ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনভিত্তিক সমন্বয় কমিটি কাজ করবে
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ( কুমেক) হাসপাতালে ২৪ কোটি টাকার কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ ওঠে কুমিল্লা জেলা ড্যাবের সভাপতি ডা. মোহাম্মদ মাছুম হাছান ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. মাসুদ পারভেজের বিরুদ্ধে। টাকা ভাগাভাগিতে ডা. মাছুমের জড়িত থাকার বিষয়ে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেন ড্যাবের মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ আরিফ হায়দার। এমতাবস্থায় সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অসাংগঠনিক কার্যক্রমে যুক্ত থাকার অভিযোগে ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) কুমিল্লা জেলা, কুমিল্লা মহানগর ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ শাখার কার্যক্রম স্থগিত করেন ড্যাবের কেন্দ্রীয় মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল। গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে ডা. শাকিল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে কমিটিগুলোর কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। এরপর থেকে ড্যাবের ব্যানারে কুমিল্লায় কোন কার্যক্রম হচ্ছে না। বিএনপিপন্থী চিকিৎসকেরা আলাদাভাবে বিএনপির নেতাদের বিভিন্ন কর্মসূচিতে গিয়ে স্বাস্থ্যসেবা ও বিনামূল্যে রোগী দেখছেন। আড়াই মাস ধরে তাদের কোন সাংগঠনিক কার্যক্রম নেই। ফলে জামায়াতপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন এনডিএফ সাংগঠনিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।
আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপির প্রার্থীরা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় স্বাস্থ্য ক্যাম্প করে থাকেন। কিন্তু ড্যাবের কমিটির কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ থাকায় তারা কোন কাজ করতে পারছে না।
কুমেক বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের একটি অংশের ভাষ্য, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের টেন্ডার নিয়ে আমরা কিছুই জানি না। যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাঁরা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ইউনিটের কেউ নন। এই প্রক্রিয়ায় যাঁদের নাম শোনা গেছে তাঁরা ড্যাবের জেলার সভাপতি ও মহানগরের সাধারণ সম্পাদক। এর মধ্যে মহানগরের সাধারণ সম্পাদক নিজেই আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ সভায় জেলার সভাপতির বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ৮০ লাখ টাকা ভাগ নেওয়ার অভিযোগ করেন। জেলা ও মহানগরের দায় আমরা নেব কেন? এতো বছর পর আমরা রাজনীতি করার পরিবেশ পেয়েছি। এই সময়ে কমিটি স্থগিত আমাদের ব্যথিত করেছে।
ড্যাবের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ শাখার স্থগিত কমিটির সভাপতি ডা. মিনহাজুর রহমান তারেক ও সাধারণ সম্পাদক ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছি। আমরা এখন বিভিন্ন সংসদীয় আসনে গিয়ে বিএনপির প্রার্থীর জন্য কাজ করব। এখন কুমিল্লা মহানগরে মানবিক কুমিল্লার ব্যানারে হেলথক্যাম্প করছি। একেকটি ক্যাম্পে ৪-৫ হাজার মানুষ সেবা নিতে আসেন। ওষুধ নেন।
ড্যাবের কেন্দ্রীয় মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল গতকাল রাতে আমার শহরকে মুঠোফোনে বলেন,‘ কমিটির কার্যক্রম স্থগিতই থাকবে। আপাতত যেমন আছে, তেমনই থাকবে। আমরা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আসনভিত্তিক সমন্বয় কমিটি করব। এতে ড্যাবের চিকিৎসকেরা কাজ করবেন।’
তিনি বলেন,‘ আমরা অভিযোগের তদন্ত করেছি। সাক্ষাৎকার নিয়েছি। সব কিছু বিশ্লেষণ করে ব্যবস্থা নেব।’
ড্যাবের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ শাখার স্থগিত কমিটির সভাপতি ডা. মিনহাজুর রহমান তারেক বলেন, আমি কুমিল্লা-৬ আসনে গত কয়েকমাস ধরে কাজ করছি। এখন কুমিল্লা ৮ ও ২ আসনে কাজ করব। ব্যক্তিগত উদ্যোগে এখন কাজ করছি। সঙ্গে কুমেক ড্যাবের সদস্যরা আছেন। কেন্দ্র যে সিদ্ধান্ত দেবে সে মোতাবেক কাজ করব।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ( কুমেক) হাসপাতালে ২৪ কোটি টাকার কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ ওঠে কুমিল্লা জেলা ড্যাবের সভাপতি ডা. মোহাম্মদ মাছুম হাছান ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. মাসুদ পারভেজের বিরুদ্ধে। টাকা ভাগাভাগিতে ডা. মাছুমের জড়িত থাকার বিষয়ে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেন ড্যাবের মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ আরিফ হায়দার। এমতাবস্থায় সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অসাংগঠনিক কার্যক্রমে যুক্ত থাকার অভিযোগে ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) কুমিল্লা জেলা, কুমিল্লা মহানগর ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ শাখার কার্যক্রম স্থগিত করেন ড্যাবের কেন্দ্রীয় মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল। গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে ডা. শাকিল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে কমিটিগুলোর কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। এরপর থেকে ড্যাবের ব্যানারে কুমিল্লায় কোন কার্যক্রম হচ্ছে না। বিএনপিপন্থী চিকিৎসকেরা আলাদাভাবে বিএনপির নেতাদের বিভিন্ন কর্মসূচিতে গিয়ে স্বাস্থ্যসেবা ও বিনামূল্যে রোগী দেখছেন। আড়াই মাস ধরে তাদের কোন সাংগঠনিক কার্যক্রম নেই। ফলে জামায়াতপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন এনডিএফ সাংগঠনিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।
আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপির প্রার্থীরা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় স্বাস্থ্য ক্যাম্প করে থাকেন। কিন্তু ড্যাবের কমিটির কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ থাকায় তারা কোন কাজ করতে পারছে না।
কুমেক বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের একটি অংশের ভাষ্য, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের টেন্ডার নিয়ে আমরা কিছুই জানি না। যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাঁরা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ইউনিটের কেউ নন। এই প্রক্রিয়ায় যাঁদের নাম শোনা গেছে তাঁরা ড্যাবের জেলার সভাপতি ও মহানগরের সাধারণ সম্পাদক। এর মধ্যে মহানগরের সাধারণ সম্পাদক নিজেই আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ সভায় জেলার সভাপতির বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ৮০ লাখ টাকা ভাগ নেওয়ার অভিযোগ করেন। জেলা ও মহানগরের দায় আমরা নেব কেন? এতো বছর পর আমরা রাজনীতি করার পরিবেশ পেয়েছি। এই সময়ে কমিটি স্থগিত আমাদের ব্যথিত করেছে।
ড্যাবের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ শাখার স্থগিত কমিটির সভাপতি ডা. মিনহাজুর রহমান তারেক ও সাধারণ সম্পাদক ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছি। আমরা এখন বিভিন্ন সংসদীয় আসনে গিয়ে বিএনপির প্রার্থীর জন্য কাজ করব। এখন কুমিল্লা মহানগরে মানবিক কুমিল্লার ব্যানারে হেলথক্যাম্প করছি। একেকটি ক্যাম্পে ৪-৫ হাজার মানুষ সেবা নিতে আসেন। ওষুধ নেন।
ড্যাবের কেন্দ্রীয় মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল গতকাল রাতে আমার শহরকে মুঠোফোনে বলেন,‘ কমিটির কার্যক্রম স্থগিতই থাকবে। আপাতত যেমন আছে, তেমনই থাকবে। আমরা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আসনভিত্তিক সমন্বয় কমিটি করব। এতে ড্যাবের চিকিৎসকেরা কাজ করবেন।’
তিনি বলেন,‘ আমরা অভিযোগের তদন্ত করেছি। সাক্ষাৎকার নিয়েছি। সব কিছু বিশ্লেষণ করে ব্যবস্থা নেব।’
ড্যাবের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ শাখার স্থগিত কমিটির সভাপতি ডা. মিনহাজুর রহমান তারেক বলেন, আমি কুমিল্লা-৬ আসনে গত কয়েকমাস ধরে কাজ করছি। এখন কুমিল্লা ৮ ও ২ আসনে কাজ করব। ব্যক্তিগত উদ্যোগে এখন কাজ করছি। সঙ্গে কুমেক ড্যাবের সদস্যরা আছেন। কেন্দ্র যে সিদ্ধান্ত দেবে সে মোতাবেক কাজ করব।