কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
নিজস্ব প্রতিবেদক

আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগে প্রথমে বাধ্যতামূলক ছুটি প্রদান ও পরে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. মজিবুর রহমান মজুমদারকে। এরপর মজিবুর উচ্চ আদালতে যান। আদালত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন। একই সঙ্গে তাঁর সপ্তাহের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। এর ফলে মজিবুরের যোগদান করতে আর কোনো বাধা রইল না।
আগামীকাল মঙ্গলবার রেজিস্ট্রার মো. মজিবুর রহমান মজুমদার স্বপদে যোগদান করবেন। এর আগে গত বছরের ৩ মার্চ চার শর্তে তাঁকে বাধ্যতামূলক ছুটি দেওয়া হয়। এরপর তাঁকে সাময়িক চাকরিচ্যুতি করা হয়। পরে তিনি উচ্চ আদালতে যান। গত ২৩ জুন আদালত তাঁর পক্ষে রায় দেন। এরপর ২৮ জুন মজিবুর যোগদান করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেন। এতে তিনি ১ জুলাই থেকে যোগদান করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আদালতের নির্দেশনায় তাঁকে আগামীকাল মঙ্গলবার যোগদান করার জন্য বলেছেন।
রেজিস্ট্রার মো. মজিবুর রহমান মজুমদার বলেন, আদালত আমাকে ন্যায় বিচার করে দিয়েছেন। মঙ্গলবার যোগদান করব।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, মঙ্গলবার রেজিস্ট্রার মজিবুর রহমান মজুমদার যোগদান করবেন।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৭ সালের ২৫ অক্টোবর কুমিল্লা বিশ^বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার পদে যোগদান করেন মো. মজিবুর রহমান। ২০০৯ সালে অনিয়মের অভিযোগে তাঁকে রেজিস্ট্রারের পদ থেকে সরিয়ে দেন তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এইচ এম জেহাদুল করিম। এরপর ২০১৩ সালের নভেম্বর মাসে আদালতের নির্দেশে মেয়াদেও শেষ সময়ে তাঁকে যোগদান করান তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন খান। ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি উপাচার্য পদে যোগ দেন এমরান কবির চৌধুরী। তাঁর যোগদানের ২৭ দিনের ব্যবধানেই ২৭ ফেব্রæয়ারি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী তাঁকে রেজিস্ট্রারের পদ থেকে সরিয়ে লাইব্রেরিতে দায়িত্ব দেন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালের ৬ জুন ও ১৬ আগস্ট, ২০১৯ সালের ২২ সেপ্টেম্বর ,২০২০ সালের ১৯ মার্চ ও ২০২১ সালের ৪ অক্টোবর স্বপদে ফেরার আবেদন করেন মো. মজিবুর রহমান মজুমদার। কিন্তু রেজিস্ট্রার পদে ফিরতে পারেননি। গত বছরের আগস্ট মাসে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্কিত উপাচার্য এ এফ এম আব্দুল মঈন মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে পদত্যাগ করে চলে যান। যাওয়ার আগে মজিবুর কে রেজিস্ট্রার পদে বসিয়ে যান। গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে যোগদান করেন অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী। তিনিও তাঁকে ৩ মার্চ রেজিস্ট্রার পদ থেকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠান।
উল্লেখ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আইন -২০০৬ ধারা ১৩ মোতাবেক রেজিস্ট্রার সংবিধিবদ্ধ পদ।

আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগে প্রথমে বাধ্যতামূলক ছুটি প্রদান ও পরে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. মজিবুর রহমান মজুমদারকে। এরপর মজিবুর উচ্চ আদালতে যান। আদালত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন। একই সঙ্গে তাঁর সপ্তাহের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। এর ফলে মজিবুরের যোগদান করতে আর কোনো বাধা রইল না।
আগামীকাল মঙ্গলবার রেজিস্ট্রার মো. মজিবুর রহমান মজুমদার স্বপদে যোগদান করবেন। এর আগে গত বছরের ৩ মার্চ চার শর্তে তাঁকে বাধ্যতামূলক ছুটি দেওয়া হয়। এরপর তাঁকে সাময়িক চাকরিচ্যুতি করা হয়। পরে তিনি উচ্চ আদালতে যান। গত ২৩ জুন আদালত তাঁর পক্ষে রায় দেন। এরপর ২৮ জুন মজিবুর যোগদান করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেন। এতে তিনি ১ জুলাই থেকে যোগদান করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আদালতের নির্দেশনায় তাঁকে আগামীকাল মঙ্গলবার যোগদান করার জন্য বলেছেন।
রেজিস্ট্রার মো. মজিবুর রহমান মজুমদার বলেন, আদালত আমাকে ন্যায় বিচার করে দিয়েছেন। মঙ্গলবার যোগদান করব।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, মঙ্গলবার রেজিস্ট্রার মজিবুর রহমান মজুমদার যোগদান করবেন।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৭ সালের ২৫ অক্টোবর কুমিল্লা বিশ^বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার পদে যোগদান করেন মো. মজিবুর রহমান। ২০০৯ সালে অনিয়মের অভিযোগে তাঁকে রেজিস্ট্রারের পদ থেকে সরিয়ে দেন তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এইচ এম জেহাদুল করিম। এরপর ২০১৩ সালের নভেম্বর মাসে আদালতের নির্দেশে মেয়াদেও শেষ সময়ে তাঁকে যোগদান করান তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন খান। ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি উপাচার্য পদে যোগ দেন এমরান কবির চৌধুরী। তাঁর যোগদানের ২৭ দিনের ব্যবধানেই ২৭ ফেব্রæয়ারি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী তাঁকে রেজিস্ট্রারের পদ থেকে সরিয়ে লাইব্রেরিতে দায়িত্ব দেন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালের ৬ জুন ও ১৬ আগস্ট, ২০১৯ সালের ২২ সেপ্টেম্বর ,২০২০ সালের ১৯ মার্চ ও ২০২১ সালের ৪ অক্টোবর স্বপদে ফেরার আবেদন করেন মো. মজিবুর রহমান মজুমদার। কিন্তু রেজিস্ট্রার পদে ফিরতে পারেননি। গত বছরের আগস্ট মাসে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্কিত উপাচার্য এ এফ এম আব্দুল মঈন মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে পদত্যাগ করে চলে যান। যাওয়ার আগে মজিবুর কে রেজিস্ট্রার পদে বসিয়ে যান। গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে যোগদান করেন অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী। তিনিও তাঁকে ৩ মার্চ রেজিস্ট্রার পদ থেকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠান।
উল্লেখ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আইন -২০০৬ ধারা ১৩ মোতাবেক রেজিস্ট্রার সংবিধিবদ্ধ পদ।