নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি

নাঙ্গলকোটের ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকটে এলাকাবাসীর স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে। চিকিৎসক সংকটে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে জরুরি বিভাগ এবং আউটডোরে নামমাত্র সেবা ছাড়া বড় ধরনের কোনো স্বাস্থ্যসেবা থেকে এলাকাবাসী বঞ্চিত রয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে গুরুত্বপূর্ণ জুনিয়র কনসালটেন্ট চর্ম ও যৌন, গাইনি ও অবস, সার্জারি এবং চক্ষু চিকিৎসকদের পদগুলো শূন্য থাকায় স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে সেবা নিতে এসে রোগীদের ফিরে যেতে হয়।
এছাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একদিকে চিকিৎসক সংকট অন্যদিকে কর্মরত চিকিৎসকদের অনেকের নিয়মিত উপস্থিত না থাকা নিয়েও সেবা নিতে আসা অনেক রোগী অভিযোগ করেন। জুনিয়র কনসালটেন্ট অ্যানেস্থেসিস্ট, গাইনি ও সহকারি সার্জন এবং অটোক্ল্যাভ মেশিন না থাকায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজারিয়ান অপারেশনসহ ছোট-খাটো অপারেশন দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ৩১জন চিকিৎসকের মধ্যে কাগজে-কলমে ২০জন চিকিৎসক দায়িত্বে থাকলেও বর্তমানে হাসপাতালে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ১২ জন। দুইজন জুনিয়র কনসালটেন্ট দীর্ঘদিন থেকে অননুমোদিতভাবে অনুপস্থিত রয়েছেন। মেডিকেল অফিসার/সহকারী সার্জন দুইজন মাতৃত্বকালীন ছুটিতে এবং অন্য চারজন বছরের পর বছর ধরে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে সংযুক্তিতে রয়েছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ৩১ জনের মধ্যে ১১টি পদ শূন্য রয়েছে। শূন্য পদগুলো হচ্ছে, জুনিয়র কনসালটেন্ট ৩ জন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ১জন, মেডিকেল অফিসার/ সহকারী সার্জন ৬জন এবং অ্যানেস্থেসিস্ট ১জন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ৭ জন জুনিয়র কনসালটেন্টের মধ্যে কর্মরত আছেন ৫জন। ২জন জুনিয়র কনসালটেন্ট অননুমোদিত ছুটিতে আছেন। ১০ জন মেডিকেল অফিসার/সহকারী সার্জনের মধ্যে ২জন মাতৃত্বকালীন ছুটিতে এবং ৩জন সংযুক্তিতে আছেন। ৫জন মেডিকেল অফিসার/সহকারী সার্জন কর্মরত আছেন। প্যাথেলজিস্ট ১জন সংযুক্তিতে আছেন। এছাড়া ডেন্টাল সার্জন ও সহকারী ডেন্টাল সার্জন ২জন কর্মরত আছেন।
মেডিকেল অফিসার (প্যাথেলজিস্ট) ডা. নুর উদ্দিন খন্দকার ২০২৫ সালের ৭ সেপ্টেম্বর থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও গবেষণা শাখায় সংযুক্তিতে আছেন।
এছাড়া মেডিকেল অফিসার ডা. কামরুন নাহার মুনিয়া ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর থেকে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে, মেডিকেল অফিসার ডা. অদ্বিতীয়া ঘোষ ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল থেকে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে এবং সহকারি সার্জন ডা. আফরোজা আহমেদ ২০২৬ সালের ৭ মে থেকে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে সংযুক্তিতে আছেন।
হাসপাতালটিতে সেবা নিতে আসা রোগী অহিদুর রহমান জানান, হাসপাতালটিতে চিকিৎসকদের গুরুত্বপূর্ণ জুনিয়র কনসালটেন্ট চর্ম ও যৌন, গাইনি ও অবস, সার্জারি এবং চক্ষু চিকিৎসকদের পদগুলো শূন্য থাকায় সেবা নিতে না পেরে রোগীদের ফিরে যেতে হয়। এছাড়া নিয়মিত অনেক চিকিৎসককে
বিভিন্ন অজুহাতে হাসপাতালে অনুপস্থিত থাকতে দেখা যায়। কামাল হোসেন স্বাস্থ্য বিভাগের হাসপাতালটিতে চিকিৎসক সংকট দূরসহ মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করারও দাবি জানান।
নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জয়নুল আবেদীন বলেন, সংযুক্ত চিকিৎসকদের সংযুক্তি বাতিলের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বার-বার জানানো হলেও তাদের সংযুক্তি বাতিল করা হচ্ছে না। চিকিৎসক সংকট দূর হলে জনগণকে পরিপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া সম্ভব হবে।

নাঙ্গলকোটের ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকটে এলাকাবাসীর স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে। চিকিৎসক সংকটে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে জরুরি বিভাগ এবং আউটডোরে নামমাত্র সেবা ছাড়া বড় ধরনের কোনো স্বাস্থ্যসেবা থেকে এলাকাবাসী বঞ্চিত রয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে গুরুত্বপূর্ণ জুনিয়র কনসালটেন্ট চর্ম ও যৌন, গাইনি ও অবস, সার্জারি এবং চক্ষু চিকিৎসকদের পদগুলো শূন্য থাকায় স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে সেবা নিতে এসে রোগীদের ফিরে যেতে হয়।
এছাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একদিকে চিকিৎসক সংকট অন্যদিকে কর্মরত চিকিৎসকদের অনেকের নিয়মিত উপস্থিত না থাকা নিয়েও সেবা নিতে আসা অনেক রোগী অভিযোগ করেন। জুনিয়র কনসালটেন্ট অ্যানেস্থেসিস্ট, গাইনি ও সহকারি সার্জন এবং অটোক্ল্যাভ মেশিন না থাকায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজারিয়ান অপারেশনসহ ছোট-খাটো অপারেশন দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ৩১জন চিকিৎসকের মধ্যে কাগজে-কলমে ২০জন চিকিৎসক দায়িত্বে থাকলেও বর্তমানে হাসপাতালে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ১২ জন। দুইজন জুনিয়র কনসালটেন্ট দীর্ঘদিন থেকে অননুমোদিতভাবে অনুপস্থিত রয়েছেন। মেডিকেল অফিসার/সহকারী সার্জন দুইজন মাতৃত্বকালীন ছুটিতে এবং অন্য চারজন বছরের পর বছর ধরে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে সংযুক্তিতে রয়েছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ৩১ জনের মধ্যে ১১টি পদ শূন্য রয়েছে। শূন্য পদগুলো হচ্ছে, জুনিয়র কনসালটেন্ট ৩ জন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ১জন, মেডিকেল অফিসার/ সহকারী সার্জন ৬জন এবং অ্যানেস্থেসিস্ট ১জন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ৭ জন জুনিয়র কনসালটেন্টের মধ্যে কর্মরত আছেন ৫জন। ২জন জুনিয়র কনসালটেন্ট অননুমোদিত ছুটিতে আছেন। ১০ জন মেডিকেল অফিসার/সহকারী সার্জনের মধ্যে ২জন মাতৃত্বকালীন ছুটিতে এবং ৩জন সংযুক্তিতে আছেন। ৫জন মেডিকেল অফিসার/সহকারী সার্জন কর্মরত আছেন। প্যাথেলজিস্ট ১জন সংযুক্তিতে আছেন। এছাড়া ডেন্টাল সার্জন ও সহকারী ডেন্টাল সার্জন ২জন কর্মরত আছেন।
মেডিকেল অফিসার (প্যাথেলজিস্ট) ডা. নুর উদ্দিন খন্দকার ২০২৫ সালের ৭ সেপ্টেম্বর থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও গবেষণা শাখায় সংযুক্তিতে আছেন।
এছাড়া মেডিকেল অফিসার ডা. কামরুন নাহার মুনিয়া ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর থেকে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে, মেডিকেল অফিসার ডা. অদ্বিতীয়া ঘোষ ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল থেকে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে এবং সহকারি সার্জন ডা. আফরোজা আহমেদ ২০২৬ সালের ৭ মে থেকে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে সংযুক্তিতে আছেন।
হাসপাতালটিতে সেবা নিতে আসা রোগী অহিদুর রহমান জানান, হাসপাতালটিতে চিকিৎসকদের গুরুত্বপূর্ণ জুনিয়র কনসালটেন্ট চর্ম ও যৌন, গাইনি ও অবস, সার্জারি এবং চক্ষু চিকিৎসকদের পদগুলো শূন্য থাকায় সেবা নিতে না পেরে রোগীদের ফিরে যেতে হয়। এছাড়া নিয়মিত অনেক চিকিৎসককে
বিভিন্ন অজুহাতে হাসপাতালে অনুপস্থিত থাকতে দেখা যায়। কামাল হোসেন স্বাস্থ্য বিভাগের হাসপাতালটিতে চিকিৎসক সংকট দূরসহ মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করারও দাবি জানান।
নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জয়নুল আবেদীন বলেন, সংযুক্ত চিকিৎসকদের সংযুক্তি বাতিলের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বার-বার জানানো হলেও তাদের সংযুক্তি বাতিল করা হচ্ছে না। চিকিৎসক সংকট দূর হলে জনগণকে পরিপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া সম্ভব হবে।