নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে আগুনে পুড়ে সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছেন ইব্রাহিম। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার ভোরে উপজেলার রায়কোট উত্তর ইউনিয়নের পিপড্ডায় গ্রামের পশ্চিম পাড়ায় ইস্রাফিল মেম্বারের বাড়িতে। আগ্নিকাণ্ডে ইব্রাহিমের নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও আসবাবপত্র সম্পূর্ণ পুড়ে যায় । এতে তাঁর প্রায় ২০ লাখ টাকা বলে ইব্রাহিম দাবি করেন।
জানা যায়, ইব্রাহিম পুত্রবধূসহ দুই নাতীন নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন। এসময় বাড়ির ইস্রাফিল মেম্বারের স্ত্রী ফজরের নামাজ পড়তে এসে দেখেন তাঁর ভাসুর ইব্রাহিমের ঘর থেকে আগুনের ধোঁয়া বের হচ্ছে। এক পর্যায়ে তিনি দেখেন ঘরে আগুন জ্বলছে। পরে আশেপাশের বাড়ির লোকজনকে তিনি ঘুম ডেকে তোলেন। পরে স্থানীয় লোকজন মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে আগুন নেভানোর আগেই ইব্রাহিমের নগদ দুইলাখ টাকা, ৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও কাপড় চোপড়সহ আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ইব্রাহিম বলেন, আমরা গভীর ঘুমে ছিলাম। হঠাৎ চিৎকার শুনে ঘুম থেকে উঠে দেখতে পাই ঘরে আগুন জ্বলছে। এতে নগদ দুইলাখ টাকা, ৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও কাপড় চোপড়সহ আসবাবপত্র, ভোটার আইডি কার্ড , জমির দলিলপত্রসহ গুরুত্বপূর্ণ সকল কাগজপত্র ছাই হয়ে যায়। এতে আমার ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিজা আক্তার বীথি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ডকুমেন্টসহ আবেদন করলে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রেরণ করব। পরে ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাঁকে সহায়তা দেওয়া হবে।

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে আগুনে পুড়ে সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছেন ইব্রাহিম। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার ভোরে উপজেলার রায়কোট উত্তর ইউনিয়নের পিপড্ডায় গ্রামের পশ্চিম পাড়ায় ইস্রাফিল মেম্বারের বাড়িতে। আগ্নিকাণ্ডে ইব্রাহিমের নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও আসবাবপত্র সম্পূর্ণ পুড়ে যায় । এতে তাঁর প্রায় ২০ লাখ টাকা বলে ইব্রাহিম দাবি করেন।
জানা যায়, ইব্রাহিম পুত্রবধূসহ দুই নাতীন নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন। এসময় বাড়ির ইস্রাফিল মেম্বারের স্ত্রী ফজরের নামাজ পড়তে এসে দেখেন তাঁর ভাসুর ইব্রাহিমের ঘর থেকে আগুনের ধোঁয়া বের হচ্ছে। এক পর্যায়ে তিনি দেখেন ঘরে আগুন জ্বলছে। পরে আশেপাশের বাড়ির লোকজনকে তিনি ঘুম ডেকে তোলেন। পরে স্থানীয় লোকজন মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে আগুন নেভানোর আগেই ইব্রাহিমের নগদ দুইলাখ টাকা, ৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও কাপড় চোপড়সহ আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ইব্রাহিম বলেন, আমরা গভীর ঘুমে ছিলাম। হঠাৎ চিৎকার শুনে ঘুম থেকে উঠে দেখতে পাই ঘরে আগুন জ্বলছে। এতে নগদ দুইলাখ টাকা, ৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও কাপড় চোপড়সহ আসবাবপত্র, ভোটার আইডি কার্ড , জমির দলিলপত্রসহ গুরুত্বপূর্ণ সকল কাগজপত্র ছাই হয়ে যায়। এতে আমার ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিজা আক্তার বীথি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ডকুমেন্টসহ আবেদন করলে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রেরণ করব। পরে ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাঁকে সহায়তা দেওয়া হবে।