নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে নিয়ে দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত শনিবার রাতে লালমাই পাহাড়ের কোটবাড়ির সাধের মুড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ওই কিশোরী চান্দিনা উপজেলার বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই কিশোরীর সঙ্গে সিয়াম নামের এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্পর্কের জেরে শনিবার তারা কুমিল্লার ধর্মসাগর পাড় এলাকায় ঘুরতে আসে। সেখান থেকে ওই ওই যুবক কিশোরকে লালমাই পাহাড়ের চূড়ার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে অপেক্ষা করছিল প্রেমিকের আরো চার বন্ধু। পরে তারা (প্রেমিক ও প্রেমিকা) উপস্থিত হলে একজন যুবক তাদের পাহারা দেয় এবং প্রেমিকসহ অন্য চারজন রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ভোরে ওই কিশোরীকে নিয়ে চারজন ঘটনাস্থল থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা সন্দেহের ভিত্তিতে তাদের আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় ওই কিশোরী ঘটনাটি স্থানীয়দের কাছে জানায়। পরে চারজন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেলেও একজনকে আটক করে স্থানীয়রা।
আটককৃত ওই যুবকের নাম মো. সাকিব (২০)। তিনি সদর উপজেলার উজিরপুর গ্রামের শহীদ মিয়ার ছেলে।
কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি আমরা শুনেছি। এই ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ওই কিশোরীকে হাসপাতালে পরীক্ষা করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। এই ঘটনায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে। বাকি চারজনকে ধরতে জেলা পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। ওই কিশোরীর মেডিকেল পরীক্ষার পর আরো বিস্তারিতভাবে জানা যাবে।

কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে নিয়ে দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত শনিবার রাতে লালমাই পাহাড়ের কোটবাড়ির সাধের মুড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ওই কিশোরী চান্দিনা উপজেলার বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই কিশোরীর সঙ্গে সিয়াম নামের এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্পর্কের জেরে শনিবার তারা কুমিল্লার ধর্মসাগর পাড় এলাকায় ঘুরতে আসে। সেখান থেকে ওই ওই যুবক কিশোরকে লালমাই পাহাড়ের চূড়ার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে অপেক্ষা করছিল প্রেমিকের আরো চার বন্ধু। পরে তারা (প্রেমিক ও প্রেমিকা) উপস্থিত হলে একজন যুবক তাদের পাহারা দেয় এবং প্রেমিকসহ অন্য চারজন রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ভোরে ওই কিশোরীকে নিয়ে চারজন ঘটনাস্থল থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা সন্দেহের ভিত্তিতে তাদের আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় ওই কিশোরী ঘটনাটি স্থানীয়দের কাছে জানায়। পরে চারজন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেলেও একজনকে আটক করে স্থানীয়রা।
আটককৃত ওই যুবকের নাম মো. সাকিব (২০)। তিনি সদর উপজেলার উজিরপুর গ্রামের শহীদ মিয়ার ছেলে।
কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি আমরা শুনেছি। এই ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ওই কিশোরীকে হাসপাতালে পরীক্ষা করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। এই ঘটনায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে। বাকি চারজনকে ধরতে জেলা পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। ওই কিশোরীর মেডিকেল পরীক্ষার পর আরো বিস্তারিতভাবে জানা যাবে।