নিজস্ব প্রতিবেদক

দাউদকান্দি ও তিতাস উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা-১ নির্বাচনী এলাকা এবং হোমনা ও তিতাস উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা-২ নির্বাচনী এলাকা করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ২৪ ঘন্টার মধ্যে নির্বাচনী গেজেট প্রকাশ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। গত সংসদ নির্বাচনের সীমানা পুনর্বহাল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, দাউদকান্দি-তিতাস উপজেলার পরিবর্তে দাউদকান্দি-মেঘনা উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা-১ সংসদীয় আসন এবং হোমনা-মেঘনা উপজেলার পরিবর্তে হোমনা-তিতাস উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা-২ আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ-সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) গেজেটের অংশবিশেষ আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।
এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. হামিদুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার এ রায় দেন।
রিট আবেদনকারী পক্ষ জানায়, ২০২৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় কুমিল্লা-১ আসন ছিল দাউদকান্দি ও তিতাস উপজেলা নিয়ে। আর হোমনা-মেঘনা উপজেলা নিয়ে ছিল কুমিল্লা-২ আসন। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর সীমানা পুনর্নির্ধারণ-সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করে। তাতে দাউদকান্দি ও মেঘনা উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা-১ আসন এবং হোমনা ও তিতাস উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা-২ সংসদীয় আসন পুনর্নির্ধারণ করা হয়।
গেজেটের এ-সংক্রান্ত অংশবিশেষের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হোমনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিনসহ ছয় ব্যক্তি গত বছর রিট করেন। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রুল দেন। এ মামলায় বিবাদী হিসেবে যুক্ত হন কুমিল্লা-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এ এম মতিন ও মেঘনা উপজেলার বাসিন্দা এম এ মিজানুর নামের এক ব্যক্তি। চূড়ান্ত শুনানি শেষে রুল অ্যাবসলিউট (যথাযথ) ঘোষণা করে গতকাল রায় দেওয়া হয়।
আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক ও আইনজীবী সাইফুল ইসলাম উজ্জ্বল। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে আইনজীবী কামাল হোসেন মিয়াজী শুনানি করেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ দুই ব্যক্তির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন ও আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।
রায়ের পর জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক প্রথম আলোকে বলেন, কুমিল্লা-১ আসন থেকে মেঘনা উপজেলা বাদ দিয়ে কুমিল্লা-২ আসনে অন্তর্ভুক্ত করতে এবং কুমিল্লা-২ আসন থেকে তিতাস উপজেলা বাদ দিয়ে কুমিল্লা-১ আসনে যুক্ত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইসিকে গেজেট প্রকাশ করতে বলা হয়েছে। ফলে ২০২৪ সালের অর্থাৎ আগের সীমানায় আসন দুটিতে ভোট হবে।
ইসির আইনজীবী কামাল হোসেন মিয়াজী বলেন, রায়ের বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে ইসি পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করবে।
আদালতের এই রায়ে খুশি কুমিল্লা-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও কুমিল্লা-২ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া।

দাউদকান্দি ও তিতাস উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা-১ নির্বাচনী এলাকা এবং হোমনা ও তিতাস উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা-২ নির্বাচনী এলাকা করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ২৪ ঘন্টার মধ্যে নির্বাচনী গেজেট প্রকাশ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। গত সংসদ নির্বাচনের সীমানা পুনর্বহাল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, দাউদকান্দি-তিতাস উপজেলার পরিবর্তে দাউদকান্দি-মেঘনা উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা-১ সংসদীয় আসন এবং হোমনা-মেঘনা উপজেলার পরিবর্তে হোমনা-তিতাস উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা-২ আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ-সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) গেজেটের অংশবিশেষ আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।
এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. হামিদুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার এ রায় দেন।
রিট আবেদনকারী পক্ষ জানায়, ২০২৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় কুমিল্লা-১ আসন ছিল দাউদকান্দি ও তিতাস উপজেলা নিয়ে। আর হোমনা-মেঘনা উপজেলা নিয়ে ছিল কুমিল্লা-২ আসন। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর সীমানা পুনর্নির্ধারণ-সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করে। তাতে দাউদকান্দি ও মেঘনা উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা-১ আসন এবং হোমনা ও তিতাস উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা-২ সংসদীয় আসন পুনর্নির্ধারণ করা হয়।
গেজেটের এ-সংক্রান্ত অংশবিশেষের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হোমনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিনসহ ছয় ব্যক্তি গত বছর রিট করেন। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রুল দেন। এ মামলায় বিবাদী হিসেবে যুক্ত হন কুমিল্লা-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এ এম মতিন ও মেঘনা উপজেলার বাসিন্দা এম এ মিজানুর নামের এক ব্যক্তি। চূড়ান্ত শুনানি শেষে রুল অ্যাবসলিউট (যথাযথ) ঘোষণা করে গতকাল রায় দেওয়া হয়।
আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক ও আইনজীবী সাইফুল ইসলাম উজ্জ্বল। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে আইনজীবী কামাল হোসেন মিয়াজী শুনানি করেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ দুই ব্যক্তির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন ও আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।
রায়ের পর জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক প্রথম আলোকে বলেন, কুমিল্লা-১ আসন থেকে মেঘনা উপজেলা বাদ দিয়ে কুমিল্লা-২ আসনে অন্তর্ভুক্ত করতে এবং কুমিল্লা-২ আসন থেকে তিতাস উপজেলা বাদ দিয়ে কুমিল্লা-১ আসনে যুক্ত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইসিকে গেজেট প্রকাশ করতে বলা হয়েছে। ফলে ২০২৪ সালের অর্থাৎ আগের সীমানায় আসন দুটিতে ভোট হবে।
ইসির আইনজীবী কামাল হোসেন মিয়াজী বলেন, রায়ের বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে ইসি পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করবে।
আদালতের এই রায়ে খুশি কুমিল্লা-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও কুমিল্লা-২ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া।