লাকসাম প্রতিনিধি

কুমিল্লার লাকসামে ভাঙা হাতে অস্ত্রোপচার করাতে গিয়ে ভুল চিকিৎসায় আব্দুল্লাহ আল হোসাইন (৮) নামে এক শিশুর রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে পৌর শহরের বাইপাস এলাকায় ইউনিটি ট্রমা এন্ড জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
স্বজনদের দাবি, ভুল ভুল চিকিৎসায় অপারেশন থিয়েটারে অ্যানেসথেসিয়া প্রয়োগের পর মৃত্যু ঘটে রোগীর।
আব্দুল্লাহ আল হোসাইন লাকসাম উপজেলার কান্দিরপাড় ইউনিয়নের কেমতলী গ্রামের হারুনুর রশিদের একমাত্র ছেলে এবং কেমতলী নূরানী মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
আব্দুল্লাহ আল হোসাইনের বাবা হারুনুর রশিদ অভিযোগ করে বলেন, গত কয়েকদিন পূর্বে বাড়ির উঠানে খেলতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে তাঁর বাঁ হাতে ব্যথা পায়। তাৎক্ষণিক ছেলেকে নিয়ে লাকসাম ইউনিটি ট্রমা এন্ড জেনারেল হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসক ডা. শাহেদ আনোয়ার ভূইয়ার কাছে ছেলেকে দেখানো হয়। পরে চিকিৎসক ছেলের হাত এক্সরে করে তাঁর হাত অপারেশন করতে হবে বলে হাসপাতালে ভর্তি দেখান। এ সময় চিকিৎসক ডা. শাহেদ আনোয়ার ভূঁইয়ার সঙ্গে ৩৫ হাজার টাকায় চুক্তিতে হাতের ভাঙা স্থানে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পাত বসানোর চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার দুপুরে তার ছেলেকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে অ্যানেসথেসিয়া প্রয়োগ করেন। এর পর তাঁর ছেলের চেতনা আর ফেরেনি,পরে সন্ধ্যায তাঁর ছেলেকে জরুরি বিত্তে কুমিল্লা মর্ডান হসপিটালে নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
আব্দুল্লাহ আল হোসাইনের মা নাছিমা বেগমের ভাষ্য, তাঁর সন্তানকে ইনজেকশন করার পর সে কয়েকবার মা বাবা বলে চিৎকার করছিল। পরে নানা টালবাহানা করে বিকালে সাড়ে ৩টার দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, একটি এ্যাম্বুলেন্স নিয়ে আসেন রোগীকে কুমিল্লা নিয়ে যাওয়ার জন্য বলে এবং রোগী ক্রিটিকাল অবস্থায় আছে বলেন হসপিটালের ডাঃ শাহেদ আনোয়ার ভুঁইয়া রোগীর স্বজনদেরকে জানান। স্বজনরা কুমিল্লা মডার্ন হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক বলেন তার মৃত্যু অনেক আগে হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে অ্যানেসথেসিয়া প্রয়োগের কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর ছলের মৃত্যু ঘটে। তিনি ভুল চিকিৎসার শিকার হয়েছেন।ছেলের মরদেহ নিয়ে পূর্নরায় হাসপাতালে আসেন এবং ছেলের
মৃত্যুর জন্য হাসপাতাল থেকে একেক সময় একেক কথা বলা হয়। তারা জানায়, রোগীর উচ্চ রক্তচাপ (হাইপ্রেসার) থাকায় এমন হয়েছে। আবার বলে, নিম্ন রক্তচাপের (লোপ্রেসার) কারণে এমন হয়েছে। এদিকে মাদ্রাসা ছাত্রের লাশ লাকসাম ইউনিটি ট্টমা এন্ড জেনারেল হাসপাতাল এলাকায় আসা মাত্র ওই ছাত্রের আত্মীয় স্বজন ও আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে অভিযুক্ত ডাক্তারের বিচার দাবি করে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ শুরু করেন।
অবস্থা বেগতিক দেখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ থানা খবর দেয়। থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য ডা.শাহেদ আনোয়ার ভূঁইয়ার সঙ্গে ব্যক্তিগত নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
লাকসাম থানার ওসি মাকসুদ আহম্মদ বলেন, সাংবাদিকদের মাধ্যমে তিনি ঘটনা জেনেছেন। এ ঘটনায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুমিল্লার লাকসামে ভাঙা হাতে অস্ত্রোপচার করাতে গিয়ে ভুল চিকিৎসায় আব্দুল্লাহ আল হোসাইন (৮) নামে এক শিশুর রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে পৌর শহরের বাইপাস এলাকায় ইউনিটি ট্রমা এন্ড জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
স্বজনদের দাবি, ভুল ভুল চিকিৎসায় অপারেশন থিয়েটারে অ্যানেসথেসিয়া প্রয়োগের পর মৃত্যু ঘটে রোগীর।
আব্দুল্লাহ আল হোসাইন লাকসাম উপজেলার কান্দিরপাড় ইউনিয়নের কেমতলী গ্রামের হারুনুর রশিদের একমাত্র ছেলে এবং কেমতলী নূরানী মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
আব্দুল্লাহ আল হোসাইনের বাবা হারুনুর রশিদ অভিযোগ করে বলেন, গত কয়েকদিন পূর্বে বাড়ির উঠানে খেলতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে তাঁর বাঁ হাতে ব্যথা পায়। তাৎক্ষণিক ছেলেকে নিয়ে লাকসাম ইউনিটি ট্রমা এন্ড জেনারেল হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসক ডা. শাহেদ আনোয়ার ভূইয়ার কাছে ছেলেকে দেখানো হয়। পরে চিকিৎসক ছেলের হাত এক্সরে করে তাঁর হাত অপারেশন করতে হবে বলে হাসপাতালে ভর্তি দেখান। এ সময় চিকিৎসক ডা. শাহেদ আনোয়ার ভূঁইয়ার সঙ্গে ৩৫ হাজার টাকায় চুক্তিতে হাতের ভাঙা স্থানে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পাত বসানোর চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার দুপুরে তার ছেলেকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে অ্যানেসথেসিয়া প্রয়োগ করেন। এর পর তাঁর ছেলের চেতনা আর ফেরেনি,পরে সন্ধ্যায তাঁর ছেলেকে জরুরি বিত্তে কুমিল্লা মর্ডান হসপিটালে নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
আব্দুল্লাহ আল হোসাইনের মা নাছিমা বেগমের ভাষ্য, তাঁর সন্তানকে ইনজেকশন করার পর সে কয়েকবার মা বাবা বলে চিৎকার করছিল। পরে নানা টালবাহানা করে বিকালে সাড়ে ৩টার দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, একটি এ্যাম্বুলেন্স নিয়ে আসেন রোগীকে কুমিল্লা নিয়ে যাওয়ার জন্য বলে এবং রোগী ক্রিটিকাল অবস্থায় আছে বলেন হসপিটালের ডাঃ শাহেদ আনোয়ার ভুঁইয়া রোগীর স্বজনদেরকে জানান। স্বজনরা কুমিল্লা মডার্ন হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক বলেন তার মৃত্যু অনেক আগে হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে অ্যানেসথেসিয়া প্রয়োগের কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর ছলের মৃত্যু ঘটে। তিনি ভুল চিকিৎসার শিকার হয়েছেন।ছেলের মরদেহ নিয়ে পূর্নরায় হাসপাতালে আসেন এবং ছেলের
মৃত্যুর জন্য হাসপাতাল থেকে একেক সময় একেক কথা বলা হয়। তারা জানায়, রোগীর উচ্চ রক্তচাপ (হাইপ্রেসার) থাকায় এমন হয়েছে। আবার বলে, নিম্ন রক্তচাপের (লোপ্রেসার) কারণে এমন হয়েছে। এদিকে মাদ্রাসা ছাত্রের লাশ লাকসাম ইউনিটি ট্টমা এন্ড জেনারেল হাসপাতাল এলাকায় আসা মাত্র ওই ছাত্রের আত্মীয় স্বজন ও আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে অভিযুক্ত ডাক্তারের বিচার দাবি করে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ শুরু করেন।
অবস্থা বেগতিক দেখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ থানা খবর দেয়। থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য ডা.শাহেদ আনোয়ার ভূঁইয়ার সঙ্গে ব্যক্তিগত নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
লাকসাম থানার ওসি মাকসুদ আহম্মদ বলেন, সাংবাদিকদের মাধ্যমে তিনি ঘটনা জেনেছেন। এ ঘটনায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।