অভাবের তাড়নায় আত্মহত্যা
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার মুরাদনগরে মানসিক যন্ত্রণা ও অভাবের তাড়নায় বিষপান করে মা তাঁর মেয়েকে নিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে| মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন শ্রীকাইল ইউনিয়নের আলীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে| মারা যাওয়া ওই নারী আলীপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের মেয়ে খাদিজা বেগম (৩০) ও তাঁর মেয়ে রোকাইয়া (৫)| ঘটনার সময় মা ও মেয়ে ছাড়া তাদের ঘরে আর কেউ ছিল না বলে জানিয়েছে পুলিশ| গতকাল বৃহস্পতিবার বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল কাদের এই তথ্য জানান|
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খাদিজা বেগমের প্রথম বিয়ের পর বেশিদিন তার সংসার টেকেনি| পরবর্তীতে একই উপজেলার কামল্লা গ্রামের হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন| দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি কন্যা সন্তানের জন্ম নেয়| তার কিছুদিন পরই খাদিজা বেগমের স্বামী হুমায়ুন কবির মারা যান| তারপর থেকে আলীপুর গ্রামে বাবার বাড়িতেই থাকতেন খাদিজা বেগম|
পরিবারের সদস্যরা জানান, স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন খাদিজা| গত বুধবার দিবাগত রাত ৪টার দিকে খাদিজা বেগম ও তার মেয়ে রোকাইয়া বিষপান করেন| এক পর্যায়ে মেয়ে রোকাইয়া কান্নাকাটি শুরু করলে পাশের ঘর থেকে খাদিজার মা রাফিয়া বেগম ঘরের দরজা খুলে দেখেন মেয়ে ও নাতনি বিষ পান করেছে| এ সময় তাদেরকে উদ্ধার করে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন|
বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল কাদের জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মানসিক অসুস্থতা ও অভাব অনটনের কারণেই আত্মহত্যা করেছেন| মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মৃত্যু হওয়ার কারণে ময়নাতদন্তের বিষয়টি মুরাদনগর থানা পুলিশ দেখছে|
এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসরুরুল হক জানান, লাশ দুটির সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে| পাশাপাশি বাঙ্গরা বাজার থানাকে বেতার বার্তার মাধ্যমে অবহিত করা হয়েছে|

কুমিল্লার মুরাদনগরে মানসিক যন্ত্রণা ও অভাবের তাড়নায় বিষপান করে মা তাঁর মেয়েকে নিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে| মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন শ্রীকাইল ইউনিয়নের আলীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে| মারা যাওয়া ওই নারী আলীপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের মেয়ে খাদিজা বেগম (৩০) ও তাঁর মেয়ে রোকাইয়া (৫)| ঘটনার সময় মা ও মেয়ে ছাড়া তাদের ঘরে আর কেউ ছিল না বলে জানিয়েছে পুলিশ| গতকাল বৃহস্পতিবার বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল কাদের এই তথ্য জানান|
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খাদিজা বেগমের প্রথম বিয়ের পর বেশিদিন তার সংসার টেকেনি| পরবর্তীতে একই উপজেলার কামল্লা গ্রামের হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন| দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি কন্যা সন্তানের জন্ম নেয়| তার কিছুদিন পরই খাদিজা বেগমের স্বামী হুমায়ুন কবির মারা যান| তারপর থেকে আলীপুর গ্রামে বাবার বাড়িতেই থাকতেন খাদিজা বেগম|
পরিবারের সদস্যরা জানান, স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন খাদিজা| গত বুধবার দিবাগত রাত ৪টার দিকে খাদিজা বেগম ও তার মেয়ে রোকাইয়া বিষপান করেন| এক পর্যায়ে মেয়ে রোকাইয়া কান্নাকাটি শুরু করলে পাশের ঘর থেকে খাদিজার মা রাফিয়া বেগম ঘরের দরজা খুলে দেখেন মেয়ে ও নাতনি বিষ পান করেছে| এ সময় তাদেরকে উদ্ধার করে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন|
বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল কাদের জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মানসিক অসুস্থতা ও অভাব অনটনের কারণেই আত্মহত্যা করেছেন| মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মৃত্যু হওয়ার কারণে ময়নাতদন্তের বিষয়টি মুরাদনগর থানা পুলিশ দেখছে|
এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসরুরুল হক জানান, লাশ দুটির সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে| পাশাপাশি বাঙ্গরা বাজার থানাকে বেতার বার্তার মাধ্যমে অবহিত করা হয়েছে|