নিজস্ব প্রতিবেদক

মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়ার দায়ের করা এক হাজার কোটি টাকার মানহানির মামলায় উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম আরিফকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার বিকেলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রায় ২০ ঘণ্টা পর আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে বিচারক তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। পরে তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
এদিকে মাহবুব আলম আরিফকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন কুমিল্লা, মুরাদনগর ও দেবীদ্বারের সাংবাদিকেরা। তাঁরা বলেছেন, এভাবে একজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করতে পারে না পুলিশ। আরিফ মুরাদনগরের পরিচিত মুখ । সরকারের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির প্রচ্ছন্ন মদদে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। আগামীকাল শুক্রবার আরিফকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে কুমিল্লায় নানা ধরনের কর্মসূচি আছে।
জানা গেছে, গতকাল বুধবার বিকেলে উপজেলার গাইঢুলি এলাকা থেকে মুরাদনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম আরিফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আরিফ দীর্ঘদিন বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি স্থানীয় একটি পত্রিকার মুরাদনগর প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। পাশাপাশি তিনি নিজে একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যম পরিচালনা করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৭ জুলাই কুমিল্লার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিমের ১১ নম্বর আমলি আদালতে মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহŸায়ক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় তিনি দাবি করেন, সাংবাদিক মাহবুব আলম আরিফ প্রচারিত মিথ্যা তথ্যের কারণে তাঁর এক হাজার কোটি টাকার মানহানি হয়েছে।
মামলার আরজিতে বলা হয়েছে, গত বছরের ২৭ জুন রাতে মুরাদনগরে সংঘটিত এক ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ফজর আলীকে বিএনপির নেতা হিসেবে ‘মুরাদনগর লাইভ টিভি’ নামের ফেসবুক পেজে প্রচার করেন মাহবুব আলম আরিফ। প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত ফজর আলী ও তাঁর পরিবারের কেউ কখনো বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ফজর আলী আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার আরজিতে আরও বলা হয়েছে, মাহবুব আলম আরিফ অনলাইন, ফেসবুক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, মানহানিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য প্রচার করেছেন। তিনি ভুয়া ও মানহানিকর বক্তব্য দিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির অপতৎপরতায় উসকানি দিয়েছেন। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। তাঁর প্রচারিত মিথ্যা সংবাদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভাবমূর্তি ক্ষুণœ হয়েছে এবং দলের মানহানি করে আর্থসামাজিকভাবে এক হাজার কোটি টাকার ক্ষতি সাধন করা হয়েছে।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘ সাংবাদিক মাহবুব আলম আরিফের বিরুদ্ধে একটি মানহানির মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়ার দায়ের করা এক হাজার কোটি টাকার মানহানির মামলায় উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম আরিফকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার বিকেলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রায় ২০ ঘণ্টা পর আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে বিচারক তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। পরে তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
এদিকে মাহবুব আলম আরিফকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন কুমিল্লা, মুরাদনগর ও দেবীদ্বারের সাংবাদিকেরা। তাঁরা বলেছেন, এভাবে একজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করতে পারে না পুলিশ। আরিফ মুরাদনগরের পরিচিত মুখ । সরকারের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির প্রচ্ছন্ন মদদে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। আগামীকাল শুক্রবার আরিফকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে কুমিল্লায় নানা ধরনের কর্মসূচি আছে।
জানা গেছে, গতকাল বুধবার বিকেলে উপজেলার গাইঢুলি এলাকা থেকে মুরাদনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম আরিফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আরিফ দীর্ঘদিন বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি স্থানীয় একটি পত্রিকার মুরাদনগর প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। পাশাপাশি তিনি নিজে একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যম পরিচালনা করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৭ জুলাই কুমিল্লার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিমের ১১ নম্বর আমলি আদালতে মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহŸায়ক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় তিনি দাবি করেন, সাংবাদিক মাহবুব আলম আরিফ প্রচারিত মিথ্যা তথ্যের কারণে তাঁর এক হাজার কোটি টাকার মানহানি হয়েছে।
মামলার আরজিতে বলা হয়েছে, গত বছরের ২৭ জুন রাতে মুরাদনগরে সংঘটিত এক ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ফজর আলীকে বিএনপির নেতা হিসেবে ‘মুরাদনগর লাইভ টিভি’ নামের ফেসবুক পেজে প্রচার করেন মাহবুব আলম আরিফ। প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত ফজর আলী ও তাঁর পরিবারের কেউ কখনো বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ফজর আলী আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার আরজিতে আরও বলা হয়েছে, মাহবুব আলম আরিফ অনলাইন, ফেসবুক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, মানহানিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য প্রচার করেছেন। তিনি ভুয়া ও মানহানিকর বক্তব্য দিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির অপতৎপরতায় উসকানি দিয়েছেন। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। তাঁর প্রচারিত মিথ্যা সংবাদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভাবমূর্তি ক্ষুণœ হয়েছে এবং দলের মানহানি করে আর্থসামাজিকভাবে এক হাজার কোটি টাকার ক্ষতি সাধন করা হয়েছে।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘ সাংবাদিক মাহবুব আলম আরিফের বিরুদ্ধে একটি মানহানির মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।