কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন কমিটি দিয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতারা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। গত মঙ্গলবার ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে নৃবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আমিনুর বিশ্বাসকে সভাপতি এবং ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী পার্থ সরকারকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশক্তির সংগঠক নাঈম ভূঁইয়া বলেন, যাদের হাতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রক্ত লেগে আছে, তারা ক্যাম্পাসে যতদিন জুলাই গণঅভ্যুত্থানপন্থী দল আছে ততদিন রাজনীতি করতে পারবে না। ছাত্রলীগের মতো একটি সন্ত্রাসী, জঙ্গি সংগঠন কিভাবে ক্যাম্পাসে কাজ করে, আমরা দেখে নেব। বর্তমান সরকারকে আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব এদের প্রতিহত করার জন্য।
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সংগঠক মারুফ শেখ বলেন, ছাত্ররাজনীতি করা প্রত্যেকের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার। দমন-পীড়ন বা নিষিদ্ধ করে কোনো সংগঠনকে স্থায়ীভাবে রাজনীতি থেকে দূরে রাখা যায় না। তবে গত ১৭ বছরে ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে দখলদারিত্ব, বিরোধী মত দমন, শিক্ষার্থী নির্যাতন এবং জুলাই অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার মাধ্যমে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ছাত্রলীগকে রাজনীতিতে ফিরতে হলে আগে তাদের অপরাধের বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোজ্জাম্মেল হোসেন আবির বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের ওপর সরাসরি হামলাকারী নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ তাদের কার্যক্রম দ্বারা প্রমাণিত সন্ত্রাসী। সন্ত্রাসীদের শিক্ষার্থীরা কখনো গ্রহণ করবে না। শিক্ষার্থীদের রক্ত যাদের হাত রঞ্জিত তাদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত তাদের প্রতিহত করা হবে, রাজনীতি তো অনেক দূর।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, ছাত্রলীগ একটি সন্ত্রাসী ছাত্রসংগঠন। এটা সরকার দ্বারা নিষিদ্ধ এবং এ সংগঠন শিক্ষার্থীদের জন্য হুমকিস্বরূপ। যাদের হাতে শিক্ষার্থীদের রক্ত লেগে আছে এ ধরনের সংগঠনের যে কমিটি ঘোষণা করেছে তা কুবি শিক্ষার্থীরা প্রত্যাখান করে। তাদেরকে কুবির মাঠিতে পা রাখতে দেওয়া হবে না। আগে তাদের বিচার হবে তারপর শিক্ষার্থীরা সিদ্ধান্ত নেবে তারা রাজনীতি করবে কিনা।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন কমিটি দিয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতারা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। গত মঙ্গলবার ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে নৃবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আমিনুর বিশ্বাসকে সভাপতি এবং ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী পার্থ সরকারকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশক্তির সংগঠক নাঈম ভূঁইয়া বলেন, যাদের হাতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রক্ত লেগে আছে, তারা ক্যাম্পাসে যতদিন জুলাই গণঅভ্যুত্থানপন্থী দল আছে ততদিন রাজনীতি করতে পারবে না। ছাত্রলীগের মতো একটি সন্ত্রাসী, জঙ্গি সংগঠন কিভাবে ক্যাম্পাসে কাজ করে, আমরা দেখে নেব। বর্তমান সরকারকে আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব এদের প্রতিহত করার জন্য।
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সংগঠক মারুফ শেখ বলেন, ছাত্ররাজনীতি করা প্রত্যেকের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার। দমন-পীড়ন বা নিষিদ্ধ করে কোনো সংগঠনকে স্থায়ীভাবে রাজনীতি থেকে দূরে রাখা যায় না। তবে গত ১৭ বছরে ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে দখলদারিত্ব, বিরোধী মত দমন, শিক্ষার্থী নির্যাতন এবং জুলাই অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার মাধ্যমে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ছাত্রলীগকে রাজনীতিতে ফিরতে হলে আগে তাদের অপরাধের বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোজ্জাম্মেল হোসেন আবির বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের ওপর সরাসরি হামলাকারী নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ তাদের কার্যক্রম দ্বারা প্রমাণিত সন্ত্রাসী। সন্ত্রাসীদের শিক্ষার্থীরা কখনো গ্রহণ করবে না। শিক্ষার্থীদের রক্ত যাদের হাত রঞ্জিত তাদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত তাদের প্রতিহত করা হবে, রাজনীতি তো অনেক দূর।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, ছাত্রলীগ একটি সন্ত্রাসী ছাত্রসংগঠন। এটা সরকার দ্বারা নিষিদ্ধ এবং এ সংগঠন শিক্ষার্থীদের জন্য হুমকিস্বরূপ। যাদের হাতে শিক্ষার্থীদের রক্ত লেগে আছে এ ধরনের সংগঠনের যে কমিটি ঘোষণা করেছে তা কুবি শিক্ষার্থীরা প্রত্যাখান করে। তাদেরকে কুবির মাঠিতে পা রাখতে দেওয়া হবে না। আগে তাদের বিচার হবে তারপর শিক্ষার্থীরা সিদ্ধান্ত নেবে তারা রাজনীতি করবে কিনা।