দাউদকান্দি প্রতিনিধি

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে পৃথক অভিযানে ৬ কেজি গাঁজা ও ৪১টি ইয়াবা ট্যাবলেটসহ চারজন এবং ডাকাতির প্রস্তুতির মামলায় একজনসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে দাউদকান্দি মডেল থানার পুলিশ। গতকাল শনিবার ও আজ রোববার আগস্ট উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান চালানো হয়।
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলামের দিকনির্দেশনা ও নেতৃত্বে অভিযানগুলো পরিচালিত হয়। আজ দুপুরে থানার সেকেন্ড অফিসার এহসানুল হাসান প্রেস রিলিজের মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, ১৫ আগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মেঘনা-গোমতী সেতুর টোলপ্লাজার প্রায় ৩০০ গজ পশ্চিমে ঢাকামুখী লেনে চেকপোস্ট বসিয়ে ৬ কেজি গাঁজাসহ মো. শুভ বেপারী ওরফে আবুল হোসেনকে (২৪) গ্রেপ্তার করেন এসআই মধু সুদন মজুমদার ও তাঁর সঙ্গীয় ফোর্স। একই দিন দুপুর ২টার দিকে সবজিকান্দি এলাকা থেকে ৩০টি ইয়াবাসহ জজ মিয়া (৪৫) ও আনোয়ারা বেগমকে (৫০) গ্রেপ্তার করেন এসআই কমুর কৃষ্ণ মজুমদার ও তাঁর সঙ্গীয় ফোর্স।
এ ছাড়া গতকাল রাত ১টার দিকে দাউদকান্দির সুন্দলপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর মিজান মার্কেটের তৌহসিন মেডিকেল হল ফার্মেসির সামনে থেকে ১১টি ইয়াবাসহ মো. আমিরকে (২৬) গ্রেপ্তার করেন এসআই ইসমাইল হোসেন ও তাঁর সঙ্গীয় ফোর্স। একই সময়ে দাউদকান্দি পৌরসভা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতির মামলায় মো. গোলাম মোর্শেদকে (২৪) গ্রেপ্তার করেন ইন্সপেক্টর সামছুল আলম ও তাঁর সঙ্গীয় ফোর্স।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে শুভ বেপারী পটুয়াখালীর বাউফল থানার কেশবপুর এলাকার বাসিন্দা এবং বর্তমানে ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে বসবাস করেন। জজ মিয়া ও আনোয়ারা বেগম দাউদকান্দির সবজিকান্দি এলাকার বাসিন্দা। আমির দাউদকান্দির হাসানপুর এলাকার বাসিন্দা। গোলাম মোর্শেদ কুমিল্লার চান্দিনা থানার বরকইট ইউনিয়নের লতিফপুরের বাসিন্দা এবং বর্তমানে দাউদকান্দিতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করেন।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় তিনটি মামলা করা হয়েছে। গোলাম মোর্শেদকে দাউদকান্দি থানার ডাকাতির প্রস্তুতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পরে গ্রেপ্তার পাঁচজনকে সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে পৃথক অভিযানে ৬ কেজি গাঁজা ও ৪১টি ইয়াবা ট্যাবলেটসহ চারজন এবং ডাকাতির প্রস্তুতির মামলায় একজনসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে দাউদকান্দি মডেল থানার পুলিশ। গতকাল শনিবার ও আজ রোববার আগস্ট উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান চালানো হয়।
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলামের দিকনির্দেশনা ও নেতৃত্বে অভিযানগুলো পরিচালিত হয়। আজ দুপুরে থানার সেকেন্ড অফিসার এহসানুল হাসান প্রেস রিলিজের মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, ১৫ আগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মেঘনা-গোমতী সেতুর টোলপ্লাজার প্রায় ৩০০ গজ পশ্চিমে ঢাকামুখী লেনে চেকপোস্ট বসিয়ে ৬ কেজি গাঁজাসহ মো. শুভ বেপারী ওরফে আবুল হোসেনকে (২৪) গ্রেপ্তার করেন এসআই মধু সুদন মজুমদার ও তাঁর সঙ্গীয় ফোর্স। একই দিন দুপুর ২টার দিকে সবজিকান্দি এলাকা থেকে ৩০টি ইয়াবাসহ জজ মিয়া (৪৫) ও আনোয়ারা বেগমকে (৫০) গ্রেপ্তার করেন এসআই কমুর কৃষ্ণ মজুমদার ও তাঁর সঙ্গীয় ফোর্স।
এ ছাড়া গতকাল রাত ১টার দিকে দাউদকান্দির সুন্দলপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর মিজান মার্কেটের তৌহসিন মেডিকেল হল ফার্মেসির সামনে থেকে ১১টি ইয়াবাসহ মো. আমিরকে (২৬) গ্রেপ্তার করেন এসআই ইসমাইল হোসেন ও তাঁর সঙ্গীয় ফোর্স। একই সময়ে দাউদকান্দি পৌরসভা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতির মামলায় মো. গোলাম মোর্শেদকে (২৪) গ্রেপ্তার করেন ইন্সপেক্টর সামছুল আলম ও তাঁর সঙ্গীয় ফোর্স।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে শুভ বেপারী পটুয়াখালীর বাউফল থানার কেশবপুর এলাকার বাসিন্দা এবং বর্তমানে ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে বসবাস করেন। জজ মিয়া ও আনোয়ারা বেগম দাউদকান্দির সবজিকান্দি এলাকার বাসিন্দা। আমির দাউদকান্দির হাসানপুর এলাকার বাসিন্দা। গোলাম মোর্শেদ কুমিল্লার চান্দিনা থানার বরকইট ইউনিয়নের লতিফপুরের বাসিন্দা এবং বর্তমানে দাউদকান্দিতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করেন।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় তিনটি মামলা করা হয়েছে। গোলাম মোর্শেদকে দাউদকান্দি থানার ডাকাতির প্রস্তুতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পরে গ্রেপ্তার পাঁচজনকে সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।