নিজস্ব প্রতিবেদক, লালমাই

রাজধানীর বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডে নিহত দুই সহোদর বোনের কবর জিয়ারত করতে আজ শনিবার সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার চরবাড়িয়ায় এসেছেন আন্তর্জাতিক ইসলামিক বক্তা ও স্কলার ড. মিজানুর রহমান আজহারী। নিহতদের পরিবারের অনুরোধে সফরটি ছিল তার ব্যক্তিগত।
নিহতদের পারিবারিক সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের চরবাড়িয়া গ্রামের শিল্পপতি কোরবান আলীর দুই মেয়ে-ফৌজিয়া আফরিন রিয়া ও সাদিয়া আফরিন আলিসার মৃত্যু হয়।
নিহত রিয়া ওই সময়ে মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএর শেষ পর্বের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর ছোট বোন আলিসা রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
অগ্নিকাণ্ডের পরদিন, ১ মার্চ তাদের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে আনা হলে বিকেলে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয়।

নিহতদের চাচা লোকমান হোসেন জানান, ড. মিজানুর রহমান আজহারী হুজুরের সাথে আমার বড় ভাইয়ের (নিহতদের পিতা) আগে থেকে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। ভাতিজিদের মৃত্যুর খবর শুনে তিনি খোঁজখবর নিয়েছিলেন। তখন বলেছিলেন একবার কবর জেয়ারত করতে আমাদের গ্রামে আসবেন। ২৯ মাস পর তিনি আজ সকালে আমাদের বাড়িতে আসেন। নিহতদের কবর জেয়ারত শেষে তিনি কবরস্থান সংলগ্ন আমাদের প্রতিষ্ঠিত আফরিন জাহান ইসলামিক একাডেমির শিক্ষার্থীদের নসিহত করেন। শিক্ষার্থীদের থেকে পবিত্র কোরআন তেলোয়াত শুনেন এবং শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেন।
নিহতদের পরিবারের ঘনিষ্ট ব্যবসায়ী হাফেজ আহমেদ সোহেল বলেন, অনেকটা নিরবেই তিনি এলাকায় এসেছেন। গণজমায়েত এড়াতে এবং ব্যক্তিগত পরিসর বজায় রাখতে সফরের তথ্যটি গোপন রাখা হয়েছিল। তবে ড.আজহারী লালমাই ত্যাগ করার পর বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে তাঁর অনেক ভক্ত ও অনুসারী আফসোস প্রকাশ করেন যে, তারা প্রিয় বক্তার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পাননি।

উল্লেখ্য নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ‘কে আলী নিটওয়ার’-এর মালিক, লালমাই উপজেলার কোরবান আলীর তিন মেয়ে। কোনো ছেলে নেই। ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রæয়ারি রাতে বড় মেয়ে ফৌজিয়া আফরিন রিয়া তার ছোট বোন সাদিয়া আফরিন আলিসা, খালাত বোন নুসরাত জাহান নিমু, প্রতিবেশী আন্টি নাজিয়া আক্তার ও আন্টির দুই শিশু সন্তান আরিহান (৮), আদিয়ানকে (৬) নিয়ে রাজধানীর বেইলি রোডের কাচ্ছি ভাই রেস্টুরেন্ট ভবনের পঞ্চম তলার ‘পিজ্জা ইন’-এ যান। খাওয়ার সময়ে হঠাৎ ভবনটিতে আগুন লাগায় তারা রেস্টুরেন্ট থেকে বের হতে পারেননি। ধোঁয়ায় নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে দুই সহোদর বোনসহ ৬ জনের মৃত্যু হয়।

রাজধানীর বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডে নিহত দুই সহোদর বোনের কবর জিয়ারত করতে আজ শনিবার সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার চরবাড়িয়ায় এসেছেন আন্তর্জাতিক ইসলামিক বক্তা ও স্কলার ড. মিজানুর রহমান আজহারী। নিহতদের পরিবারের অনুরোধে সফরটি ছিল তার ব্যক্তিগত।
নিহতদের পারিবারিক সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের চরবাড়িয়া গ্রামের শিল্পপতি কোরবান আলীর দুই মেয়ে-ফৌজিয়া আফরিন রিয়া ও সাদিয়া আফরিন আলিসার মৃত্যু হয়।
নিহত রিয়া ওই সময়ে মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএর শেষ পর্বের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর ছোট বোন আলিসা রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
অগ্নিকাণ্ডের পরদিন, ১ মার্চ তাদের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে আনা হলে বিকেলে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয়।

নিহতদের চাচা লোকমান হোসেন জানান, ড. মিজানুর রহমান আজহারী হুজুরের সাথে আমার বড় ভাইয়ের (নিহতদের পিতা) আগে থেকে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। ভাতিজিদের মৃত্যুর খবর শুনে তিনি খোঁজখবর নিয়েছিলেন। তখন বলেছিলেন একবার কবর জেয়ারত করতে আমাদের গ্রামে আসবেন। ২৯ মাস পর তিনি আজ সকালে আমাদের বাড়িতে আসেন। নিহতদের কবর জেয়ারত শেষে তিনি কবরস্থান সংলগ্ন আমাদের প্রতিষ্ঠিত আফরিন জাহান ইসলামিক একাডেমির শিক্ষার্থীদের নসিহত করেন। শিক্ষার্থীদের থেকে পবিত্র কোরআন তেলোয়াত শুনেন এবং শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেন।
নিহতদের পরিবারের ঘনিষ্ট ব্যবসায়ী হাফেজ আহমেদ সোহেল বলেন, অনেকটা নিরবেই তিনি এলাকায় এসেছেন। গণজমায়েত এড়াতে এবং ব্যক্তিগত পরিসর বজায় রাখতে সফরের তথ্যটি গোপন রাখা হয়েছিল। তবে ড.আজহারী লালমাই ত্যাগ করার পর বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে তাঁর অনেক ভক্ত ও অনুসারী আফসোস প্রকাশ করেন যে, তারা প্রিয় বক্তার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পাননি।

উল্লেখ্য নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ‘কে আলী নিটওয়ার’-এর মালিক, লালমাই উপজেলার কোরবান আলীর তিন মেয়ে। কোনো ছেলে নেই। ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রæয়ারি রাতে বড় মেয়ে ফৌজিয়া আফরিন রিয়া তার ছোট বোন সাদিয়া আফরিন আলিসা, খালাত বোন নুসরাত জাহান নিমু, প্রতিবেশী আন্টি নাজিয়া আক্তার ও আন্টির দুই শিশু সন্তান আরিহান (৮), আদিয়ানকে (৬) নিয়ে রাজধানীর বেইলি রোডের কাচ্ছি ভাই রেস্টুরেন্ট ভবনের পঞ্চম তলার ‘পিজ্জা ইন’-এ যান। খাওয়ার সময়ে হঠাৎ ভবনটিতে আগুন লাগায় তারা রেস্টুরেন্ট থেকে বের হতে পারেননি। ধোঁয়ায় নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে দুই সহোদর বোনসহ ৬ জনের মৃত্যু হয়।