ইউপি সচিবকে পিটিয়ে আহত
দেবীদ্বার প্রতিনিধি

দেবীদ্বারে এক ইউপি সচিবকে পিটিয়ে আহত করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় চেয়ার, টেবিল, আসবাবপত্র ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আজ সোমবার সকাল ১০ টায় উপজেলার ৬ নং ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে দেবীদ্বার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ইউপি সচিবকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা দেয়ার ব্যবস্থা করে। ওই ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
স্থানীয়রা আরো জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের পর ৫ আগস্ট ফতেহাবাদ ইউপি চেয়ারমান্যান ও আ.লীগ ইউনিয়ন সেক্রেটারি কামরুজ্জামান মাসুদ দুধ দিয়ে গোসল করে আওয়ামী লীগ ছাড়ার ঘোষণা দেন এবং একই সময়ে রুবেল হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি হয়ে তিনি দির্ঘদিন পলাতক থাকেন। এসময় তিনি শারীরিক অসুস্থ্তা দেখিয়ে ৩ মাসের ছুটি নিয়ে ইউপি সদস্য মো. সালাউদ্দিন রুহুল ওরফে রুহুল আমিনকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেন।
পরে হত্যা মামলায় হাই কোর্ট থেকে ৮ সপ্তাহের জামিনে এসে নিম্ন আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। প্রায় একমাস পূর্বে হাইকোর্ট থেকে আবারো জামিনে আসেন। পরে বিভাগীয় কমিশনারের বরাবরে আবেদন করে চেয়ারম্যান পদ ফিরে পান। আজ সোমবার দায়িত্ব বুঝে নেয়ার কথা ছিল।
বর্তমানে দায়িত্বরত ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারমান্যান মো. সালাহউদ্দিন রুহুল জানান, রোববার দেবীদ্বার ইউএনও অফিস থেকে বিভাগীয় কমিশনারের নির্দেশে ফতেহাবাদ ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জান মাসুদকে তার হস্তান্তরকৃত চেয়ারম্যান পদ পুনর্বহালের ব্যাপারে কল আসে। তাই প্রশাসনের নির্দেশে আমি দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে গত রাত সমস্ত কাগজ পত্র প্রস্তুত করে রাখি। সোমবার দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়ার কথা ছিল। ওই সংবাদে বিএনপি, জামাত, এনসিপির কয়েকশত বিক্ষুব্ধ জনতা নানা শ্লোগান দিয়ে ইউপি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়। এসময় একদল লোক হঠাৎ ইউপি সচিবের কার্যালয়ে ঢুকে সচিবের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে সচিবকে চেয়ার দিয়ে পিটিয়ে কিল, ঘুষি মেরে মারধর করে পরনের শার্ট ছিঁড়ে আহত করে।
এ ব্যাপারে ঘটনাস্থলে থাকা যুব অধিকার পরিষদ কুমিল্লা উত্তর জেলা যুগ্ম সম্পাদক মো. রাসেল হোসেন বেগ জানান, জুলাই আন্দোলনের খুনি আওয়ামী লীগ নেতা ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মাসুদ রাজনৈতিক প্রভাবে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ফিরে পান, যা কোনোভাবেই জুলাই যোদ্ধারা মানতে রাজি নন। ইউপি সচিব কেন খুনি চেয়ারম্যানের বাড়িতে গেল, তার জন্য তাকে মারধর করে। আমি না থাকলে বড়ধরনের ঘটনা ঘটত।
এ ব্যাপারে ইউপি সচিব আবু হানিফ রানা ও ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মাসুদের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করেও কথা বলা যায়নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অশোক বিক্রম চাকমা বলেন, ইউপি সচিবের উপর হামলার অভিযোগে- কয়েকজন হামলাকারীর নাম উল্লেখ করে থানায় একটি এজাহার দিয়েছি, সাথে ঘটনার সময় তোলা ভিডিও ফুটেজ ও ছবিসহ থানায় দেওয়া আছে। বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক ও এসপি মহোদয়কে লিখিতভাবে জানিয়েছি।
দেবীদ্বার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, মাসুদ চেয়ারম্যান দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়টি জেনেই আমরা নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশের উপস্থিতি জোরদার করে রেখেছিলাম। ইউপি সচিবের ওপর হামলার ঘটনার সময় পুলিশ একটু দূরে অবস্থান করছিল। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সচিবকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। আমরা তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।

দেবীদ্বারে এক ইউপি সচিবকে পিটিয়ে আহত করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় চেয়ার, টেবিল, আসবাবপত্র ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আজ সোমবার সকাল ১০ টায় উপজেলার ৬ নং ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে দেবীদ্বার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ইউপি সচিবকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা দেয়ার ব্যবস্থা করে। ওই ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
স্থানীয়রা আরো জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের পর ৫ আগস্ট ফতেহাবাদ ইউপি চেয়ারমান্যান ও আ.লীগ ইউনিয়ন সেক্রেটারি কামরুজ্জামান মাসুদ দুধ দিয়ে গোসল করে আওয়ামী লীগ ছাড়ার ঘোষণা দেন এবং একই সময়ে রুবেল হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি হয়ে তিনি দির্ঘদিন পলাতক থাকেন। এসময় তিনি শারীরিক অসুস্থ্তা দেখিয়ে ৩ মাসের ছুটি নিয়ে ইউপি সদস্য মো. সালাউদ্দিন রুহুল ওরফে রুহুল আমিনকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেন।
পরে হত্যা মামলায় হাই কোর্ট থেকে ৮ সপ্তাহের জামিনে এসে নিম্ন আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। প্রায় একমাস পূর্বে হাইকোর্ট থেকে আবারো জামিনে আসেন। পরে বিভাগীয় কমিশনারের বরাবরে আবেদন করে চেয়ারম্যান পদ ফিরে পান। আজ সোমবার দায়িত্ব বুঝে নেয়ার কথা ছিল।
বর্তমানে দায়িত্বরত ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারমান্যান মো. সালাহউদ্দিন রুহুল জানান, রোববার দেবীদ্বার ইউএনও অফিস থেকে বিভাগীয় কমিশনারের নির্দেশে ফতেহাবাদ ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জান মাসুদকে তার হস্তান্তরকৃত চেয়ারম্যান পদ পুনর্বহালের ব্যাপারে কল আসে। তাই প্রশাসনের নির্দেশে আমি দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে গত রাত সমস্ত কাগজ পত্র প্রস্তুত করে রাখি। সোমবার দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়ার কথা ছিল। ওই সংবাদে বিএনপি, জামাত, এনসিপির কয়েকশত বিক্ষুব্ধ জনতা নানা শ্লোগান দিয়ে ইউপি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়। এসময় একদল লোক হঠাৎ ইউপি সচিবের কার্যালয়ে ঢুকে সচিবের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে সচিবকে চেয়ার দিয়ে পিটিয়ে কিল, ঘুষি মেরে মারধর করে পরনের শার্ট ছিঁড়ে আহত করে।
এ ব্যাপারে ঘটনাস্থলে থাকা যুব অধিকার পরিষদ কুমিল্লা উত্তর জেলা যুগ্ম সম্পাদক মো. রাসেল হোসেন বেগ জানান, জুলাই আন্দোলনের খুনি আওয়ামী লীগ নেতা ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মাসুদ রাজনৈতিক প্রভাবে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ফিরে পান, যা কোনোভাবেই জুলাই যোদ্ধারা মানতে রাজি নন। ইউপি সচিব কেন খুনি চেয়ারম্যানের বাড়িতে গেল, তার জন্য তাকে মারধর করে। আমি না থাকলে বড়ধরনের ঘটনা ঘটত।
এ ব্যাপারে ইউপি সচিব আবু হানিফ রানা ও ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মাসুদের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করেও কথা বলা যায়নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অশোক বিক্রম চাকমা বলেন, ইউপি সচিবের উপর হামলার অভিযোগে- কয়েকজন হামলাকারীর নাম উল্লেখ করে থানায় একটি এজাহার দিয়েছি, সাথে ঘটনার সময় তোলা ভিডিও ফুটেজ ও ছবিসহ থানায় দেওয়া আছে। বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক ও এসপি মহোদয়কে লিখিতভাবে জানিয়েছি।
দেবীদ্বার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, মাসুদ চেয়ারম্যান দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়টি জেনেই আমরা নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশের উপস্থিতি জোরদার করে রেখেছিলাম। ইউপি সচিবের ওপর হামলার ঘটনার সময় পুলিশ একটু দূরে অবস্থান করছিল। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সচিবকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। আমরা তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।