কুমিল্লা-১০ আসন
পাভেল রহমান, নাঙ্গলকোট

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেষ মুহুর্তের প্রচার প্রচারণা শেষ করেছেন কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-লালমাই) আসনের প্রার্থীরা। তবে এ আসনে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করলেও মূলত লড়াই হবে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার।
নাঙ্গলকোট উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়ন এবং লালমাই উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন নিয়ে কুমিল্লা-১০ সংসদীয় আসন গঠিত। এ আসনে ভোটার সংখ্যা রয়েছে ৫লাখ ২২ হাজার ২শত ৮৯জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২লাখ ৬৩ হাজার ৫শত ৫৩জন এবং নারী ভোটার ২লাখ ৫৮হাজার ৭শত ৩৫ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১জন। এর মধ্যে নাঙ্গলকোট উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ৩লাখ ৫১ হাজার ৯শত ২৫জন এবং লালমাই উপজেলায় ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৭০হাজার ৩শত ৬৪ জন।
এ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন, বিএনপির ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী মো. ইয়াছিন আরাফাত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতিকের প্রার্থী মো. সামছুদ্দোহা আশরাফি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতি মুক্তিজোটের ছড়ি প্রতিকের প্রার্থী কাজী নুর আলম সিদ্দিকী, আমজনতা দলের প্রজাপতি প্রতিকের প্রার্থী আবদুল্লাহ আল নোমান, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) ট্রাক প্রতিকের প্রার্থী রমিজ বিন আরিফ ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের ডাক প্রতিকের প্রার্থী হাসান আহমেদ। এ আসনে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করলেও ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা ও হাতপাখা প্রতীকের প্রচার প্রচারণা ছাড়া অন্য কোন প্রার্থীর প্রচার প্রচার দেখা যায়নি। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে লড়াই হবে মুলত ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের।
এ আসনে ১৫২টি কেন্দ্রের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তার মধ্যে নাঙ্গলকোটে ৯৭ কেন্দ্রে এবং লালমাই উপজেলায় ৫৫টি কেন্দ্র। নাঙ্গলকোটের ৬৮টি কেন্দ্রকে ঝুঁকি ও অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে চিহিৃত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্র গুলোতে বিশেষ নজরদারী থাকবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়। নাঙ্গলকোট উপজেলা সহকারী রির্টানিং কর্মকর্তা লীজা আক্তার বিথী বলেন, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সকল প্রকার প্রস্ততি গ্রহণ করা হয়েছে। সিসি ক্যামরার আওতায় রয়েছে ভোট কেন্দ্রগুলো।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেষ মুহুর্তের প্রচার প্রচারণা শেষ করেছেন কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-লালমাই) আসনের প্রার্থীরা। তবে এ আসনে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করলেও মূলত লড়াই হবে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার।
নাঙ্গলকোট উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়ন এবং লালমাই উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন নিয়ে কুমিল্লা-১০ সংসদীয় আসন গঠিত। এ আসনে ভোটার সংখ্যা রয়েছে ৫লাখ ২২ হাজার ২শত ৮৯জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২লাখ ৬৩ হাজার ৫শত ৫৩জন এবং নারী ভোটার ২লাখ ৫৮হাজার ৭শত ৩৫ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১জন। এর মধ্যে নাঙ্গলকোট উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ৩লাখ ৫১ হাজার ৯শত ২৫জন এবং লালমাই উপজেলায় ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৭০হাজার ৩শত ৬৪ জন।
এ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন, বিএনপির ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী মো. ইয়াছিন আরাফাত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতিকের প্রার্থী মো. সামছুদ্দোহা আশরাফি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতি মুক্তিজোটের ছড়ি প্রতিকের প্রার্থী কাজী নুর আলম সিদ্দিকী, আমজনতা দলের প্রজাপতি প্রতিকের প্রার্থী আবদুল্লাহ আল নোমান, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) ট্রাক প্রতিকের প্রার্থী রমিজ বিন আরিফ ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের ডাক প্রতিকের প্রার্থী হাসান আহমেদ। এ আসনে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করলেও ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা ও হাতপাখা প্রতীকের প্রচার প্রচারণা ছাড়া অন্য কোন প্রার্থীর প্রচার প্রচার দেখা যায়নি। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে লড়াই হবে মুলত ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের।
এ আসনে ১৫২টি কেন্দ্রের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তার মধ্যে নাঙ্গলকোটে ৯৭ কেন্দ্রে এবং লালমাই উপজেলায় ৫৫টি কেন্দ্র। নাঙ্গলকোটের ৬৮টি কেন্দ্রকে ঝুঁকি ও অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে চিহিৃত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্র গুলোতে বিশেষ নজরদারী থাকবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়। নাঙ্গলকোট উপজেলা সহকারী রির্টানিং কর্মকর্তা লীজা আক্তার বিথী বলেন, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সকল প্রকার প্রস্ততি গ্রহণ করা হয়েছে। সিসি ক্যামরার আওতায় রয়েছে ভোট কেন্দ্রগুলো।