নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার লাকসামে রেলওয়ে জংশনে ট্রেনে কাটা পড়ে এক যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর মহানগর ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ওই যাত্রী নিহত। নিহত ওই যাত্রীর নাম শাহজালাল রতন (৪০)। তিনি কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের প্রয়াত আবদুর রশিদের ছেলে।
জানা যায়, ঈদের ছুটিতে চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনযোগে বাড়ি ফিরছিলেন শাহজালাল। শাহজালাল রতন চট্টগ্রামে একটি ওষুধ কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঈদুল ফিতর পরিবারের সঙ্গে উদযাপন করতে তিনি চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে করে বাড়ি ফিরছিলেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে ট্রেনটি লাকসাম স্টেশনে পৌঁছালে ভুলে একটি ব্যাগ ট্রেনে রেখেই নেমে পড়েন। পরে সে ব্যাগটির জন্য পুনরায় ট্রেনে উঠতে দৌড়ে আসেন। এ সময় ট্রেনটি স্টেশন থেকে ছেড়ে দেয়। চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে পড়ে যান। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান শাহজালাল।
লাকসাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন বলেন, শাহজালাল রতনের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। তার আত্মীয়-স্বজন এলে তাদেরকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

কুমিল্লার লাকসামে রেলওয়ে জংশনে ট্রেনে কাটা পড়ে এক যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর মহানগর ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ওই যাত্রী নিহত। নিহত ওই যাত্রীর নাম শাহজালাল রতন (৪০)। তিনি কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের প্রয়াত আবদুর রশিদের ছেলে।
জানা যায়, ঈদের ছুটিতে চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনযোগে বাড়ি ফিরছিলেন শাহজালাল। শাহজালাল রতন চট্টগ্রামে একটি ওষুধ কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঈদুল ফিতর পরিবারের সঙ্গে উদযাপন করতে তিনি চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে করে বাড়ি ফিরছিলেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে ট্রেনটি লাকসাম স্টেশনে পৌঁছালে ভুলে একটি ব্যাগ ট্রেনে রেখেই নেমে পড়েন। পরে সে ব্যাগটির জন্য পুনরায় ট্রেনে উঠতে দৌড়ে আসেন। এ সময় ট্রেনটি স্টেশন থেকে ছেড়ে দেয়। চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে পড়ে যান। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান শাহজালাল।
লাকসাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন বলেন, শাহজালাল রতনের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। তার আত্মীয়-স্বজন এলে তাদেরকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি বুঝিয়ে দেওয়া হবে।