লাকসাম প্রতিনিধি

কুমিল্লার লাকসামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভ্যানচালক আবদুল মান্নান (৬৫) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে লাকসাম পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের গুন্তি উত্তরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। নিহত ব্যক্তি ওই গ্রামের প্রয়াত ছফর আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভ্যানচালক আবদুল মান্নান রাতে বাড়ি ফেরার পথে তাঁর বড় ভাই সামছুল হক শামু মিয়া, বড় ভাইয়ের মেয়ে বকুল বেগম এবং বকুলের স্বামী, পৌরসভা তাঁতীদলের সভাপতি শোকর আলী তাঁকে তাঁদের ঘরে ডেকে নেয়। এ সময় তাঁরা তিনজন মিলে মান্নানকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে লাকসাম সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে থানা পুলিশ নিহত মান্নানের মরদেহ উদ্ধার করে আজ শুক্রবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নিহত ব্যক্তির ছেলে বিল্লাল হোসেন বলেন, আমার বাবাকে জায়গা দখলের মিথ্যা অভিযোগে আমার জেঠা সামছুল হক, তার মেয়ে বকুল এবং মেয়ের জামাই শোকর আলী ঘরে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে। পাশের বাড়ির লোকজন রাতে আমাদের খবর দিলে আমরা দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে নেওয়ার আগেই বাবা মারা যান। আমরা এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই।
অভিযুক্ত বকুলের স্বামী শোকর আলী বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার জন্য একটি মিথ্যা কাহিনী সাজানো হচ্ছে। সেখানে অনেক মানুষ উপস্থিত ছিল, তাঁকে কোনো মারধর করা হয়নি। শুধু ভাইয়ে ভাইয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছে। একপর্যায়ে তিনি মাটিতে পড়ে যান। তাঁর বড় ছেলে জসিম উপস্থিত থেকে বিষয়টি মীমাংসা করেছেন। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ বানোয়াট।
লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকছুদ আহমেদ বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কুমিল্লার লাকসামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভ্যানচালক আবদুল মান্নান (৬৫) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে লাকসাম পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের গুন্তি উত্তরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। নিহত ব্যক্তি ওই গ্রামের প্রয়াত ছফর আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভ্যানচালক আবদুল মান্নান রাতে বাড়ি ফেরার পথে তাঁর বড় ভাই সামছুল হক শামু মিয়া, বড় ভাইয়ের মেয়ে বকুল বেগম এবং বকুলের স্বামী, পৌরসভা তাঁতীদলের সভাপতি শোকর আলী তাঁকে তাঁদের ঘরে ডেকে নেয়। এ সময় তাঁরা তিনজন মিলে মান্নানকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে লাকসাম সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে থানা পুলিশ নিহত মান্নানের মরদেহ উদ্ধার করে আজ শুক্রবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নিহত ব্যক্তির ছেলে বিল্লাল হোসেন বলেন, আমার বাবাকে জায়গা দখলের মিথ্যা অভিযোগে আমার জেঠা সামছুল হক, তার মেয়ে বকুল এবং মেয়ের জামাই শোকর আলী ঘরে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে। পাশের বাড়ির লোকজন রাতে আমাদের খবর দিলে আমরা দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে নেওয়ার আগেই বাবা মারা যান। আমরা এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই।
অভিযুক্ত বকুলের স্বামী শোকর আলী বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার জন্য একটি মিথ্যা কাহিনী সাজানো হচ্ছে। সেখানে অনেক মানুষ উপস্থিত ছিল, তাঁকে কোনো মারধর করা হয়নি। শুধু ভাইয়ে ভাইয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছে। একপর্যায়ে তিনি মাটিতে পড়ে যান। তাঁর বড় ছেলে জসিম উপস্থিত থেকে বিষয়টি মীমাংসা করেছেন। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ বানোয়াট।
লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকছুদ আহমেদ বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।