আতঙ্কে স্থানীয়রা
আব্দুল আলীম, দেবীদ্বার

দীর্ঘ দুই বছর ধরে কুমিল্লার দেবীদ্বার অংশে গোমতী নদীর চরের মাটিকাটা বন্ধ থাকলেও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি অবৈধ এ মাটিকাটা। প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে দিনেরাতে চলত মাটি লুট। অবৈধ এ মাটিকাটার কারণে বর্ষা আসলে নদীতে উজানের ঢলের পানি বাড়লে চর ও নদীর আশেপাশের বাসিন্দারা ভয় ও দুশ্চিন্তায় দিন-রাত কাটাতেন বন্যা আতঙ্কে। স্থানীয় এমপি ও প্রশাসনের কঠোর নিষেধাজ্ঞার পরেও ফের এ বছরে মাটিকাটার প্রস্তুতি নিচ্ছে মাটিখেকোরা।
গোমতী নদীতে অবৈধ মাটিকাটার প্রস্তুতি দেখে চরম দুশ্চিন্তায় ও আতঙ্কে দেবীদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের বেগমাবাদের বাসিন্দা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গোমতী নদীর চরের মরা নদীর স্থান ও গর্তগুলোর পানি সেচে শুকিয়ে ও ঝোপঝাড় পরিষ্কার করে মাটিকাটার জন্য প্রস্তুত রেখেছে মাটিখেকোরা। সেই মাটিকাটা আতঙ্কে স্থানীয়রা।
স্থানীয় জাকির হোসেন, মো. মোস্তফা, মো. কাদেরসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, বেশ কিছু প্রভাবশালী দীর্ঘদিন ধরে গোমতী নদীর মাটি কেটে বিক্রি করছে। তারা পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গাসহ ব্যক্তি মালিকানা চরের মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে। গত দুই বছর ধরে দেবীদ্বারে মাটিকাটা বন্ধ থাকলেও রাতের আঁধারে চলে তাদের মাটিকাটা। তাঁরা প্রভাবশালী হওয়াতে আমরা ভয়ে কিছুই বলতে পারি না। কোটি কোটি টাকার মাটি লুট করে নিয়ে যাচ্ছে লুটেরা। প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরেও তাঁরা মাটি কাটে। গেল ২৪ সালে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বুড়বুড়িয়ায় গোমতী নদীর বাঁধ ভেঙে হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়। সেই আতঙ্কে প্রতিবছর বর্ষাকালে আমাদের চোখে ঘুম হারাম হয়ে যায়। এছাড়াও ট্রাক্টর চলাচলের কারণে গোমতীর বেড়িবাঁধ অনেকটা ক্ষতিগ্রস্ত। বেগমাবাদে দীর্ঘদিন ধরে মাটি কাটার কারণে শত বছরের বেগমাবাদ ও চাঁন্দপুরের খেয়াঘাটটি বিলীন হয়ে গেছে।
এখন আর আমাদের ছেলে মেয়েরা নৌকা দিয়ে চাঁন্দপুর স্কুল লেখাপড়া করতে যেতে পারে না। আমরা বাঁধা দিলেও কোনো কথা শোনেন না লুটকারীরা। উল্টো বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধমকি দেয়।
স্থানীয় নাজমা বেগম, ফারজানা আক্তার, তানিয়া বেগম জানান, চরের কবরস্থান, হিন্দুদের শ্মশানসহ সবকিছুর মাটি নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে একটি প্রভাবশালী মহল। তাঁরা কোটি কোটি টাকার মাটি নিয়ে যাচ্ছে আমাদের চোখের সামনে থেকে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি আমরা। বর্ষা আসলে বেড়িবাঁধে বস্তায় দিয়ে বাধা, বন্যার ভয়ে থাকা সবকিছু মোকাবিলা করতে হয়। শত বছরের বেগমাবাদ থেকে চাঁন্দপুর খেয়াঘাটটি বিলীন করে দিয়েছে মাটি কেটে। ফের এ বছরেও মাটিকাটা প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমরা চাই প্রশাসন মাটিকাটা বন্ধে জোরালো ভূমিকা গ্রহণ করুক। তবে এবার আমরা মাটি কাটতে দিব না। জীবন দেব, তবুও মাটি দিব না।
দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অশোক বিক্রম চাকমা বলেন, আমরা সোচ্চার রয়েছি কেউ মাটি কাটলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দীর্ঘ দুই বছর ধরে কুমিল্লার দেবীদ্বার অংশে গোমতী নদীর চরের মাটিকাটা বন্ধ থাকলেও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি অবৈধ এ মাটিকাটা। প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে দিনেরাতে চলত মাটি লুট। অবৈধ এ মাটিকাটার কারণে বর্ষা আসলে নদীতে উজানের ঢলের পানি বাড়লে চর ও নদীর আশেপাশের বাসিন্দারা ভয় ও দুশ্চিন্তায় দিন-রাত কাটাতেন বন্যা আতঙ্কে। স্থানীয় এমপি ও প্রশাসনের কঠোর নিষেধাজ্ঞার পরেও ফের এ বছরে মাটিকাটার প্রস্তুতি নিচ্ছে মাটিখেকোরা।
গোমতী নদীতে অবৈধ মাটিকাটার প্রস্তুতি দেখে চরম দুশ্চিন্তায় ও আতঙ্কে দেবীদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের বেগমাবাদের বাসিন্দা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গোমতী নদীর চরের মরা নদীর স্থান ও গর্তগুলোর পানি সেচে শুকিয়ে ও ঝোপঝাড় পরিষ্কার করে মাটিকাটার জন্য প্রস্তুত রেখেছে মাটিখেকোরা। সেই মাটিকাটা আতঙ্কে স্থানীয়রা।
স্থানীয় জাকির হোসেন, মো. মোস্তফা, মো. কাদেরসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, বেশ কিছু প্রভাবশালী দীর্ঘদিন ধরে গোমতী নদীর মাটি কেটে বিক্রি করছে। তারা পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গাসহ ব্যক্তি মালিকানা চরের মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে। গত দুই বছর ধরে দেবীদ্বারে মাটিকাটা বন্ধ থাকলেও রাতের আঁধারে চলে তাদের মাটিকাটা। তাঁরা প্রভাবশালী হওয়াতে আমরা ভয়ে কিছুই বলতে পারি না। কোটি কোটি টাকার মাটি লুট করে নিয়ে যাচ্ছে লুটেরা। প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরেও তাঁরা মাটি কাটে। গেল ২৪ সালে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বুড়বুড়িয়ায় গোমতী নদীর বাঁধ ভেঙে হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়। সেই আতঙ্কে প্রতিবছর বর্ষাকালে আমাদের চোখে ঘুম হারাম হয়ে যায়। এছাড়াও ট্রাক্টর চলাচলের কারণে গোমতীর বেড়িবাঁধ অনেকটা ক্ষতিগ্রস্ত। বেগমাবাদে দীর্ঘদিন ধরে মাটি কাটার কারণে শত বছরের বেগমাবাদ ও চাঁন্দপুরের খেয়াঘাটটি বিলীন হয়ে গেছে।
এখন আর আমাদের ছেলে মেয়েরা নৌকা দিয়ে চাঁন্দপুর স্কুল লেখাপড়া করতে যেতে পারে না। আমরা বাঁধা দিলেও কোনো কথা শোনেন না লুটকারীরা। উল্টো বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধমকি দেয়।
স্থানীয় নাজমা বেগম, ফারজানা আক্তার, তানিয়া বেগম জানান, চরের কবরস্থান, হিন্দুদের শ্মশানসহ সবকিছুর মাটি নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে একটি প্রভাবশালী মহল। তাঁরা কোটি কোটি টাকার মাটি নিয়ে যাচ্ছে আমাদের চোখের সামনে থেকে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি আমরা। বর্ষা আসলে বেড়িবাঁধে বস্তায় দিয়ে বাধা, বন্যার ভয়ে থাকা সবকিছু মোকাবিলা করতে হয়। শত বছরের বেগমাবাদ থেকে চাঁন্দপুর খেয়াঘাটটি বিলীন করে দিয়েছে মাটি কেটে। ফের এ বছরেও মাটিকাটা প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমরা চাই প্রশাসন মাটিকাটা বন্ধে জোরালো ভূমিকা গ্রহণ করুক। তবে এবার আমরা মাটি কাটতে দিব না। জীবন দেব, তবুও মাটি দিব না।
দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অশোক বিক্রম চাকমা বলেন, আমরা সোচ্চার রয়েছি কেউ মাটি কাটলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।