নিজস্ব প্রতিবেদক

ঋনখেলাপির কারণে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী নির্বাচন করতে না পারায় কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে গণ অধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী মো. আ. জসিম উদ্দিনকে বেছে নিয়েছে বিএনপি। তাঁর পক্ষে সমর্থনও দিয়েছে বিএনপি। এ অবস্থায় এনসিপির মো আবুল হাসনাত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন।
কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এ এফ এম তারেক মুন্সী বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের কাছ থেকে মৌখিকভাবে এ নির্দেশনা পাওয়া গেছে। পরে দলের দপ্তর থেকেও একই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নেতা-কর্মীরা জসিম উদ্দিনের পক্ষে কাজ শুরু করেছে। ইতিমধ্যে বিএনপির নেতা-কর্মীরা জসিমের পক্ষে মাঠে নেমেছেন।
এই আসনে ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক মো আবুল হাসনাত ওরফে হাসনাত আবদুল্লাহ। বিএনপির সমর্থন পাওয়ার আগে ভোটের মাঠে তাঁর বড় কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না বলে মনে করা হচ্ছিল। তবে নতুন সমর্থনে ভোটের লড়াই এখন জমে উঠছে। বিএনপি আসনটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে।
কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্দেশনা, ট্রাককে পাস করাতে হবে।
ট্রাকের প্রার্থী জসিম উদ্দিন বলেন, বিএনপির সমর্থন পাওয়ায় তিনি আশাবাদী। দেবীদ্বার বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাঁর পক্ষে মাঠে থাকায় জয়ের ব্যাপারেও আশাবাদী তিনি।
বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী বলেন, দলের সব নেতা-কর্মীকে ট্রাক প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নামতে বলা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, ‘দেবীদ্বারে এখন ট্রাক প্রতীকই ধানের শীষ।’
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শেষ হচ্ছে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায়। এ সময়ে ট্রাক প্রতীকে সমর্থনের বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে চান স্থানীয় বিএনপির নেতা–কর্মীরা।
বাকি সময়টুকু কাজে লাগাতে চান জানিয়ে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্যসচিব বলেন, ‘দেবীদ্বার অনেক বড় উপজেলা। আমাদের মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে। এ জন্য আজ আমরা জসিমের সঙ্গে বসব। চেষ্টা করছি বাকি সময়টুকু কাজে লাগানোর। আশা করছি, ট্রাক প্রতীককে আমরা বিজয়ী করিয়ে আনতে পারব।’
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, তাঁর কাছে প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো প্রার্থীই দুর্বল নয়। তিনি ভোটের মাঠে সবাইকে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে দেখছেন।
কুমিল্লা–৪ আসনে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুল করিম (হাতপাখা) এবং ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের ইরফানুল হক সরকার (আপেল)। এ ছাড়া খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোহাম্মদ মজিবুর রহমান (দেয়াল ঘড়ি) ইতিমধ্যে হাসনাত আবদুল্লাহকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

ঋনখেলাপির কারণে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী নির্বাচন করতে না পারায় কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে গণ অধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী মো. আ. জসিম উদ্দিনকে বেছে নিয়েছে বিএনপি। তাঁর পক্ষে সমর্থনও দিয়েছে বিএনপি। এ অবস্থায় এনসিপির মো আবুল হাসনাত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন।
কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এ এফ এম তারেক মুন্সী বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের কাছ থেকে মৌখিকভাবে এ নির্দেশনা পাওয়া গেছে। পরে দলের দপ্তর থেকেও একই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নেতা-কর্মীরা জসিম উদ্দিনের পক্ষে কাজ শুরু করেছে। ইতিমধ্যে বিএনপির নেতা-কর্মীরা জসিমের পক্ষে মাঠে নেমেছেন।
এই আসনে ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক মো আবুল হাসনাত ওরফে হাসনাত আবদুল্লাহ। বিএনপির সমর্থন পাওয়ার আগে ভোটের মাঠে তাঁর বড় কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না বলে মনে করা হচ্ছিল। তবে নতুন সমর্থনে ভোটের লড়াই এখন জমে উঠছে। বিএনপি আসনটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে।
কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্দেশনা, ট্রাককে পাস করাতে হবে।
ট্রাকের প্রার্থী জসিম উদ্দিন বলেন, বিএনপির সমর্থন পাওয়ায় তিনি আশাবাদী। দেবীদ্বার বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাঁর পক্ষে মাঠে থাকায় জয়ের ব্যাপারেও আশাবাদী তিনি।
বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী বলেন, দলের সব নেতা-কর্মীকে ট্রাক প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নামতে বলা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, ‘দেবীদ্বারে এখন ট্রাক প্রতীকই ধানের শীষ।’
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শেষ হচ্ছে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায়। এ সময়ে ট্রাক প্রতীকে সমর্থনের বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে চান স্থানীয় বিএনপির নেতা–কর্মীরা।
বাকি সময়টুকু কাজে লাগাতে চান জানিয়ে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্যসচিব বলেন, ‘দেবীদ্বার অনেক বড় উপজেলা। আমাদের মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে। এ জন্য আজ আমরা জসিমের সঙ্গে বসব। চেষ্টা করছি বাকি সময়টুকু কাজে লাগানোর। আশা করছি, ট্রাক প্রতীককে আমরা বিজয়ী করিয়ে আনতে পারব।’
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, তাঁর কাছে প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো প্রার্থীই দুর্বল নয়। তিনি ভোটের মাঠে সবাইকে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে দেখছেন।
কুমিল্লা–৪ আসনে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুল করিম (হাতপাখা) এবং ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের ইরফানুল হক সরকার (আপেল)। এ ছাড়া খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোহাম্মদ মজিবুর রহমান (দেয়াল ঘড়ি) ইতিমধ্যে হাসনাত আবদুল্লাহকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।