দেবীদ্বার প্রতিনিধি

দেবীদ্বারে ক্যানসারে আক্রান্ত ৩৮ জনকে অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া তাঁদের মাঝে ওষুধি গাছ ও ফল বিতরণ করা হয়। আজ শুক্রবার বিকেল তিনটায় দেবীদ্বার সুজাত আলী সরকারি কলেজ মিলনায়তনে আয়েজিত রেইজ ইয়োর হ্যান্ডস ফর নিডস ক্যানসার পেশেন্টস গ্রæপের উদ্যোগে এবং দেবীদ্বার উপজেলা জনকল্যাণ সংঘের সহযোগিতায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এ দেবীদ্বার সুজাত আলী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজ বলেন, ক্যানসার রোগীদের শুধু ওষুধের প্রয়োজন হয় না, তাদের প্রয়োজন মানসিক শক্তি ও সামাজিক সমর্থন। প্রফেসর ড. জেসমিন পারভীন সিমা নিজেই ক্যানসারে আক্রান্ত। তার অভিজ্ঞতার আলোকে এই মানবিক উদ্যোগ কেবল আর্থিক সহায়তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি এই অসহায় পরিবারগুলোকে বেঁচে থাকার নতুন আশা জোগাবে।
তিনি বলেন, ক্যানসার মানেই কেবল অবর্ণনীয় শারীরিক কষ্ট নয়, একটি মধ্যবিত্ত বা দরিদ্র পরিবারের জন্য এক চরম অর্থনৈতিক বিপর্যয়। চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে গিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়া এমন ৩৮ জন অসহায় ও দরিদ্র ক্যান্সার রোগীর পাশে দাঁড়িয়েছে এক অনন্য মানবিক উদ্যোগ।
তিনি আরো বলেন, আপনারা নিজেদেরকে রোগী ভাববেন না, আপনারা আপনাদের যোদ্ধা ভাববেন, তা হলে ড. জেসমিন পারভীনের মতো সুস্থ্য জীবন যাপনের সুযোগ পাবেন।
ঢাকা বাংলা সরকারি কলেজের প্রফেসর ড. জেসমিন পারভীন সীমার সভাপতিত্বে এবং মো. সফিউল্লাহ সোহাগের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা বরুণ চন্দ্র দে, বিশিষ্ট বিশিষ্ট রাজনীতিক, সমাজ সেবক মো. আনোয়ার হোসেন ভুলু পাঠান, দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার প্রমুখ। এ অনুষ্ঠানে ক্যানসার বিষয়ে সচেতনতামূলক বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন ডা. মো. আল আমিন, ডা. মো. সাহেদ কামাল।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ৩৮ জন (গলা ও ফুসফুসের ক্যান্সার, স্তন ও জরায়ু ক্যানসার, ব্লাড ও ব্রেন ক্যানসারসহ বিভিন্ন ক্যানসারে আক্রান্ত) রোগীদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে ক্যান্সার সচেতনতামূলক বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া, দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা চিন্তা করে তাদের মাঝে ক্যান্সার প্রতিরোধী ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী বিভিন্ন ভেষজ ও ঔষধি গাছের চারা এবং নানা ফল ও সবজির বীজ বিতরণ করা হয়। কীভাবে এ গাছগুলোর যতœ নিতে হবে এবং দৈনন্দিন জীবনে এগুলো ব্যবহার করা যাবে, সে বিষয়েও রোগীদের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা বাংলা কলেজের মৃত্তিকা বিভাগের অধ্যাপক ড. জেসমিন পারভীন সীমা অত্যন্ত আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, আমি নিজেও একজন ক্যানসারে আক্রান্ত। অভিজ্ঞতা থেকে এখন সমাজের প্রতি আমার ক্ষুদ্র দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করেছি মাত্র। এই মানুষগুলোর মুখে একটু হাসি ফোটাতে পারা এবং তাদের লড়াইয়ে শামিল হতে পারাই আমার সবচেয়ে বড় সার্থকতা। সমাজের সামর্থ্যবান প্রত্যেকে যদি এভাবে এগিয়ে আসেন, তবে কোনো ক্যানসার রোগী নিজেকে একা ভাববেন না।

দেবীদ্বারে ক্যানসারে আক্রান্ত ৩৮ জনকে অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া তাঁদের মাঝে ওষুধি গাছ ও ফল বিতরণ করা হয়। আজ শুক্রবার বিকেল তিনটায় দেবীদ্বার সুজাত আলী সরকারি কলেজ মিলনায়তনে আয়েজিত রেইজ ইয়োর হ্যান্ডস ফর নিডস ক্যানসার পেশেন্টস গ্রæপের উদ্যোগে এবং দেবীদ্বার উপজেলা জনকল্যাণ সংঘের সহযোগিতায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এ দেবীদ্বার সুজাত আলী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজ বলেন, ক্যানসার রোগীদের শুধু ওষুধের প্রয়োজন হয় না, তাদের প্রয়োজন মানসিক শক্তি ও সামাজিক সমর্থন। প্রফেসর ড. জেসমিন পারভীন সিমা নিজেই ক্যানসারে আক্রান্ত। তার অভিজ্ঞতার আলোকে এই মানবিক উদ্যোগ কেবল আর্থিক সহায়তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি এই অসহায় পরিবারগুলোকে বেঁচে থাকার নতুন আশা জোগাবে।
তিনি বলেন, ক্যানসার মানেই কেবল অবর্ণনীয় শারীরিক কষ্ট নয়, একটি মধ্যবিত্ত বা দরিদ্র পরিবারের জন্য এক চরম অর্থনৈতিক বিপর্যয়। চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে গিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়া এমন ৩৮ জন অসহায় ও দরিদ্র ক্যান্সার রোগীর পাশে দাঁড়িয়েছে এক অনন্য মানবিক উদ্যোগ।
তিনি আরো বলেন, আপনারা নিজেদেরকে রোগী ভাববেন না, আপনারা আপনাদের যোদ্ধা ভাববেন, তা হলে ড. জেসমিন পারভীনের মতো সুস্থ্য জীবন যাপনের সুযোগ পাবেন।
ঢাকা বাংলা সরকারি কলেজের প্রফেসর ড. জেসমিন পারভীন সীমার সভাপতিত্বে এবং মো. সফিউল্লাহ সোহাগের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা বরুণ চন্দ্র দে, বিশিষ্ট বিশিষ্ট রাজনীতিক, সমাজ সেবক মো. আনোয়ার হোসেন ভুলু পাঠান, দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার প্রমুখ। এ অনুষ্ঠানে ক্যানসার বিষয়ে সচেতনতামূলক বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন ডা. মো. আল আমিন, ডা. মো. সাহেদ কামাল।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ৩৮ জন (গলা ও ফুসফুসের ক্যান্সার, স্তন ও জরায়ু ক্যানসার, ব্লাড ও ব্রেন ক্যানসারসহ বিভিন্ন ক্যানসারে আক্রান্ত) রোগীদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে ক্যান্সার সচেতনতামূলক বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া, দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা চিন্তা করে তাদের মাঝে ক্যান্সার প্রতিরোধী ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী বিভিন্ন ভেষজ ও ঔষধি গাছের চারা এবং নানা ফল ও সবজির বীজ বিতরণ করা হয়। কীভাবে এ গাছগুলোর যতœ নিতে হবে এবং দৈনন্দিন জীবনে এগুলো ব্যবহার করা যাবে, সে বিষয়েও রোগীদের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা বাংলা কলেজের মৃত্তিকা বিভাগের অধ্যাপক ড. জেসমিন পারভীন সীমা অত্যন্ত আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, আমি নিজেও একজন ক্যানসারে আক্রান্ত। অভিজ্ঞতা থেকে এখন সমাজের প্রতি আমার ক্ষুদ্র দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করেছি মাত্র। এই মানুষগুলোর মুখে একটু হাসি ফোটাতে পারা এবং তাদের লড়াইয়ে শামিল হতে পারাই আমার সবচেয়ে বড় সার্থকতা। সমাজের সামর্থ্যবান প্রত্যেকে যদি এভাবে এগিয়ে আসেন, তবে কোনো ক্যানসার রোগী নিজেকে একা ভাববেন না।