দোকানপাট ভাঙচুর, আহত ১০
নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি

নাঙ্গলকোটে হোটেলে ১০মিনিট বাড়তি কাজ করার কথা বলায় মালিকপক্ষ ও কর্মচারীর মধ্যে তর্কাতর্কির জেরে দুই গ্রামের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় দোকানপাট ভাঙচুর ও বাকপ্রতিবন্ধী আদ্রা গ্রামের রঙু মিয়ার ছেলে মনির (৩০) ও ভোলাইন গ্রামের মায়ের দোয়া হোটেলের কর্মচারী ফারুকসহ (৩২) অন্তত ১০জন আহত হয়েছে। গত বুধবার রাত আটটা থেকে নয়টা পর্যন্ত উপজেলার ভোলাইন বাজারে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতরা নাঙ্গলকোট ও লাকসাম উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ গতকাল বৃহস্পতিবার বাদী হয়ে ৯জন নামীয়সহ অজ্ঞাত ১৫০ জন থেকে ২০০ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ এ পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
জানা যায়, ভোলাইন বাজারের মায়ের দোয়া হোটেলের কর্মচারী ফারুককে ১০ মিনিট কাজ বেশি করতে বলায় হোটেলের মালিকপক্ষের শিবলুর সঙ্গে ওই কর্মচারীর কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে শিবলু কর্মচারী ফারুককে গরম তেল নিক্ষেপ করলে কর্মচারীর শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। এতে ভোলাইন গ্রামের লোকজন খবর পেয়ে হোটেলটিতে হামলা চালায় এবং আদ্রা গ্রামের ব্যবসায়ীদের দোকানপাট ভাঙচুর করে। এরপর শুরু হয় আদ্রা ও ভোলাইন দুই গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষ।
একপর্যায়ে দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় ভোলাইন ও আদ্রা গ্রাম রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ সময় আতঙ্কে বাজার ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে করে চলে যায়।
ভোলাইন বাজারের পথচারী আবুল হাশেম বলেন, বাজার দিয়ে যাওয়ার সময় একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় ভয়ে আমি দৌড়ে পাশের গাছের ছায়ায় পালিয়ে ছিলাম। বাজারে গুলির শব্দে মানুষের মধ্যে আরো আতঙ্কে ছড়িয়ে পড়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আদ্রা গ্রামের একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, ভোলাইন গ্রামের একজন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর নেতৃত্বে পিস্তলসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাজারে অতর্কিত হামলা চালায়। বাজারে থাকা আদ্রা গ্রামের ব্যবসায়ীদের দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। আমরা একজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর নেতৃত্বে এমন হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানাই।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর ইসলাম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে ।

নাঙ্গলকোটে হোটেলে ১০মিনিট বাড়তি কাজ করার কথা বলায় মালিকপক্ষ ও কর্মচারীর মধ্যে তর্কাতর্কির জেরে দুই গ্রামের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় দোকানপাট ভাঙচুর ও বাকপ্রতিবন্ধী আদ্রা গ্রামের রঙু মিয়ার ছেলে মনির (৩০) ও ভোলাইন গ্রামের মায়ের দোয়া হোটেলের কর্মচারী ফারুকসহ (৩২) অন্তত ১০জন আহত হয়েছে। গত বুধবার রাত আটটা থেকে নয়টা পর্যন্ত উপজেলার ভোলাইন বাজারে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতরা নাঙ্গলকোট ও লাকসাম উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ গতকাল বৃহস্পতিবার বাদী হয়ে ৯জন নামীয়সহ অজ্ঞাত ১৫০ জন থেকে ২০০ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ এ পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
জানা যায়, ভোলাইন বাজারের মায়ের দোয়া হোটেলের কর্মচারী ফারুককে ১০ মিনিট কাজ বেশি করতে বলায় হোটেলের মালিকপক্ষের শিবলুর সঙ্গে ওই কর্মচারীর কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে শিবলু কর্মচারী ফারুককে গরম তেল নিক্ষেপ করলে কর্মচারীর শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। এতে ভোলাইন গ্রামের লোকজন খবর পেয়ে হোটেলটিতে হামলা চালায় এবং আদ্রা গ্রামের ব্যবসায়ীদের দোকানপাট ভাঙচুর করে। এরপর শুরু হয় আদ্রা ও ভোলাইন দুই গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষ।
একপর্যায়ে দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় ভোলাইন ও আদ্রা গ্রাম রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ সময় আতঙ্কে বাজার ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে করে চলে যায়।
ভোলাইন বাজারের পথচারী আবুল হাশেম বলেন, বাজার দিয়ে যাওয়ার সময় একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় ভয়ে আমি দৌড়ে পাশের গাছের ছায়ায় পালিয়ে ছিলাম। বাজারে গুলির শব্দে মানুষের মধ্যে আরো আতঙ্কে ছড়িয়ে পড়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আদ্রা গ্রামের একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, ভোলাইন গ্রামের একজন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর নেতৃত্বে পিস্তলসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাজারে অতর্কিত হামলা চালায়। বাজারে থাকা আদ্রা গ্রামের ব্যবসায়ীদের দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। আমরা একজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর নেতৃত্বে এমন হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানাই।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর ইসলাম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে ।