কুমিল্লা-১০ আসন: বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করায়
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাংগঠনিক ও নির্বাচনী কার্যক্রমে নিস্ক্রিয়তার অভিযোগে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা ও পৌরসভা কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। গত সোমবার যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহদপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওই তথ্য জানানো হয়। কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন ইতিমধ্যে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নাঙ্গলকোট উপজেলা ও পৌরসভা যুবদলের কমিটিগুলো ছিল কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই উপজেলা) আসনে বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত সমালোচিত নেতা মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার অনুসারীদের নিয়ন্ত্রণে। যুবদলের নেতাকর্মীদের পদবিধারী একটি অংশ মোবাশ্বেরের পক্ষে এলাকায় নানা ধরনের অপ্রীতিকর কাজ করেছেন। তাঁরা মোবাশ্বেরের মনোনয়নের দাবিতে মশাল মিছিল, রেললাইনে অগ্নিসংযোগ ও বিক্ষোভ করেন। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে মোবাশ্বের স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। ওই মনোনয়নপত্র জমা দেন যুবদলের কমিটির নেতারা। গত ৩ জানুয়ারি মোবাশ্বেরের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান। এরপরেও যুবদলের কমিটির নেতারা বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল গফুর ভূঁইয়ার পক্ষে মাঠে নামেননি। এ অবস্থায় কেন্দ্র বিষয়টি অবহিত হয়। এরপরই কমিটি বিলুপ্তি করে।
যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির এক নেতা বলেন, বাংলাদেশের যে আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে যুবদলের নেতাকর্মীরা কাজ করবে না, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নাঙ্গলকোট উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মনিরুল ইসলাম ও সদস্য সচিব কামরুজ্জামান টিপু। নাঙ্গলকোট পৌরসভা কমিটির আহবায়ক আফছার হোসেন ও সদস্য সচিব কামাল হোসেন। এই কমিটির সদস্যরা মোবাশ্বেরের পক্ষে মশাল মিছিল করেন। এই কারণে কমিটি বিলুপ্ত করা হয়।

সাংগঠনিক ও নির্বাচনী কার্যক্রমে নিস্ক্রিয়তার অভিযোগে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা ও পৌরসভা কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। গত সোমবার যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহদপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওই তথ্য জানানো হয়। কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন ইতিমধ্যে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নাঙ্গলকোট উপজেলা ও পৌরসভা যুবদলের কমিটিগুলো ছিল কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই উপজেলা) আসনে বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত সমালোচিত নেতা মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার অনুসারীদের নিয়ন্ত্রণে। যুবদলের নেতাকর্মীদের পদবিধারী একটি অংশ মোবাশ্বেরের পক্ষে এলাকায় নানা ধরনের অপ্রীতিকর কাজ করেছেন। তাঁরা মোবাশ্বেরের মনোনয়নের দাবিতে মশাল মিছিল, রেললাইনে অগ্নিসংযোগ ও বিক্ষোভ করেন। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে মোবাশ্বের স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। ওই মনোনয়নপত্র জমা দেন যুবদলের কমিটির নেতারা। গত ৩ জানুয়ারি মোবাশ্বেরের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান। এরপরেও যুবদলের কমিটির নেতারা বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল গফুর ভূঁইয়ার পক্ষে মাঠে নামেননি। এ অবস্থায় কেন্দ্র বিষয়টি অবহিত হয়। এরপরই কমিটি বিলুপ্তি করে।
যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির এক নেতা বলেন, বাংলাদেশের যে আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে যুবদলের নেতাকর্মীরা কাজ করবে না, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নাঙ্গলকোট উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মনিরুল ইসলাম ও সদস্য সচিব কামরুজ্জামান টিপু। নাঙ্গলকোট পৌরসভা কমিটির আহবায়ক আফছার হোসেন ও সদস্য সচিব কামাল হোসেন। এই কমিটির সদস্যরা মোবাশ্বেরের পক্ষে মশাল মিছিল করেন। এই কারণে কমিটি বিলুপ্ত করা হয়।