নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার লাকসামে ৬ বছরের বাক প্রতিবন্ধী শিশুকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মো. মানিক মিয়া (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির বাড়ি উপজেলার উত্তরদা ইউনিয়নের চন্দনা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের বড় বাড়ির প্রয়াত আলী মিয়ার ছেলে। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। লাকসাম থানার উপ-পরিদর্শক মো. শাহাবুদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
লাকসাম থানা পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার বিকেলে বাকপ্রতিবন্ধী ওই শিশুটি বাড়ির পাশে অভিযুক্ত মো. মানিক মিয়ার দোকানের সামনে যায়। এসময় দোকানদার মানিক মিয়া শিশুটিকে ফুসলিয়ে দোকানের ভেতর নিয়ে শিশুটির স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় এবং শ্লীলতাহানি করে।
ওই সময় বাকপ্রতিবন্ধী শিশুটির মা আরেক বাড়ি থেকে ফেরার পথে ওই দোকানে শিশুটিকে কান্না করতে দেখেন। এ সময় কি হয়েছে? দোকানদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো জবাব দেননি। একপর্যায়ে বাকপ্রতিবন্ধী শিশুটি কান্না করতে করতে ওই বৃদ্ধ দোকানদারকে দেখিয়ে ইশারা ইঙ্গিতে তার মাকে শ্লীলতাহানির ঘটনাটি বুঝায়।
শিশুটির মায়ের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জানালে তারা বিষয়টি আপস-মীমাংসার লক্ষে অভিযুক্ত দোকানদার মো. মানিক মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে দোকানদার পালিয়ে যান।
পরে তিনি এই ঘটনায় বাদী হয়ে গত সোমবার বিকেলে লাকসাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
আজ বুধবার লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) কাজী কামরুন্নাহার লাইলী বলেন, বাকপ্রতিবন্ধী শিশুটির মা বাদী হয়ে তাঁর ৬ বছরের মেয়েকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে লাকসাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতের বিচারক তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। পরে তাঁকে কুমিল্লা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

কুমিল্লার লাকসামে ৬ বছরের বাক প্রতিবন্ধী শিশুকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মো. মানিক মিয়া (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির বাড়ি উপজেলার উত্তরদা ইউনিয়নের চন্দনা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের বড় বাড়ির প্রয়াত আলী মিয়ার ছেলে। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। লাকসাম থানার উপ-পরিদর্শক মো. শাহাবুদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
লাকসাম থানা পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার বিকেলে বাকপ্রতিবন্ধী ওই শিশুটি বাড়ির পাশে অভিযুক্ত মো. মানিক মিয়ার দোকানের সামনে যায়। এসময় দোকানদার মানিক মিয়া শিশুটিকে ফুসলিয়ে দোকানের ভেতর নিয়ে শিশুটির স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় এবং শ্লীলতাহানি করে।
ওই সময় বাকপ্রতিবন্ধী শিশুটির মা আরেক বাড়ি থেকে ফেরার পথে ওই দোকানে শিশুটিকে কান্না করতে দেখেন। এ সময় কি হয়েছে? দোকানদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো জবাব দেননি। একপর্যায়ে বাকপ্রতিবন্ধী শিশুটি কান্না করতে করতে ওই বৃদ্ধ দোকানদারকে দেখিয়ে ইশারা ইঙ্গিতে তার মাকে শ্লীলতাহানির ঘটনাটি বুঝায়।
শিশুটির মায়ের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জানালে তারা বিষয়টি আপস-মীমাংসার লক্ষে অভিযুক্ত দোকানদার মো. মানিক মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে দোকানদার পালিয়ে যান।
পরে তিনি এই ঘটনায় বাদী হয়ে গত সোমবার বিকেলে লাকসাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
আজ বুধবার লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) কাজী কামরুন্নাহার লাইলী বলেন, বাকপ্রতিবন্ধী শিশুটির মা বাদী হয়ে তাঁর ৬ বছরের মেয়েকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে লাকসাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতের বিচারক তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। পরে তাঁকে কুমিল্লা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।