বরুড়া প্রতিনিধি

কুমিল্লার বরুড়ায় মা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ তাঁদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮ টার দিকে বরুড়া পৌরসভার দেওড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, পৌরসভার দেওড়া এলাকার বাসিন্দা কাউসার হোসেন প্রবাসে থাকেন। গতকাল রাতে কাউসারের সঙ্গে স্ত্রী নাদিয়া আক্তার পান্নার ঝগড়াঝাটি হয়। পরে নাদিয়া রাগ করে ছেলেকে নিয়ে রুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। কিছুক্ষণ পরে তাদের সন্দেহ হলে বাড়ির লোকজন নিয়ে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন। ওই সময় শিশু আব্দুল্লাহকে অচেতন ও পান্নাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেন। তাদের দাবি সন্তানকে হত্যা করে মা নিজেও আত্মহত্যা করেছে।
পরবর্তীতে তাদেরকে বরুড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতাল থেকে বিষয়টি থানায় অবগত করলে বরুড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সরকার হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।
নিহতের বাবা অভিযোগ করেন, আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেনি। আমার নাতি এবং মেয়েকে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। লাশ ঝুলিয়ে আত্নহত্যার ঘটনা সাজিয়েছে। আত্মহত্যা করে থাকলে থানায় ফোন করে পুলিশকে জানাতো৷ আমরা তো একই এলাকার বাসিন্দা। আমাদেরকেও ফোন করে জানাতো। তারা হত্যার ঘটনাকে ধামাচাপা দিতেই তথ্য গোপন করেছে। আমার নাতি ও মেয়ে পান্নার নাকে, থুতনিসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ও নাতির নাকেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
এ বিষয়ে বরুড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সরকার বলেন, প্রথমে হাসপাতালে গিয়ে পরিদর্শন করেছি। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। নিহত মা ও ছেলের লাশ মর্গে পাঠিয়েছি। প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা মনে হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট আসলে বিস্তারিত বলা যাবে।

কুমিল্লার বরুড়ায় মা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ তাঁদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮ টার দিকে বরুড়া পৌরসভার দেওড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, পৌরসভার দেওড়া এলাকার বাসিন্দা কাউসার হোসেন প্রবাসে থাকেন। গতকাল রাতে কাউসারের সঙ্গে স্ত্রী নাদিয়া আক্তার পান্নার ঝগড়াঝাটি হয়। পরে নাদিয়া রাগ করে ছেলেকে নিয়ে রুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। কিছুক্ষণ পরে তাদের সন্দেহ হলে বাড়ির লোকজন নিয়ে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন। ওই সময় শিশু আব্দুল্লাহকে অচেতন ও পান্নাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেন। তাদের দাবি সন্তানকে হত্যা করে মা নিজেও আত্মহত্যা করেছে।
পরবর্তীতে তাদেরকে বরুড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতাল থেকে বিষয়টি থানায় অবগত করলে বরুড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সরকার হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।
নিহতের বাবা অভিযোগ করেন, আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেনি। আমার নাতি এবং মেয়েকে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। লাশ ঝুলিয়ে আত্নহত্যার ঘটনা সাজিয়েছে। আত্মহত্যা করে থাকলে থানায় ফোন করে পুলিশকে জানাতো৷ আমরা তো একই এলাকার বাসিন্দা। আমাদেরকেও ফোন করে জানাতো। তারা হত্যার ঘটনাকে ধামাচাপা দিতেই তথ্য গোপন করেছে। আমার নাতি ও মেয়ে পান্নার নাকে, থুতনিসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ও নাতির নাকেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
এ বিষয়ে বরুড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সরকার বলেন, প্রথমে হাসপাতালে গিয়ে পরিদর্শন করেছি। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। নিহত মা ও ছেলের লাশ মর্গে পাঠিয়েছি। প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা মনে হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট আসলে বিস্তারিত বলা যাবে।