দেবীদ্বার প্রতিনিধি

কুমিল্লার দেবীদ্বারে একটি পরিত্যক্ত বাড়ির ঘরের তীরে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছিল যুবকের গলিত লাশ। পথচারীরা গন্ধ পেয়ে বেড়ার ফাঁক দিয়ে ফাঁস দেয়া যুবকের লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেয়। গতকাল শনিবার বিকেলে উপজেলার ধামতী গ্রামের পশ্চিমপাড়া আবু তাহেরের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়।
নিহত যুবক ইউছুফ আলী (৩২) কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার রামমন ইউনিয়নের কাপালনগর গ্রামের আয়েত আলীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ এ এলাকায় ইউছুফ আলী অটো চালক হিসেবেই আমরা দেখেছি। সে প্রায় ৭-৮ মাস এ এলাকায় মাছের ব্যবসা করেছেন। নেশার জগতে চরমভাবে ঝুঁকে পড়ায় পারিবারিক কলহ দেখা দেয়। গত ১৫ দিন আগে নেশা করে ঘরে ঢুকে তার স্ত্রীকে বেধরক মারধর করলে তার স্ত্রী দুই শিশুপুত্রকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যায় । আজ বিকেলে পঁচা গন্ধে অতিষ্ঠ অজ্ঞাত দুই পথচারী টিনের বেড়ার ফাঁক দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাকে ঝুলে থাকতে দেখে স্থানীয়দের জানান।
ইউপি সদস্য বিউটি আক্তার জানান, নিহতের স্ত্রী পান্না আক্তার ২০২০ সাল থেকে কুমিল্লা ইপিজেডে চাকরি করত, অটো চালক ইউছুফ তাকে দেখে পছন্দ করে। প্রায় এক বছর বিরক্ত করার পর তার সঙ্গে বিয়েতে রাজি হয়। ২০২১ সালে বিয়ে হয়। তার দুই ছেলে ইউনুছ (৫) ও কাউছার (২)। গর্ভে ৪ মাসের আরো একটি সন্তান আছে। সে তার স্বামীকে নিয়ে ভাড়া বাসায় থেকে এলাকার বাইরে গিয়ে ভিক্ষা করে সংসার চালাত, মেয়েটি ভালো পরিবারের সন্তান তাই আমরাও গোপনে সাহায্য সহায়তা করতাম। তার স্বামী নেশাগ্রস্ত ছিল। প্রতিদিনই নেশা করে মারধর করত, তারপরও সে স্বামী ভক্ত ছিল।
ওই পরিত্যক্ত বাড়ির মালিক আবু তাহের জানান, আমি দেবীদ্বার সদরে জুয়েলারি দোকানে ম্যানেজার পদে চাকরি করার সুবাদে দেবীদ্বার সদরে পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতাম। আমার বাড়িটি পরিত্যক্ত থাকায় পাশের বাড়ির প্রয়াত কুদ্দুস মিয়ার স্ত্রীর অনুরোধে ইউছুফ আলীকে একটি ঘরে থাকার সুযোগ দিই। আমার বাড়িটি দেখভালের দায়িত্বও তাকে দিই। সন্ধ্যায় দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে বাড়িতে আসি।
দেবীদ্বার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, নিহত ইউছুফ নেশাগ্রস্ত ছিল, নেশার কারণে পারিবারিক বিরোধ ছিল। কি কারণে আত্মহত্যা করেছে তা তদন্তের আগে বলতে পারছি না।

কুমিল্লার দেবীদ্বারে একটি পরিত্যক্ত বাড়ির ঘরের তীরে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছিল যুবকের গলিত লাশ। পথচারীরা গন্ধ পেয়ে বেড়ার ফাঁক দিয়ে ফাঁস দেয়া যুবকের লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেয়। গতকাল শনিবার বিকেলে উপজেলার ধামতী গ্রামের পশ্চিমপাড়া আবু তাহেরের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়।
নিহত যুবক ইউছুফ আলী (৩২) কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার রামমন ইউনিয়নের কাপালনগর গ্রামের আয়েত আলীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ এ এলাকায় ইউছুফ আলী অটো চালক হিসেবেই আমরা দেখেছি। সে প্রায় ৭-৮ মাস এ এলাকায় মাছের ব্যবসা করেছেন। নেশার জগতে চরমভাবে ঝুঁকে পড়ায় পারিবারিক কলহ দেখা দেয়। গত ১৫ দিন আগে নেশা করে ঘরে ঢুকে তার স্ত্রীকে বেধরক মারধর করলে তার স্ত্রী দুই শিশুপুত্রকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যায় । আজ বিকেলে পঁচা গন্ধে অতিষ্ঠ অজ্ঞাত দুই পথচারী টিনের বেড়ার ফাঁক দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাকে ঝুলে থাকতে দেখে স্থানীয়দের জানান।
ইউপি সদস্য বিউটি আক্তার জানান, নিহতের স্ত্রী পান্না আক্তার ২০২০ সাল থেকে কুমিল্লা ইপিজেডে চাকরি করত, অটো চালক ইউছুফ তাকে দেখে পছন্দ করে। প্রায় এক বছর বিরক্ত করার পর তার সঙ্গে বিয়েতে রাজি হয়। ২০২১ সালে বিয়ে হয়। তার দুই ছেলে ইউনুছ (৫) ও কাউছার (২)। গর্ভে ৪ মাসের আরো একটি সন্তান আছে। সে তার স্বামীকে নিয়ে ভাড়া বাসায় থেকে এলাকার বাইরে গিয়ে ভিক্ষা করে সংসার চালাত, মেয়েটি ভালো পরিবারের সন্তান তাই আমরাও গোপনে সাহায্য সহায়তা করতাম। তার স্বামী নেশাগ্রস্ত ছিল। প্রতিদিনই নেশা করে মারধর করত, তারপরও সে স্বামী ভক্ত ছিল।
ওই পরিত্যক্ত বাড়ির মালিক আবু তাহের জানান, আমি দেবীদ্বার সদরে জুয়েলারি দোকানে ম্যানেজার পদে চাকরি করার সুবাদে দেবীদ্বার সদরে পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতাম। আমার বাড়িটি পরিত্যক্ত থাকায় পাশের বাড়ির প্রয়াত কুদ্দুস মিয়ার স্ত্রীর অনুরোধে ইউছুফ আলীকে একটি ঘরে থাকার সুযোগ দিই। আমার বাড়িটি দেখভালের দায়িত্বও তাকে দিই। সন্ধ্যায় দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে বাড়িতে আসি।
দেবীদ্বার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, নিহত ইউছুফ নেশাগ্রস্ত ছিল, নেশার কারণে পারিবারিক বিরোধ ছিল। কি কারণে আত্মহত্যা করেছে তা তদন্তের আগে বলতে পারছি না।