জলাবদ্ধতা বাধা কৃষকের প্রধান কারণ
মনোহরগঞ্জ প্রতিনিধি

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে বোরো ধানের বীজতলা প্রস্তুতে এখন ব্যস্ত কৃষকেরা। গত কয়েকদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন ফসলি মাঠ ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।
জানা গেছে, কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ জোলা অঞ্চল নামে খ্যাত উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নের মধ্যে বেশির ভাগ ইউনিয়নে বছরে ৯ মাস থাকে জলাবদ্ধতার কবলে। বাকি তিন মাস মাত্র বোরো ধানের আবাদ হয়।
সরকারি খালগুলোর মাটি খনন না করার কারণে কৃষি জমি বছরে ৯ মাস প্রায় পানির নিচে থাকে। কৃষি আবাদ না হওয়ার কারণে কচুরিপানা আগাছা জঙ্গলে ভরে থাকে কৃষি জমি। এতে বিপাকে পড়েন উপজেলার ১১ ইউনিয়নের প্রায় ২০০ গ্রামের কৃষক।
এই উপজেলায় কৃষি জমির পরিমাণ ১০ হাজার ২৯৫ হেক্টর। এ বছর আউশ ধানের চাষ হয়েছে মাত্র ৪ হেক্টর জমিতে,বাকি ৬ হাজার ২৯৫ হেক্টর কৃষি জমি পানির নিচে রয়েছে। এলাকার কৃষক বছরে একবার বোরো ধানের চাষের ওপর নির্ভরশীল।
বোরো ধানের বীজতলা তৈরিতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে জলাবদ্ধতা। অগ্রহায়ণ- পৌষে মাসে বোরো ধানের বীজতলা জমির আগাছা পরিষ্কার করা হয়। মৈশাতুয়া, ঝলম,উওর ঝলম, বাইশগাঁও, নাথেরপেটুয়া, লক্ষ্মণপুর, উত্তরহাওলা, হাসনাবাদ, ডুমুরিয়া, হাটিরপাড়, ছিকটিয়া সহ বিভিন্ন এলাকায় কৃষিজমি জলাবদ্ধ।
হাটিরপাড় গ্রামের কৃষক আবু ছায়েদ বলেন, এই মাঠের পানি নামছে না। আমরা বোরো ধানের বীজ ফেলতে পারছি না। পানির কারণে কোনো ফসল ফলানো সম্ভব হচ্ছে না।
ছিকটিয়া গ্রামের আব্দুল মান্নান বলেন, আমাদের গ্রামের উওর পাশ দিয়ে সরকারি খাল খনন করলে ছিকটিয়া, গন্ডামারা, মৈশাতুয়া তিন গ্রামের কৃষি মাঠে জালাবদ্ধতা থাকবেনা।
মৈশাতুয়া গ্রামের মো. শাহাদাত ভূঁইয়া জানান, মৈশাতুয়া গ্রাম অনেক বড়, এই গ্রামে দুইটি কৃষিমাঠ পূর্ব মাঠে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় জমিতে পানি জমে থাকার কারণে মাঠে ধান রোপণ ও কাটার সময় শ্রমিক ও অর্থ ব্যয় হয় । উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গোলাম সরোয়ার তুষার বলেন, এ উপজেলায় বোরো ধানের ওপর নির্ভরশীল, বোরো ধানের বীজতলা প্রস্তুত খুব গুরুত্বপূর্ণ। উপজেলার প্রত্যেক ইউনিয়নে কিছু জায়গায় জলাবদ্ধতা রয়েছে। বীজতলা উপযোগী জাগা ঠিকভাবে পাচ্ছে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গাজালা পারভীন রুহি বলেন, আমি কৃষি অফিসারের সাথে এ ব্যাপারে কথা বলে কৃষকদের সুবিধার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ।

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে বোরো ধানের বীজতলা প্রস্তুতে এখন ব্যস্ত কৃষকেরা। গত কয়েকদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন ফসলি মাঠ ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।
জানা গেছে, কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ জোলা অঞ্চল নামে খ্যাত উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নের মধ্যে বেশির ভাগ ইউনিয়নে বছরে ৯ মাস থাকে জলাবদ্ধতার কবলে। বাকি তিন মাস মাত্র বোরো ধানের আবাদ হয়।
সরকারি খালগুলোর মাটি খনন না করার কারণে কৃষি জমি বছরে ৯ মাস প্রায় পানির নিচে থাকে। কৃষি আবাদ না হওয়ার কারণে কচুরিপানা আগাছা জঙ্গলে ভরে থাকে কৃষি জমি। এতে বিপাকে পড়েন উপজেলার ১১ ইউনিয়নের প্রায় ২০০ গ্রামের কৃষক।
এই উপজেলায় কৃষি জমির পরিমাণ ১০ হাজার ২৯৫ হেক্টর। এ বছর আউশ ধানের চাষ হয়েছে মাত্র ৪ হেক্টর জমিতে,বাকি ৬ হাজার ২৯৫ হেক্টর কৃষি জমি পানির নিচে রয়েছে। এলাকার কৃষক বছরে একবার বোরো ধানের চাষের ওপর নির্ভরশীল।
বোরো ধানের বীজতলা তৈরিতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে জলাবদ্ধতা। অগ্রহায়ণ- পৌষে মাসে বোরো ধানের বীজতলা জমির আগাছা পরিষ্কার করা হয়। মৈশাতুয়া, ঝলম,উওর ঝলম, বাইশগাঁও, নাথেরপেটুয়া, লক্ষ্মণপুর, উত্তরহাওলা, হাসনাবাদ, ডুমুরিয়া, হাটিরপাড়, ছিকটিয়া সহ বিভিন্ন এলাকায় কৃষিজমি জলাবদ্ধ।
হাটিরপাড় গ্রামের কৃষক আবু ছায়েদ বলেন, এই মাঠের পানি নামছে না। আমরা বোরো ধানের বীজ ফেলতে পারছি না। পানির কারণে কোনো ফসল ফলানো সম্ভব হচ্ছে না।
ছিকটিয়া গ্রামের আব্দুল মান্নান বলেন, আমাদের গ্রামের উওর পাশ দিয়ে সরকারি খাল খনন করলে ছিকটিয়া, গন্ডামারা, মৈশাতুয়া তিন গ্রামের কৃষি মাঠে জালাবদ্ধতা থাকবেনা।
মৈশাতুয়া গ্রামের মো. শাহাদাত ভূঁইয়া জানান, মৈশাতুয়া গ্রাম অনেক বড়, এই গ্রামে দুইটি কৃষিমাঠ পূর্ব মাঠে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় জমিতে পানি জমে থাকার কারণে মাঠে ধান রোপণ ও কাটার সময় শ্রমিক ও অর্থ ব্যয় হয় । উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গোলাম সরোয়ার তুষার বলেন, এ উপজেলায় বোরো ধানের ওপর নির্ভরশীল, বোরো ধানের বীজতলা প্রস্তুত খুব গুরুত্বপূর্ণ। উপজেলার প্রত্যেক ইউনিয়নে কিছু জায়গায় জলাবদ্ধতা রয়েছে। বীজতলা উপযোগী জাগা ঠিকভাবে পাচ্ছে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গাজালা পারভীন রুহি বলেন, আমি কৃষি অফিসারের সাথে এ ব্যাপারে কথা বলে কৃষকদের সুবিধার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ।