• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> কুমিল্লা জেলা
> কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

অভিযোগ প্রত্যাহারের আবেদন

র‌্যাগিং ইস্যুতে দুই পক্ষের আপস

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১: ১০
logo

র‌্যাগিং ইস্যুতে দুই পক্ষের আপস

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

প্রকাশ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১: ১০
Photo

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয়-২৪ হলে র‌্যাগিংয়ের অভিযোগকারী শিক্ষার্থী আমির হোসেন অভিযোগটি প্রত্যাহারের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনে উল্লেখ করেন, বিষয়টি বিভাগীয়ভাবে সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে নিষ্পত্তি হওয়ায় তিনি তার দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করতে ইচ্ছুক।

গত বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী আমির হোসেন ও অভিযুক্ত তিন শিক্ষার্থীর (অন্তু, হাসান, রিয়াদ) স্বাক্ষরিত একটি আপসনামা প্রক্টর বরাবর জমা দেওয়া হয়। তবে সেদিন প্রক্টর অফিসের কার্যসময়ের সমাপ্তি হওয়ায় সেটি গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। পরে আজ রোববার প্রক্টর আনুষ্ঠানিকভাবে আপসনামাটি গ্রহণ করেন।

জানা যায়, গত ২০ আগস্ট কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আমির হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর একটি অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে তিনি একই বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের তিন শিক্ষার্থী অন্তু দাশ, মো. হাসান ও সরোয়ার সার্থক রিয়াদের বিরুদ্ধে রাতভর র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ করেন।

পরবর্তীতে অভিযোগপত্রের সঙ্গে উভয় পক্ষের স্বাক্ষরযুক্ত একটি আপসনামা জমা দেওয়া হয়। আপসনামায় অভিযোগকারী আমির হোসেন উল্লেখ করেন, ‘আমি উক্ত ঘটনার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি এবং আমার আচরণের কারণে অন্তু ভাই, রিয়াদ ভাই ও হাসান ভাই যে অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন, তার জন্য আমি ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’

আপসনামায় আরও উল্লেখ করা হয়, উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে উভয় পক্ষের কেউ পরস্পরের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের বিরূপ আচরণ, হয়রানি, হুমকি বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করবেন না। ভবিষ্যতে কোনো ধরনের ভুল-বোঝাবুঝির সৃষ্টি হলে শিক্ষক ও বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী তা শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।'

অভিযোগ প্রত্যাহারের বিষয়টি আমির হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের বিভাগীয় প্রধানের হস্তক্ষেপে দুই পক্ষ একসাথে বসে আমরা আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করেছি। যেহেতু একই বিভাগের সিনিয়র জুনিয়রের ঘটনা তাই আমি আর এই বিষয়টিকে বড় করতে চাচ্ছি না। প্রক্টর বরাবর করা অভিযোগপত্রটি প্রত্যাহারের জন্যও আমি আবেদন করেছি।’

এই ব্যাপারে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী অন্তু দাশ বলেন, ‘অভিযোগকারী শিক্ষার্থী আমির হোসেন আমার একই বিভাগের শিক্ষার্থী হওয়ায় বিভাগের শ্রদ্ধেয় বিভাগীয় প্রধান এবং ছাত্র উপদেষ্টা মহোদয় বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে তাঁদের নির্দেশনায় বিভাগীয় প্রধান, ছাত্র উপদেষ্টা এবং সিনিয়রদের উপস্থিতিতে আমরা একটি আলোচনা সভায় বসি।

উক্ত আলোচনায় আমির হোসেন নিজের ভুল স্বীকার করে নেয়। সে স্বীকার করে যে, পূর্বে তার বিরুদ্ধে ওঠা হুমকির অভিযোগকে ধামাচাপা দেওয়ার লক্ষ্যেই সে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ এনেছিল। একই সঙ্গে সে তার এমন কর্মকাÐের জন্য লিখিত ও মৌখিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে এবং ক্ষমা প্রার্থনা করে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং তার একাডেমিক জীবন যেন কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে কথা চিন্তা করে আমরা বিষয়টি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখে আপসে সম্মত হই।’

জিডি তুলে নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে অন্তু দাশ বলেন, ‘আমি দায়িত্বরত পুলিশ অফিসারকে আমাদের মধ্যকার আপসের সিদ্ধান্তটি জানিয়েছি। তবে, আমি এই মুহূর্তে জিডি প্রত্যাহার করে নিচ্ছি না। বিষয়টি পর্যবেক্ষণের জন্য আমি আরও কিছু সময় নিতে চাই। ভবিষ্যতে যখন আমি সম্পূর্ণ নিরাপদ বোধ করব, তখন জিডিটি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে নেব।’

অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. শামিমুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় দুই পক্ষের একসাথে বসে আলোচনা হয়েছে। আলোচনার প্রেক্ষিতে উভয়ে একমত পোষণ করেছে যে, পালটা পালটি অভিযোগ না করে নিজেদের মাধ্যমেই বিষয়টা সমাধান করা যেত। সেই অনুযায়ী তারা নিজেদের মধ্যে বিষয়টি সমাধান করে নিয়েছে।’

প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম বলেন, ‘তাদের আবেদনপত্র আমি পেয়েছি। উভয়পক্ষই আপসনামা জমা দিয়েছে। তারা নিজেদের ভুলত্রæটি স্বীকার করে ভবিষ্যতে এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ করবে না বলে জানিয়েছে। পরবর্তীতে কোনো অভিযোগ করা হলে প্রশাসন যে সিদ্ধান্ত নেবে, তা তারা মেনে নেবে।’

উল্লেখ্য, গত ২০ আগস্ট বিজয়-২৪ হলে আমির হোসেন তার বিভাগের তিন সিনিয়রের রিরুদ্ধে রাতভর র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ এনে প্রক্টর বরাবর অভিযোগ করেন।

Thumbnail image

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয়-২৪ হলে র‌্যাগিংয়ের অভিযোগকারী শিক্ষার্থী আমির হোসেন অভিযোগটি প্রত্যাহারের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনে উল্লেখ করেন, বিষয়টি বিভাগীয়ভাবে সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে নিষ্পত্তি হওয়ায় তিনি তার দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করতে ইচ্ছুক।

গত বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী আমির হোসেন ও অভিযুক্ত তিন শিক্ষার্থীর (অন্তু, হাসান, রিয়াদ) স্বাক্ষরিত একটি আপসনামা প্রক্টর বরাবর জমা দেওয়া হয়। তবে সেদিন প্রক্টর অফিসের কার্যসময়ের সমাপ্তি হওয়ায় সেটি গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। পরে আজ রোববার প্রক্টর আনুষ্ঠানিকভাবে আপসনামাটি গ্রহণ করেন।

জানা যায়, গত ২০ আগস্ট কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আমির হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর একটি অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে তিনি একই বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের তিন শিক্ষার্থী অন্তু দাশ, মো. হাসান ও সরোয়ার সার্থক রিয়াদের বিরুদ্ধে রাতভর র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ করেন।

পরবর্তীতে অভিযোগপত্রের সঙ্গে উভয় পক্ষের স্বাক্ষরযুক্ত একটি আপসনামা জমা দেওয়া হয়। আপসনামায় অভিযোগকারী আমির হোসেন উল্লেখ করেন, ‘আমি উক্ত ঘটনার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি এবং আমার আচরণের কারণে অন্তু ভাই, রিয়াদ ভাই ও হাসান ভাই যে অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন, তার জন্য আমি ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’

আপসনামায় আরও উল্লেখ করা হয়, উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে উভয় পক্ষের কেউ পরস্পরের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের বিরূপ আচরণ, হয়রানি, হুমকি বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করবেন না। ভবিষ্যতে কোনো ধরনের ভুল-বোঝাবুঝির সৃষ্টি হলে শিক্ষক ও বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী তা শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।'

অভিযোগ প্রত্যাহারের বিষয়টি আমির হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের বিভাগীয় প্রধানের হস্তক্ষেপে দুই পক্ষ একসাথে বসে আমরা আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করেছি। যেহেতু একই বিভাগের সিনিয়র জুনিয়রের ঘটনা তাই আমি আর এই বিষয়টিকে বড় করতে চাচ্ছি না। প্রক্টর বরাবর করা অভিযোগপত্রটি প্রত্যাহারের জন্যও আমি আবেদন করেছি।’

এই ব্যাপারে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী অন্তু দাশ বলেন, ‘অভিযোগকারী শিক্ষার্থী আমির হোসেন আমার একই বিভাগের শিক্ষার্থী হওয়ায় বিভাগের শ্রদ্ধেয় বিভাগীয় প্রধান এবং ছাত্র উপদেষ্টা মহোদয় বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে তাঁদের নির্দেশনায় বিভাগীয় প্রধান, ছাত্র উপদেষ্টা এবং সিনিয়রদের উপস্থিতিতে আমরা একটি আলোচনা সভায় বসি।

উক্ত আলোচনায় আমির হোসেন নিজের ভুল স্বীকার করে নেয়। সে স্বীকার করে যে, পূর্বে তার বিরুদ্ধে ওঠা হুমকির অভিযোগকে ধামাচাপা দেওয়ার লক্ষ্যেই সে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ এনেছিল। একই সঙ্গে সে তার এমন কর্মকাÐের জন্য লিখিত ও মৌখিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে এবং ক্ষমা প্রার্থনা করে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং তার একাডেমিক জীবন যেন কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে কথা চিন্তা করে আমরা বিষয়টি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখে আপসে সম্মত হই।’

জিডি তুলে নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে অন্তু দাশ বলেন, ‘আমি দায়িত্বরত পুলিশ অফিসারকে আমাদের মধ্যকার আপসের সিদ্ধান্তটি জানিয়েছি। তবে, আমি এই মুহূর্তে জিডি প্রত্যাহার করে নিচ্ছি না। বিষয়টি পর্যবেক্ষণের জন্য আমি আরও কিছু সময় নিতে চাই। ভবিষ্যতে যখন আমি সম্পূর্ণ নিরাপদ বোধ করব, তখন জিডিটি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে নেব।’

অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. শামিমুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় দুই পক্ষের একসাথে বসে আলোচনা হয়েছে। আলোচনার প্রেক্ষিতে উভয়ে একমত পোষণ করেছে যে, পালটা পালটি অভিযোগ না করে নিজেদের মাধ্যমেই বিষয়টা সমাধান করা যেত। সেই অনুযায়ী তারা নিজেদের মধ্যে বিষয়টি সমাধান করে নিয়েছে।’

প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম বলেন, ‘তাদের আবেদনপত্র আমি পেয়েছি। উভয়পক্ষই আপসনামা জমা দিয়েছে। তারা নিজেদের ভুলত্রæটি স্বীকার করে ভবিষ্যতে এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ করবে না বলে জানিয়েছে। পরবর্তীতে কোনো অভিযোগ করা হলে প্রশাসন যে সিদ্ধান্ত নেবে, তা তারা মেনে নেবে।’

উল্লেখ্য, গত ২০ আগস্ট বিজয়-২৪ হলে আমির হোসেন তার বিভাগের তিন সিনিয়রের রিরুদ্ধে রাতভর র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ এনে প্রক্টর বরাবর অভিযোগ করেন।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

র‌্যাগিং ইস্যুতে দুই পক্ষের আপস

২

খায়রুন্নেসাতে বিনামূল্যে ডায়াবেটিস নির্ণয়

৩

চিকিৎসক আলমগীরের রেডিওলজিতে ডিপ্লোমা ডিগ্রি অর্জন

৪

শ্রমিক সেজে বৃদ্ধাকে হত্যা, তিনজন গ্রেপ্তার

৫

হাসিনার বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ কুমিল্লা থেকেই শুরু হয়: আসিফ

সম্পর্কিত

খায়রুন্নেসাতে বিনামূল্যে ডায়াবেটিস নির্ণয়

খায়রুন্নেসাতে বিনামূল্যে ডায়াবেটিস নির্ণয়

১৯ ঘণ্টা আগে
চিকিৎসক আলমগীরের রেডিওলজিতে ডিপ্লোমা ডিগ্রি অর্জন

চিকিৎসক আলমগীরের রেডিওলজিতে ডিপ্লোমা ডিগ্রি অর্জন

২০ ঘণ্টা আগে
শ্রমিক সেজে বৃদ্ধাকে হত্যা, তিনজন গ্রেপ্তার

শ্রমিক সেজে বৃদ্ধাকে হত্যা, তিনজন গ্রেপ্তার

১ দিন আগে
হাসিনার বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ কুমিল্লা থেকেই শুরু হয়: আসিফ

হাসিনার বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ কুমিল্লা থেকেই শুরু হয়: আসিফ

২ দিন আগে