কলেজ পড়াশোনা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে বেশ সুনাম অর্জন করেছে। কলেজের এক ঝাঁক উদ্যোমী শিক্ষক এ কলেজকে বোর্ডের সেরা কলেজে উন্নীত করেছেন।
কলেজ সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালের ২৩ আগস্ট কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড স্কুল এন্ড কলেজ নামে এই প্রতিষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়েছিল। মাত্র ১৩ জন প্রভাষক নিয়ে কলেজে একাদশ শ্রেণির কার্যক্রম শুরু হয়।
২০১৮ ও ২০১৯ সালে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজ কুমিল্লা জেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি অর্জন করে।
জানা গেছে, ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানে ৬ষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদান করা হয় এবং এখানে আবাসিক সুবিধাও রয়েছে। ৬ষ্ঠ, ৯ম এবং ১১শ শ্রেণীতে ছাত্র ভর্তি করা হয়ে থাকে। জাতীয়করণ হওয়ার আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিবের নেতৃত্বে একটি স্বায়ত্বশাসিত পরিচালনা কমিটি ছিল।

২০০৯ সালে স্কুল পর্যায়ে ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। স্কুল কার্যক্রমের জন্য শিক্ষক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে আবেদন গ্রহণ করা হলেও অজ্ঞাত কারণে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়নি।
এই কলেজটি ২০১৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর জাতীয়করণ করা হয়। কিন্তু স্কুল শাখার জন্য কোনো পদ সৃষ্টি হয় নি। বারবার মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হলেও কোনো সুরাহা হয় নি।
স্কুলের সাফল্যের কথা চিন্তা করে কলেজের শিক্ষকরাই নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত দায়িত্ব নিয়ে স্কুলের কার্যক্রম চালু রেখেছেন। কিন্তু স্কুলে স্থায়ী পদ সৃজন না হওয়ায় কলেজ এবং স্কুল দুটোতেই শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটছে।
বর্তমানে কর্মরত ১৭ জন প্রভাষক, ২ জন প্রদর্শক ,একজন শরীরচর্চা শিক্ষা শিক্ষক রয়েছেন। প্রভাষকের শুন্য পদ ইতিহাস, কৃষিবিজ্ঞান ও আই সি টি। এখানে অফিস সহকারী একজন ও অফিস সহায়কের তিনটি পদ আছে। পুরো কলেজে শিক্ষার্থী সংখ্যা ১১০০ জন। এর মধ্যে স্কুল শাখায় ৪০০ ও কলেজ শাখ্য়া ৭০০ জন।

কলেজের অর্থনীতি বিষয়ের সিনিয়র শিক্ষক নার্গিস আফরোজ বলেন, এ কলেজ কুমিল্লার অহংকার। এখানে ভর্তির জন্য চাপ আছে। আমরা আরও শিক্ষক চাই। সবক্ষেত্রেই এ কলেজের সুনাম আছে।
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবুল হোসেন বলেন, এ কলেজের শিক্ষার পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর। কলেজে শিক্ষার্থীও চাহিদা বেশি। দরকার আরও শিক্ষক। স্কুল পর্যায়ে শিক্ষক দরকার বেশি।