দাউদকান্দি প্রতিনিধি

আদর্শ ও উন্নত দাউদকান্দি গড়ার প্রত্যয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা করে মাঠে নেমেছেন কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মো. আসিফ কবির। তরুণ এই নেতার সক্রিয় প্রচার-প্রচারণা, সুস্পষ্ট পরিকল্পনা এবং জনমুখী অঙ্গীকার ইতোমধ্যে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
প্রচারণার শুরু থেকেই আসিফ কবির নিজেকে ভিন্নধর্মী প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরছেন। তিনি বারবার বলছেন, ক্ষমতা নয়-মানুষের সেবাই তাঁর মূল লক্ষ্য। ভোটারদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও আস্থাই তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি, যা নিয়ে তিনি দাউদকান্দির উন্নয়নে কাজ করতে চান।
‘কথা নয়, কাজে হবে পরিচয়; জনগণ থাকলে পাশে নিশ্চিত হবে জয়’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে তিনি ছয়টি অঙ্গীকার তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে রয়েছে সাধারণ মানুষের পাশে থাকা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন জোরদার করা।
এছাড়া ইতোমধ্যে সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমেও নিজেকে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন আসিফ কবির। এর আগে গৌরীপুর বাজারে জমে থাকা দীর্ঘদিনের ময়লা পরিষ্কারের উদ্যোগ নিয়ে তিনি স্থানীয়ভাবে প্রশংসা কুড়ান। তাঁর এই উদ্যোগকে অনেকেই জনস্বার্থে কার্যকর ও বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
বর্তমানে দাউদকান্দির অন্যতম বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দিচ্ছে নির্দিষ্ট বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাব। বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন এই তরুণ প্রার্থী। তিনি একটি আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র স্থাপনের দাবি তুলে ধরেছেন। তাঁর প্রস্তাব অনুযায়ী, অন্তত দুই একর জমি অধিগ্রহণ করে সেখানে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে ময়লা ব্যবস্থাপনার ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি বলে মনে করছেন তিনি।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তরুণদের মধ্যে আসিফ কবিরের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। অনেকেই তাঁকে পরিকল্পনামাফিক কাজ করতে সক্ষম এবং মানবিক নেতৃত্ব হিসেবে দেখছেন। সচেতন ভোটারদের একটি অংশ মনে করছেন, নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বই দাউদকান্দিকে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে পারে।
সবশেষে আসিফ কবির বলেন, জনগণের সমর্থন পেলে তিনি দাউদকান্দিকে একটি পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও মানবিক জনপদে রূপান্তর করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। তাঁর মতে, সম্মিলিত উদ্যোগ এবং সচেতন নাগরিকদের অংশগ্রহণই পারে একটি আদর্শ দাউদকান্দি গড়ে তুলতে।

আদর্শ ও উন্নত দাউদকান্দি গড়ার প্রত্যয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা করে মাঠে নেমেছেন কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মো. আসিফ কবির। তরুণ এই নেতার সক্রিয় প্রচার-প্রচারণা, সুস্পষ্ট পরিকল্পনা এবং জনমুখী অঙ্গীকার ইতোমধ্যে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
প্রচারণার শুরু থেকেই আসিফ কবির নিজেকে ভিন্নধর্মী প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরছেন। তিনি বারবার বলছেন, ক্ষমতা নয়-মানুষের সেবাই তাঁর মূল লক্ষ্য। ভোটারদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও আস্থাই তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি, যা নিয়ে তিনি দাউদকান্দির উন্নয়নে কাজ করতে চান।
‘কথা নয়, কাজে হবে পরিচয়; জনগণ থাকলে পাশে নিশ্চিত হবে জয়’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে তিনি ছয়টি অঙ্গীকার তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে রয়েছে সাধারণ মানুষের পাশে থাকা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন জোরদার করা।
এছাড়া ইতোমধ্যে সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমেও নিজেকে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন আসিফ কবির। এর আগে গৌরীপুর বাজারে জমে থাকা দীর্ঘদিনের ময়লা পরিষ্কারের উদ্যোগ নিয়ে তিনি স্থানীয়ভাবে প্রশংসা কুড়ান। তাঁর এই উদ্যোগকে অনেকেই জনস্বার্থে কার্যকর ও বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
বর্তমানে দাউদকান্দির অন্যতম বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দিচ্ছে নির্দিষ্ট বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাব। বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন এই তরুণ প্রার্থী। তিনি একটি আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র স্থাপনের দাবি তুলে ধরেছেন। তাঁর প্রস্তাব অনুযায়ী, অন্তত দুই একর জমি অধিগ্রহণ করে সেখানে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে ময়লা ব্যবস্থাপনার ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি বলে মনে করছেন তিনি।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তরুণদের মধ্যে আসিফ কবিরের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। অনেকেই তাঁকে পরিকল্পনামাফিক কাজ করতে সক্ষম এবং মানবিক নেতৃত্ব হিসেবে দেখছেন। সচেতন ভোটারদের একটি অংশ মনে করছেন, নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বই দাউদকান্দিকে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে পারে।
সবশেষে আসিফ কবির বলেন, জনগণের সমর্থন পেলে তিনি দাউদকান্দিকে একটি পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও মানবিক জনপদে রূপান্তর করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। তাঁর মতে, সম্মিলিত উদ্যোগ এবং সচেতন নাগরিকদের অংশগ্রহণই পারে একটি আদর্শ দাউদকান্দি গড়ে তুলতে।